ads

ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা প্রথম অধ্যায় : আকাইদÑবিশ্বাস

প্রিয় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ‘প্রথম অধ্যায় : আকাইদ-বিশ্বাস’ থেকে ৭টি সংক্ষিপ্ত উত্তর-প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা হলো।
সংক্ষিপ্ত উত্তর-প্রশ্ন
প্রশ্ন : ইমান শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : ইমান আরবি শব্দ। এর অর্থ দৃঢ়বিশ্বাস। ইসলামী পরিভাষায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যা কিছু নিয়ে এসেছেন সেসব বিষয়কে অন্তরে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করা এবং সে অনুযায়ী কাজ করাকে ইমান বলে। ইসলামের স্তম্ভ বা ভিত্তি হচ্ছে পাঁচটি। এদের মধ্যে ইমান হচ্ছে প্রথম ও প্রধান। ইসলামে ইমানের গুরুত্ব অপরিসীম।
প্রশ্ন : সারা বিশ্বের পালনকর্তা কে?
উত্তর : সমগ্র সৃষ্টির একমাত্র স্রষ্টা হচ্ছেন মহান আল্লাহ তায়ালা। তিনি আমাদের পালনকর্তা। তাঁর নেয়ামতের ওপর নির্ভর করে আমরা বেঁচে আছি। তাঁকেই পালনকর্তা বলে।
প্রশ্ন : আমাদের দীনের নাম কী?
উত্তর : মহান রাব্বুল আলামিন তার দীন সম্পর্কে কুরআন পাকে ঘোষণা করেন, আল্লাহ পাকের নিকট সবচেয়ে মনোনীত দীন হলো ইসলাম। যে দীন মানবজাতির জন্য ইহকালের শান্তি ও পরকালের মুক্তিস্বরূপ।
প্রশ্ন : আমরা কী বলে আল্লাহর শোকর আদায় করব? উত্তর : আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর দৈনন্দিন নিয়ামতের প্রতি অবনত হয়ে পড়ব। অর্থাৎ সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর যিনি সারা বিশ্বের পালনকর্তা। আল্লাহর শোকর সম্পর্কে কুরআন পাকের অন্যত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, তোমরা যদি আমার শোকর আদায় করো তাহলে আমি আমার নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেবো, আর যদি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো তাহলে তোমাদের জন্য রয়েছে আমার কঠিন শাস্তি।
প্রশ্ন : আখিরাত মানে কী?
উত্তর : আখিরাত আরবি শব্দটি। এর অর্থ হলোÑ পরজগৎ, পরকাল ও শাব্দিক অর্থ শেষ, পরিসমাপ্তি। কারণ দুনিয়ার জীবন যখন শেষ হয়ে যায়, তখন তাকে পরজগতে গমন করতে হয়। মৃত্যুর পরবর্তী জগৎকে আখিরাত বলে। আখিরাতের জীবন হলো অনন্তকালের জীবন। এ জীবনের শেষ নেই। তাই আল্লাহ পাক বলেনÑ ‘দুনিয়া হলো আখিরাতের কৃষিক্ষেত্রস্বরূপ।’
প্রশ্ন : আকাইদ বলতে কী বুঝ?
উত্তর : আকাইদ শব্দটি আকিদা শব্দের বহুবচন। এর অর্থ বিশ্বাসমালা। ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর প্রতি দৃঢ়বিশ্বাসকেই আকাইদ বলা হয়। আল্লাহ, নবী-রাসূল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, পরকাল, জান্নাত-জাহান্নাম ইত্যাদি আকাইদের অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন : পানিচক্র কী?
উত্তর : প্রতিদিন সূর্যের প্রখর তাপে নদ-নদী, খাল-বিল, সাগর-মহাসাগরের পানি জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। এ বাষ্প শূন্যে ও বাতাসে ভেসে বেড়ায়। পরে তা আস্তে আস্তে ঘনীভূত হতে থাকে এবং মেঘে পরিণত হয়। পরে বৃষ্টি হয়ে ভূপৃষ্ঠে ঝরে পড়ে। এ পানির কিছু অংশ মাটির নিচে জমা হয়। আর কিছু অংশ নদ-নদী, খাল-বিল, সাগর-মহাসাগরে জমা থাকে। এভাবেই পানি চক্রাকারে বাষ্প হয়ে পুনরায় পানিতে পরিণত হয়। এ চক্রকেই পানিচক্র বলে।

 

 

ads

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.