বৈশাখে হাতিরঝিলে মানুষের ঢল

বৈশাখে রাজধানীজুড়ে ছিল উৎসব। যার ছোঁয়া লেগেছিল রাজধানীর হাতিরঝিলেও। এক সময় রাজধানীতে নববর্ষের অনুষ্ঠান ছিল রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক। হাতিরঝিল চালু হওয়ার পর এখানেও দর্শনার্থীরা ভিড় করতে শুরু করেন। দুই বছর ধরে বিভিন্ন উৎসবের দিনগুলোয় মগবাজার থেকে শুরু করে রামপুরা-গুলশান পর্যন্ত পুরো ঝিল এলাকায় জনতার ঢল নামে। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। গত শনিবার বাংলা সনের প্রথম দিন সকাল থেকেই উৎসবপ্রিয় জনতার পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ঝিল প্রাঙ্গণ। দুপুরের পর ভিড় আরো বাড়তে শুরু করে। কিন্তু বিকেলের বেরসিক বৃষ্টি উল্লাসে বাগড়া দেয়। ভোগান্তিতে পড়েন অনেকেই। তবে এই বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি দুরন্ত তরুণ-তরুণীদের আনন্দ উদযাপনে। বৃষ্টিতে ভিজেই চলে বর্ষবরণ। উৎসবে বাড়তি মাত্রা যোগ করে ওয়াটার ট্যাক্সির বৈশাখী উৎসব প্যাকেজ। সকাল থেকেই হাতিরঝিলের সবুজ জলে ভেসে বেড়ানোর জন্য লম্বা লাইন ধরে ট্যাক্সিতে ওঠেন আগত দর্শনার্থীরা। গত শনিবার বিকেলে বৃষ্টির আগ পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা ভিড় জমান হাতিরঝিলে। শিশু, তরুণ-তরুণী, কিশোর-কিশোরী, দম্পতিসহ নানা বয়সের মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয় ঝিল প্রাঙ্গণ। বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী লাল সাদা শাড়ির পাশাপাশি নীল-হলুদ আঁচলেও সেজেছিলেন অনেক তরুণী। শিশুরাও পরেছিল লাল-সাদা পোশাক। সন্তানদের নিয়ে আসেন অনেক মা-বাবা। সবাই ঘুরে ঘুরে সেলফি তোলেন। ওয়াটার ট্যাক্সিতে ভ্রমণের জন্য যাত্রীদের ছিল দীর্ঘ লাইন। বিশেষ প্যাকেজে প্যাডেল বোটে ২০ মিনিটের জন্য দুই সিটের ভাড়া ছিল ১৫০ টাকা। আট সিটের স্পিডবোটে হাতিরঝিলে একটি চক্করের প্যাকেজমূল্য ছিল ৩ হাজার ২০০ টাকা। তবে ২০ মিনিটের জনপ্রতি ৬০ টাকার প্যাকেজের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.