রা শি য়া র রূ প ক থা

বরফ রাজা

হাসান হাফিজ  


(গত দিনের পর)

মেয়েটি এ কথা শুনে তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠে। বিরক্ত কণ্ঠে সে জবাব দেয়,
সেটা দিয়ে তোমার দরকার কী হে? নিজের চরকায় তেল দাও গে বাপু। আমি যেমন আছি, তেমন থাকতে দাও। শুধু শুধু বিরক্ত কোরো না আমাকে।
মেয়েটির চ্যাটাং চ্যাটাং কথা শুনে বরফ-রাজা ভীষণ চটে যান। ভাবেন, মেয়েটি তো বেশ বেয়াদব। ওকে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। বরফ-শীতল হিমেল নিঃশ্বাস ছাড়েন মেয়েটির চোখেমুখে। বরফ-রাজা এবার জানতে চান,
এখন বলো ছোট্ট মেয়ে। এখন তোমার কেমন লাগছে? একটু গরম বোধ হচ্ছে কি?
মেয়েটি আরো ক্ষেপে যায়। বলে সে,
আজব একটা প্রশ্ন করছো তুমি। দেখতেই পাচ্ছো যে, ঠাণ্ডায় আমি জমে যাচ্ছি। তার মধ্যে তুমি কিনা বলছো উল্টো কথা। আমাকে উপহার যা যা দেয়ার কথা, শিগগির সেসব নিয়ে এসো। তারপর তুমি তোমার নিজের কাজে যাও।
(চলবে)

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.