গুলশানে আমিন জুয়েলার্সে চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর গুলশান ডিসিসি মার্কেটের আমিন জুয়েলার্সের শোরুম থেকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
পুলিশ ও দোকানকর্মীদের বরাত দিয়ে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আমিন জুয়েলার্স থেকে প্রায় ৩০০ ভরি স্বর্ণ ও ২২ লাখ টাকা চোর দলের সদস্যরা নিয়ে গেছে। তবে গত রাত সাড়ে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি।  
এর আগে রাত সাড়ে ৯টায় গুলশান থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক নয়া দিগন্তকে আমিন জুয়েলার্সে চুরির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পয়লা বৈশাখের পর কোনো এক সময় আমিন জুয়েলার্সের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে আমিন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে দোকান থেকে কী পরিমাণ স্বর্ণ ও টাকা চুরি হয়েছে সে ব্যাপারে এখনো আমরা লিখিত অভিযোগ পাইনি। 
গুলশান বিভাগের এডিসি আব্দুল আহাদ সাংবাদিকদের বলেছেন, আমিন জুয়েলার্স থেকে চুরির অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। দুর্বৃত্তরা মার্কেটের ছাদ কেটে দোকানে ঢুকেছিল। 
এর আগে পুলিশকে গুলশান-২ ডিসিসি মার্কেটের আমিন জুয়েলার্সের দোকানকর্মী শাখাওয়াত হোসেন পুলিশকে জানান, গতকাল সোমবার সকালে তিনি দোকান খুলে দেখতে পান, দোকানের ছাদ ভাঙা। ভেতরে দেখেন স্বর্ণ ও ক্যাশে থাকা টাকা নেই। দোকানে সাজানো শত শত ভরি স্বর্ণ থাকলেও অনেক প্যাকেট খালি পাওয়া যায়। পরে মার্কেটের লোকজন ছাদে গিয়ে দেখেন, একটি অংশে নতুন ঢালাই করা হয়েছে। তিনি সাথে সাথে বিষয়টি তার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন এবং পুলিশকে সংবাদ দেন। 
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দোকানকর্মী শাখাওয়াত হোসেন আরো জানিয়েছেন, পয়লা বৈশাখের কারণে গত দুই দিন দোকান বন্ধ ছিল। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ তদন্তে নেমে দেখতে পেয়েছেন, ডিসিসি মার্কেটের ছাদের একটি অংশে নতুন ঢালাই দেয়া। পুলিশের ধারণা চোরেরা ওই স্থান দিয়ে দোকানে ঢুকে চুরি করে আবার ঢালাই করে নিরাপদে পালিয়ে যায়। 
পুলিশ বলছে, চুরির অভিযোগ পাওয়ার পরই তারা আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করে দেখছে। এ ছাড়া দোকানকর্মী ও আশপাশ এলাকার নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 
গত রাত সাড়ে ১২টায় গুলশান থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার নয়া দিগন্তকে জানান, আমি রাত ৮টায় ডিউটিতে এসেছি। আমিন জুয়েলার্সে চুরির ঘটনায় এখন পর্যন্ত আমার হাতে কোনো এজাহার আসেনি। তাই দোকান থেকে ৩০০ ভরি স্বর্ণ ও ২২ লাখ টাকা চুরি হয়েছে কি না সে ব্যাপারে আমি কোনো কিছুই বলতে পারব না। পরে ওসির নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি টেলিফোন ধরেননি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.