শব্দদূষণ ও শারীরিক ক্ষতি

ডা: আজিজুর রহমান সিদ্দিকী

মানুষের জন্য সহনীয় মাত্রার শব্দমাত্রা সর্বোচ্চ ৫০ ডেসিবেল। তবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত শব্দের মাত্রা হচ্ছে ৪৫ ডেসিবেল। ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরে এ মাত্রা দেখা যায় ৬৮-৮০ ডেসিবেল। এর ফলে শিশু ও রোগীরা বিশেষভাবে শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। শব্দের এ দূষণে মানসিক ভারসাম্য হারানো থেকে শুরু করে হার্টঅ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। অনিন্দ্রা, মাথা ঘোরানো, অস্থিরতা, অমনোযোগী হওয়া, বুক ধড়ফড় করা, হৃদস্পন্দন, নাড়ির গতি ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া এবং বদহজম ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। শব্দদূষণে গর্ভজাত শিশুরও শ্রবণশক্তি লোপ পেতে পারে। তাই প্রয়োজন পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এ জন্য আমাদের করণীয়Ñ
Ñ শব্দদূষণ অধ্যাদেশ জারি করে দোষীদের শাস্তি প্রদান।
Ñ নির্বাচনী মাইক, যাত্রার মাইক, ধর্মীয় কুসংস্কারের মাইক, ওপেন কনসার্ট, বাসায় ও দোকানে উচ্চ শব্দে গানবাজনা বন্ধ করতে হবে।
Ñউচ্চ শব্দ থেকে নিজেকে, শিশুকে ও পরিবারের সদস্যদের দূরে রাখুন।
Ñমাইকের গায়ে লিখে রাখা যেতে পারে ‘শব্দদূষণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.