রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ধীরগতিতে নিরাপত্তা পরিষদ উদ্বিগ্ন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি গুস্তাবো আদোলফো মেসা কায়াদ্রা ভেলাসকাস বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ধীর গতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। আর এ জন্যই নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা দুই দেশ সফর করছে। রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুততর করার জন্য জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছেন। নিরাপত্তা পরিষদ এতে সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডাগুলোর মধ্যে র্শীষে রয়েছে। আমরা নিউ ইয়র্ক ফিরে গিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখব।

বাংলাদেশে তিনদিনের সফর শেষে আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভেলাসকাস এসব কথা বলেন।

সকালে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

সংবাদ সম্মেলনের পরই ঢাকা থেকে তারা মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিডোতে রওনা হয়েছেন। মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শন এবং দেশটির ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ ঊধ্বর্তন নেতৃবৃন্দের সাথে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দল আলোচনা করবেন।

ভেলাসকাস বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদ ঐকবদ্ধ রয়েছে। আর এ জন্যই পরিষদের ১৫ সদস্য একসাথে বাংলাদেশে এসেছে। গত নভেম্বরে নিরাপত্তা পরিষদ রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি প্রেসিডেন্টসিয়াল বিবৃতিও দিয়েছে।

জাতিসঙ্ঘে ব্রিটেনের স্থায়ী প্রতিনিধি কারিন প্রিস বলেন, রাখাইনের নৃশংসতার প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণসহ একটি যথাযথ বিচারিক তদন্ত প্রয়োজন। জাতিসঙ্ঘের তথ্যনুসন্ধান মিশন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে ঠিকই। এর ভিত্তিতে তারা বিবৃতিও দিয়েছে। কিন্তু এ সব তথ্য-উপাত্ত আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মতো যথেষ্ট নয়।

তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার তাদের নিজস্ব তদন্ত শুরু করেছে। আমরা মনে করতে পারি তা অনেক দেরীতে শুরু করা হয়েছে যার ব্যাপ্তিও যথেষ্ঠ নয়। রাখাইনে সহিংসতার সাথে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে মিয়ানমার কি করছে তা তাদের নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপকালে জানতে চাইব। এর বাইরে কি করা যেতে পারে তা আমরা পর্যালোচনা করব।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.