নতুন বছর যেন হয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের
নতুন বছর যেন হয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের

নতুন বছর যেন হয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের

সৈয়দ আবদাল আহমদ

‘সকল জীর্ণতা দীর্ণ করে তুমি এসো হে বৈশাখ

এসো উত্তপ্ত বদ্বীপে, সবুজ পল্লবে, নবরূপে
এসো স্বপ্ন-সম্ভাবনা বুকে নিয়ে, এসো বারবার,
মুছে দাও ব্যর্থতার যত গ্লানি, জীবনের ভার।’

বাংলা নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে কবিতায় এভাবেই আবাহন করেছেন কবি মোশাররফ হোসেন খান। আজ শুক্রবার চৈত্রসংক্রান্তির দিন। রাত পোহালেই পয়লা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। সব অশুভ ও অসুন্দরকে পেছনে ফেলে নতুনের কেতন উড়িয়ে আগমন ঘটবে নতুন বছরের। শুভ নববর্ষ ১৪২৫।

নববর্ষ মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয়। নববর্ষ মানেই জীর্ণ-পুরনোকে বিদায় জানানো। নববর্ষ মানেই কবি শামসুর রাহমানের গান- ‘এলো নববর্ষ, শুভ নববর্ষ’। নববর্ষ মানেই কবি সুফিয়া কামালের কবিতা।
সর্বজনীন উৎসবের দিন পয়লা বৈশাখ। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়কে এ দিনটি স্পর্শ করে। নানা ঝামেলার মধ্যেও পয়লা বৈশাখ আমাদের একটু অন্যভাবে নাড়া দেয়। এর কারণ বঙ্গাব্দের সাথে বাংলাদেশের ঋতুচক্র এবং কৃষি উৎপাদনের নিবিড় সম্পর্ক।

বৈশাখ আমাদের সাহিত্যে, বৈশাখ আমাদের কবিতায়, বৈশাখ আমাদের গানে, বৈশাখ আমাদের জীবনের। অর্থ থাকুক আর নাই থাকুক, পয়লা বৈশাখে আমাদের হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সুর জেগে উঠবে- ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...। কিংবা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর...।’

পয়লা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এই বর্ষবরণ উৎসব এখন বিশাল রূপ নিয়েছে। সূর্য ওঠার সাথে সাথে যে উৎসবের শুরু, তা চলে রাত অবধি। কতই না আনন্দ! এই আনন্দ রবীন্দ্রনাথের উৎসব প্রবন্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন- ‘উৎসবের দিন সৌন্দর্যের দিন। এই দিনকে আমরা ফুলপাতার দ্বারা সাজাই, দ্বীপমালা দ্বারা উজ্জ্বল করি, সঙ্গীতের দ্বারা মধুর করিয়া তুলি। এইরূপ মিলনের দ্বারা, প্রাচুর্যের দ্বারা, সৌন্দর্যের দ্বারা আমরা উৎসবের দিনকে বৎসরের সাধারণ দিনগুলোর মুকুটমণির স্বরূপ করিয়া তুলি।’ উৎসব এভাবে মানবজীবনে বেঁচে থাকার সত্যকে অর্থবহ করে তোলে। আমাদের বাংলা নববর্ষ এভাবে জাতিগোষ্ঠীর শিকড় সন্ধানী এক অনুপ্রেরণা।

বৈশাখ এখন আর শুধু ছায়ানটের বর্ষবরণ আর চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায় সীমাবদ্ধ নেই। বৈশাখ মানেই বর্ণিল আনন্দ। ছোটদের হৈ-হুল্লোড়, জয়ধ্বনি। বৈশাখ মানেই তরুণীদের হাতভর্তি রেশমি চুড়ি, খোঁপায় গোঁজা রঙিন ফুল, দেশীয় ঐতিহ্যের নতুন পোশাক, গ্রামীণ মেলা, নাগরদোলা, হাওয়াই মিঠাই, মুখোশ, পুতুল নাচ, হালখাতা, রাজপথে আল্পনা আরো কত কী! চার দিকেই রঙের ছড়াছড়ি।

বৈশাখে বড়দের চেয়ে ছোটদের আনন্দই বেশি। বৈশাখী মেলায় ঘুরে বেড়ানো, নাগরদোলায় চড়া, হাওয়াই মিঠাই খেতে খেতে এটা-ওটা কেনা। বৈশাখে দেশের নানা অঞ্চলে নানা অনুষ্ঠান হয়। সিলেটের গ্রাম ও চা-বাগান এলাকায় হয় মোরগের লড়াই, পার্বত্যাঞ্চলে হয় বৈশাবী উৎসব, দক্ষিণাঞ্চলে হয় নীলনৃত্য বা অষ্টক গানের উৎসব, রাজশাহীতে হয় লাঠিখেলা ও গম্ভীরা গান। চট্টগ্রামে বলী খেলা। হাওরাঞ্চলে হয় ঢপযাত্রা। এক কথায় মজার আনন্দে ভরপুর আমাদের নববর্ষ।

পয়লা বৈশাখ আমরা ঐতিহ্যগতভাবে পালন করি। ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্যরে দিন হিসেবে এ দিনটি একেবারেই ‘মৃত্তিকাজাত’। ছোটবেলায় দেখেছি এই দিনে শুভ হালখাতার আয়োজন করতেন ব্যবসায়ীরা। হালখাতায় ব্যবসায়ীদের পাওনা শোধ করে দেয়া হতো। ওই দিনে দেখতাম দেশী খাবার, রসগোল্লা, বুন্দিয়া, লুচি, নিমকি, মুড়ি-মুড়কি পেটপুরে খাওয়ানো হতো। এখন হালখাতার উৎসব আগের মতো হয় না। পয়লা বৈশাখের আগের দিন দেখতাম গ্রামে চৈত্রসংক্রান্তির মেলাও বসত। তেমনি নববর্ষের দিনটিতেও দেশব্যাপী হতো মেলা। লোকবিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে অন্তত সাত-আট হাজার মেলার বিবরণ পাওয়া যায়।

এসব মেলায় দিকদিগন্ত উদ্বেল হয়ে উঠত। এখনো মনে আছে আমাদের গ্রাম নাছিরপুরের ছাডের (মাঠ) বান্নির কথা। তেমনি আমার শৈশব কেটেছে পীরের গাঁওয়ে, সেই হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বান্নির কথা ভুলতে পারি না। নববর্ষের দিনে একেবারে ভোরে ঘুম থেকে উঠে যেতাম। ভাগ্নে-ভাগ্নিরা ছিল আমার ছেলেবেলার সাথী। সেফুল, কুকুল, মুকুল, ইলিয়াস, ইকবাল, কামাল, তোজাম্মেল, সবাই আমরা আনন্দে মেতে উঠতাম। বড়রা বিশেষ করে সেফুলের দাদা আমাদের সবাইকে ওইদিন ডেকে ডেকে চার আনা, আট আনা, এক টাকা করে দিতেন। নতুন পোশাক পরে চুনারুঘাটের বান্নিতে গিয়ে (মেলা) পছন্দের জিনিস কিনে আনতাম। আমরা কিনতাম নানা রকম মিষ্টি, আম কাটার চাকু, মোহনবাঁশি, ঢোল, পুতুল- সে যে কী আনন্দ! মাঠজুড়ে বৈশাখী মেলায় কত সামগ্রীই না দেখা যেত!

ভাজা জিলাপির গন্ধে গোটা মেলার বাতাস ম ম করত। ওই সময় আম কুড়াতে খুব ভালো লাগত। আমরা কাঁচা আম কুড়াতাম এবং মেলা থেকে কেনা চাকু দিয়ে কেটে কেটে খেতাম। ছেলেবেলার সেই স্মৃতি বড়ই মধুর। প্রতিমা ব্যানার্জীর উদাস করা সেই গান- ‘আমি মেলা থেকে তালপাতার এক বাঁশি কিনে এনেছি। বাঁশি কই আগের মতো বাজে না, মন আমার তেমন কেন সাজে না, তবে কি ছেলেবেলা অনেক দূরে ফেলে এসেছি।’ সত্যিই কোথায় যেন হারিয়ে গেছে সেই ছেলেবেলা।

এখনকার পয়লা বৈশাখ নগরে ভিন্নরূপ ধারণ করেছে। গ্রামের সেই তরতাজা আমেজ নেই। তবে জৌলুশ বেড়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। এর সাথে নতুন করে যোগ হয়েছে পান্তা-ইলিশ। প্রকৃতপক্ষে এই পান্তা-ইলিশ পয়লা বৈশাখের সংস্কৃতি কোনো কালেই ছিল না। এই কালচার নববর্ষের কোনো কালচার নয়। গরিব মানুষের খাবার পান্তা ভাত। গ্রামবাংলায় রাতে খাওয়ার পর অবশিষ্ট ভাত রাখার কোনো ব্যবস্থা ছিল না; তাই পানি দিয়ে রাখা হতো এবং সকালে আলু ভর্তা, পোড়া শুকনো মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে খাওয়া হতো। ছোটবেলায় আমরাও খেয়েছি; কিন্তু এখন পান্তা-ইলিশ ধনী লোকের বিলাসিতায় পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতিকে সম্মান দেখানোর পরিবর্তে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে।

নববর্ষ পৃথিবীর নানা দেশে নানাভাবে পালিত হয়। পৃথিবীতে নববর্ষের উৎসব চার হাজার বছরের পুরনো উৎসব। আমাদের দেশে ১৫৮৫ সালের ১০ মার্চ মোগল সম্রাট আকবরের ফরমান অনুযায়ী, আমির ফতেউল্লাহ সিরাজী উদ্ভাবিত বাংলা ফসলি সন নববর্ষ চালু হয়। ১০ মার্চ থেকেই (১ বৈশাখ ছিল) তখন সাল গণনা হতো।

ফতেউল্লাহ খান সিরাজী প্রায় ৪০০ বছর আগে হিজরি সালের সাথে মিল রেখে ফসলি সন হিসেবে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দের প্রচলন করেন। শস্যভিত্তিক ঋতুকে সামনে রেখে কৃষকের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে প্রচলন করা হয়েছিল বাংলা সনের। তখনই বঙ্গাব্দের সূচনা হয় বৈশাখের প্রথম দিন থেকে। এর সাথে যতই উৎসব আনুষ্ঠানিকতা থাক, মূলে ছিল অর্থনীতি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তা এই জনপদের মানুষের গর্বিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। বৈশাখী উৎসব তাই সংস্কৃতির অন্যতম সমৃদ্ধ এক উপাদানে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বাইরেও এখন পয়লা বৈশাখে বাঙালির নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ বাংলা একাডেমির সুপারিশকৃত পঞ্জিকা অনুসরণ করে উদযাপন করা হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এ পঞ্জিকার সুপারিশ করেন বলে একে শহীদুল্লাহ পঞ্জিকাও বলা হয়।

বাংলা নববর্ষের শুভ এ দিনটি এবার এমন এক সময়ে উপস্থিত, যখন দেশের মানুষ এ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে দারুণ উদ্বিগ্ন। আমরা গণতন্ত্র হারিয়েছি, আইনের শাসন হারিয়েছি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হারিয়েছি। আমরা আজ সুশাসনকে নির্বাসনে পাঠিয়েছি। নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছি। ব্যাংক কেলেঙ্কারি, ব্যাংক লুট এখন দেশের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অপশাসন এখন এমন পর্যায়ে গেছে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে একটি স্বৈরতান্ত্রিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই সরকারেরই প্রথম আমলে বাংলাদেশ চিহ্নিত হয়েছিল বিশ্বের এক নম্বর দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে। আর এবার হয়েছে পাঁচটি স্বৈরতান্ত্রিক দেশের একটি।

জার্মান গবেষণা সংস্থা বেরলেটসম্যান স্টিফটুং তাদের রিপোর্টে ২৩ মার্চ জানায়, বাংলাদেশে এখন স্বৈরশাসনের অধীন এবং সেখানে গণতন্ত্রের ন্যূনতম মানদণ্ড পর্যন্ত মানা হচ্ছে না। পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ নিম্নের দিকের পাঁচটি দেশের অন্যতম। সেখানে গণতন্ত্র বিদায় নিয়েছে, স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এটা আমাদের জন্য বিরাট লজ্জার বিষয়। গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে দেশের মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে আছেন বেগম খালেদা জিয়া; কিন্তু আজ একটি মামলায় তাকে নাজিমউদ্দীন রোডের পরিত্যক্ত কারাগার ভবনের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী করে রাখা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইন সিআরপিসি এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় তার জামিন পাওয়ার অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট আইন থাকলেও তিনি সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

দেশের পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে গেছে, তার উদাহরণ প্রধান বিচারপতিকে রাতের আঁধারে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করতে হয়েছে। কোটাপদ্ধতি সংস্কার নিয়ে ছাত্ররা আন্দোলন করছে। কারণ, লাখ লাখ মেধাবী শিক্ষার্থী আজ চাকরি না পেয়ে বেকার জীবন যাপন করছেন। ৫৬ শতাংশ কোটা নির্ধারিত থাকায় প্রকৃত মেধাবীরা চাকরি পাচ্ছেন না। আজ যখন কোটা সংস্কারের দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন, তখন সংসদে মতিয়া চৌধুরী তাদেরকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে গালি দিচ্ছেন। অথচ এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রলীগের মেধাবীদের সংখ্যাও কম নয়। আজ রাজনৈতিক ক্যাডার দেখে দেখে চাকরিতে সুযোগ দেয়া হয়। ফলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ন্যায্য দাবির প্রতি সংহতি না জানিয়ে পুলিশ তাদের ওপর চালিয়েছে নির্যাতন। একজন নিম্ন পদের পুলিশ কর্মকর্তার হুঙ্কার ছিল- ‘খাইয়া ফালামু’। এ অবস্থায় সর্বত্র আজ অস্থিরতা। মানুষ এ অবস্থার পরিবর্তন চায়। এ অবস্থা থেকে স্বস্তি চায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আসছে নতুন বছর। তাই নতুন বছরের কাছে মানুষের প্রত্যাশা- শোনাও নতুন গান। অর্থাৎ সুখবর পেতে চায়। ১৪২৫ যেন হয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বছর। সুন্দর, সুষ্ঠু একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বছর। মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার বছর। ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা’ পুড়িয়ে ফেলে, হতাশা-অবসাদ-ক্লেদ ঝেড়ে-মুছে ফেলে নতুন উদ্দীপনায় জাগরণের আহ্বান নিয়ে আসুক বৈশাখ। প্রতিহিংসা, ক্ষুদ্র্রতা, কলুষতা, কুসংস্কার ও পশ্চাৎপদতার নিগড় ভেঙে ফেলে, অসুন্দরকে হটিয়ে সমাজ মুক্ত হোক, সত্যিকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসুক, প্রগতির আলোয় স্নিগ্ধ প্রশান্ত হোক সমাজ- এ আহ্বান নিয়ে আসুক বৈশাখ। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের লাখ লাখ মামলার শিকার আর যেন হতে না হয়। প্রতিহিংসার আগুনে যেন পুড়তে না হয়। ‘পরিবর্তন চাই’, ‘এই দুঃসহ অবস্থার পরিবর্তন চাই’- এ আওয়াজ তাই আজ দেশের সর্বত্র। নতুন বছর দেশে পরিবর্তন নিয়ে আসুক। ‘যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি। অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক- এসো হে বৈশাখ।’

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.