অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

সংসদ সদস্য মিজানুরকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে গতকাল সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কমিশনের উপপরিচালক ও অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মঞ্জুর মোর্শেদ। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব ভট্টাচার্য জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ৭ মার্চ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। গত ৪ এপ্রিল তাকে তলব করে চিঠি দেয়া হয়। দুদক কর্মকর্তা জানান, সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে খুলনা সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সরকারি অফিসের ঠিকাদারি কাজ পরিবারের সদস্যদের দেয়া, নামমাত্র কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা এবং মাদকের কারবারে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ দিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন মিজানুর রহমান। তিনি মাদকের কারবারে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি মাদক ব্যবসা করি না, বরং আমি এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। আমার আগামী দিনের সন্তানরা যাতে ভালো থাকে এর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার, তা নিয়েছি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিজানুর রহমান বলেন, দুদক অনুসন্ধানের জন্য ডেকে যেসব অভিযোগ করেছে আমার বিরুদ্ধে, সে বিষয়গুলো তাদের কাছ থেকে অবগত হলাম। এ ধরনের অভিযোগের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় কিছু মানুষ ভীত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
কারা ষড়যন্ত্র করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সেটা স্পেসিফিকভাবে বলতে চাইছি না। তবে একটি ক্ষমতাশালী মহল আমার বিরুদ্ধে দুদকে চিঠি দিয়েছে। তিনি বলেন, আমার নামে-বেনামে অবৈধ কোনো সম্পদ নেই। আর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে, এটা করার কোনো সুযোগ নেই। কাজ দিয়ে কাজ না করিয়ে টাকা নেয়া সম্ভব না। কেননা বর্তমানে ই- টেন্ডারে সব কাজ হয়ে থাকে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.