ads

প্রথম দফায় ১২ জেলায়

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু ২০ এপ্রিল

আমানুর রহমান

আগামী ২০ এপ্রিল শুক্রবার দেশের বার জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এ নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা ওই বার জেলায় একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। দেশের অন্য জেলাগুলোর নিয়োগ পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে পরে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে বলা হয়েছে। ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, উচ্চাদালতে রিট ও মামলার জটিলতায় আটকে ছিল ২০১৪ প্রকাশিত সালে বিজ্ঞপ্তির নিয়োগ প্রক্রিয়া। আর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কয়েক দফায় জেলাওয়ারী পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।
ডিপিই সূত্রে বলা হয়েছে, ২০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ২০ পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। গত ১২ এপ্রিল থেকে উল্লিখিত ১২ জেলার প্রার্থীদের আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল ফোন নাম্বারে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হচ্ছে। প্রার্থীদের নিজ নিজ প্রবেশপত্র টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://dpe.teletalk.com.b) থেকে ডাউন লোড করে সংগ্রহ করতে হবে। প্রবেশপত্র ডাউন লোডের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সংগ্রহের অপশন ওই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। বৈধ প্রবেশপত্র ছাড়া কাউকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। পরীক্ষায় ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশনা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ডিপিইর ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd)- পাওয়া যাচ্ছে।
ডিপিই সূত্রে আরো বলা হয়েছে, প্রবেশপত্র ছাড়া প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেকোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস এমনকি হাত ঘড়িও বহন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ নির্দেশনা লঙ্ঘনকারী প্রাথীকে বহিষ্কারসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।
২০১৪ সালের বিজ্ঞাপনের নিয়োগ ২০১৮ সালে কেন জানতে চাইলে ডিপিই সূত্রে বলা হয়েছে, পুলভুক্ত সহকারী শিক্ষক এবং প্যানেল শিক্ষকদের দফায় দফায় রিটের কারণেই মূলত এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল এতদিন। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চাদালতের নির্দেশনা ছিল, পুলভুক্ত সহকারী শিক্ষক এবং প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তির নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের বিজ্ঞাপনের নিয়োগ পরীক্ষা তিন পার্বত্য জেলা বাদে তিন দফায় সম্পন্ন করা হবে। প্রত্যেক দফায় নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। মূলত নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধেই এ সিদ্ধান্ত ও কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। প্রথম দফায় ১২ জেলায় নিয়োগ পরীক্ষা হবে ২০ এপ্রিল। যে ১২ জেলায় নিয়োগ পরীক্ষা হবে, সে জেলাগুলো হচ্ছেÑ ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি, মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা ও জয়পুরহাট জেলা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১২ সাল থেকেই প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে আসছে। শুধু সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাই নয়, ২০১৪ সালের মে মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী-কাম-পিয়ন নিয়োগ পরীক্ষা ঘোষিত তারিখে বাতিল করা হয়েছে প্রশ্নফাঁসের কারণে।

ads

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.