কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির সুবাতাস

আহমেদ বায়েজীদ

অবিশ্বাস্য এক ঘটনার জন্ম দিলো কোরীয় উপদ্বীপের দুই দেশ, মাত্র কয়েক মাস আগেও যা ছিল অসম্ভব কল্পনা। গত শুক্রবার দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় সেই ঘটনার সাক্ষী হলো সারা বিশ্ব। দুই কোরিয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্তটি নতুন করে লিখল চীরবৈরী দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কের খতিয়ান। দুই রাষ্ট্রনেতা তথা দেশ দুটির যে আন্তরিকতা দেখা গেছে, তাতে সুসম্পর্ক স্থায়ী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সেটি এক দিকে যেমন পূর্ব এশিয়ার জন্য কল্যাণকর তেমনি সারা বিশ্বের জন্যই। তবে এ সম্পর্কের সুফল পেতে পাড়ি দিতে হবে আরো অনেক পথ। কারণ বিষয়টি শুধু দুই কোরিয়ার সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবন্ধ নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র আর চীনের মতো দুই পরাশক্তি। দুই কোরিয়ার লড়াই হলেও বিষয়টি আদতে চীন আর যুক্তরাষ্ট্রের ছায়াযুদ্ধ হিসেবেই চলেছে এত দিন।
উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে ভয়াবহ একটি যুদ্ধের আশঙ্কা কয়েক বছর ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বে। ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া ও কিম জং উনের দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা এই আশঙ্কাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। একের পর এক পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে বিশ্বকে অস্থির করে তুলেছিল উত্তর কোরিয়া। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া আর জাপান ছিল আক্রমণের শঙ্কায়, সেই সমীকরণ থেকেই তাদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উত্তর কোরিয়ার সাথে বিরোধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পরিস্থিতির এতটা অবনতি হয়েছিল যে, একপর্যায়ে মনে হয়েছে পারমাণবিক যুদ্ধ সময়ের ব্যাপারমাত্র। এমনকি হামলার দিনক্ষণ ঘোষণা করেও হুমকি দেয়া হয়েছে। ট্রাম্প আর কিম- দুই রাষ্ট্রনেতা পরস্পরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেও বক্তৃতা দিয়েছেন। তবে এসবের পাশাপাশি জোর প্রচেষ্টা ছিল কূটনৈতিকপর্যায়ে। গত শুক্রবারের ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে সেই প্রচেষ্টা বিফলে যায়নি।
কোরীয় পরিস্থিতি এত দ্রুত পাল্টে যাবে তা সম্ভবত কেউ কল্পনাও করেনি। কারণ উভয় পক্ষই ছিল অনমনীয়। যুক্তরাষ্ট্র চাইতো আলোচনার আগে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার ঘোষণা, অন্য দিকে পিয়ংইয়ং বলেছে, কোনো শর্ত দিয়ে তারা আলোচনায় বসবে না, আলোচনা হতে হবে নিঃশর্ত। অবশেষে মার্চের শুরুর দিকে শুরু হয় অভাবনীয় এক জল্পনা-কল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া সংলাপ শুধু নয়, সরাসরি আলোচনায় বসবেন দুই রাষ্ট্রনেতা। কিম জং উনের সে প্রস্তাবে সাড়া দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই থেকেই মূলত মোড় ঘুরতে থাকে উত্তর কোরীয় ইস্যুর। কূটনৈতিকপর্যায়ে কয়েকটি বৈঠক হয় এ বিষয়ে। এরই মধ্যে মার্চের শেষ সপ্তাহে এক আকস্মিক ও গোপন সফরে বেইজিং যান কিম জং উন। দুই দিনের সফর শেষে কিম বেইজিং ত্যাগ করার পর বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে চীন ও উত্তর কোরিয়া। সমালোচকেরা বলেন, ট্রাম্পের সাথে বৈঠকের আগে চীনের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা আনতেই কিমের এই সফর। আর চীনের দিক থেকে বিষয়টি ছিল বিশ্বকে জানান দেয়া যে, উত্তর কোরিয়ার ওপর তাদের কতটা প্রভাব।
বিশ্ব মিডিয়ায় এত দিন উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের যে পরিচয় পাওয়া গেছে তাতে তাকে একজন একগুঁয়ে ও জেদি স্বভাবের লোক বলেই ধরে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে স্পষ্ট হয়েছে তার ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক দৃঢ়তা আর বিচক্ষণতা। ত্রিশের কোটায় যার বয়স সেই রাষ্ট্রনেতার এত দিনের হুমকি-ধমকিকে অনেক বিশ্লেষকই অপরিপক্কতা আর অপরিণামদর্শী হিসেবে বর্ণনা করতেন। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইংয়ের সাথে তার সাক্ষাতের দৃশ্য যারা টিভির পর্দায় সরাসরি দেখেছে তাদের ভুল ভেঙেছে। ‘শত্রু’পক্ষের ভূখণ্ডে কিমের আত্মবিশ্বাসী পদার্পণ এই তরুণ একনায়কের রাজনৈতিক বিচক্ষণতারই প্রমাণ। দক্ষিণের ভূখণ্ডে পা রাখার সময় তিনি বুদ্ধিদীপ্ত আচরণ দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন দুই রাষ্ট্রের ও তাদের নেতাদের সমতার বিষয়টি। কিম সীমান্ত রেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ভূখণ্ডে এসে মুনের সাথে করমর্দন ও কুশল বিনিময় করার পর মুনকে অনুরোধ করেন উত্তরের ভূখণ্ডে একটু পা রাখতে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট তার অনুরোধ ফেলতে পারেননি। যদিও বিষয়টি তাদের সাক্ষাৎপর্বের নির্ধারিত কর্মসূচিতে ছিল না। তবু কোনো আনুষ্ঠানিকতার পরোয়া না করে মুন জায়ে ইং উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রাখেন। সেখানে দুজনে কয়েক সেকেন্ড অতিবাহিত করে আবার চলে আসেন দক্ষিণের মাটিতে। কিমের এই তাৎক্ষণিক আচরণকে অনেকেই বুদ্ধিদ্বীপ্ত কূটনীতি হিসেবে দেখছেন।
আবার মুনের সাথে বৈঠক নিজ দেশের মাটিতে করার ব্যাপারে কিম জিদ ধরবেন বলেই আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো দেনদরবার ছাড়াই তিনি সীমান্ত এলাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রাম পানমুনজমে এসে বৈঠক করতে রাজি হন। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসি বলছে, সম্ভবত দুটি কারণে কিম দক্ষিণ কোরিয়া এসে বৈঠক করতে রাজি হয়েছেন। প্রথমত, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট বয়সে তার চেয়ে অনেক বড়। দ্বিতীয়ত, ২০০০ সালে দুই কোরিয়ার একটি সমঝোতা বৈঠকে অংশ নিতে পিয়ং ইয়ং সফর করেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জুং। হয়তো সেই সৌজন্যতার খাতিরে কিম এবার দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে বৈঠক করতে রাজি হয়েছেন। এটিও তার রাজনৈতিক বিচক্ষণতার একটি প্রমাণ।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কি জং উন যে এত সহজে সমঝোতায় আসতে চাইবেন সেটি ভাবতে পারেননি অনেকেই। সবারই ভাবনা ছিল কিম হয়তো তার দাদা ও বাবার মতোই বিচ্ছিন্ন হলেও নিজেদের জিদের ওপর অটল থাকবেন; কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কিম সেই রাস্তা থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছেন। যদিও তার বাপ-দাদার যুগের তুলনায় উত্তর কোরিয়া এখন সামরিকভাবে অনেকগুণ শক্তিশালী। ইচ্ছে করেলে তিনিও হয়তো একইভাবে কয়েক যুগ কাটিয়ে দিতে পারতেন; কিন্তু কিম সে পথে হাঁটেননি। চাইছেন দেশের ওপর থেকে সব অবরোধ উঠিয়ে নিয়ে সারা বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে। দ্য ডিপ্লোম্যাটের সিনিয়র সম্পাদক ও ফেডারেশন অব আমেরিকান সাইন্টিস্টের ফেলো অঙ্কিত পান্ডা মনে করেন, দেশের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এমন অপূর্ব সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি কিম। তাইতো ট্রাম্পের সাথে সংলাপের আগেই পারমাণকি কর্মসূচি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এটিকে তরুণ কিমের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা হিসেবে দেখছেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
কিন্তু কী এমন জাদুর ছোঁয়া আমূল পাল্টে দিল কিম জং উনের মানসিকতা! অনেকে মনে করছেন তার আচরণের এই অভাবনীয় পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে তার বোন কিম ইয়ো জং। কিম রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইয়ো জং ধীরে ধীরে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। মিডিয়ার ভাষ্য, কিম অত্যন্ত স্নেহ করে ছোট বোনকে। বোনের কথা ফেলতে পারেন না তিনি। আর তার আচরণের সাম্প্রতিক এই উন্নতি নাকি ইয়ো জংয়ের কারণে। বলা হচ্ছে, ইয়ো জং দীর্ঘ দিনের অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে উৎসাহিত করেছেন কিমকে। দেশ ও দেশের মানুষের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ইয়ো জং এসব করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি যুদ্ধ বাধলে তাতে যে উত্তর কোরিয়ার টিকে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম সেটি সামরিক শিক্ষায় শিক্ষিত ইয়ো জং ভালোই যানেন। তাই দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বৈরিতা ঘোচানোর নেপথ্যের নায়িকা তিনিই।

 

কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জং ইলের তৃতীয় সংসারের দ্বিতীয় ছেলে কিম জং উন। অবশ্য তার মা-বাবার বিয়ে হয়েছিল কি না সেটি স্পষ্ট নয়। কিমের দাদা ছিলেন দেশটির প্রথম নেতা কিম ইল সুং। উত্তর কোরিয়ার শাসকপরিবারের বিষয় কখনোই বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি। তার জন্মসাল নিয়েও বিভিন্ন রকম তথ্য পাওয়া যায়(১৯৮২, ১৯৮৩ অথবা ১৯৮৪)।
যতটুকু জানা যায়, কিম সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে পড়াশোনা করেছেন। সুইজারল্যান্ডের উত্তর কোরীয় দূতাবাসের এক কর্মকর্তার ছেলে পরিচয় নিয়ে তিনি সেখানকার স্কুলে ভর্তি হন। স্কুলে তার সাথে পড়েছেন এমন বন্ধুরা জানিয়েছেন, কিম ছাত্র হিসেবে মেধাবী ছিলেন। স্বভাবে ছিলেন অত্যন্ত লাজুক আর চুপচাপ। পছন্দ করতেন রক মিউজিক আর বাস্কেটবল। তবে শাসক কিম বিশ্বমিডিয়ায় খ্যাতি পেয়েছেন একগুঁয়ে আর জেদি হিসেবে। পান থেকে চুন খসলেই যিনি সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও মৃত্যুদণ্ড দেন।
২০০৯ সালের শুরুতে তাকে ক্ষমতার উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন তার বাবা। সে বছরই তাকে পার্লামেন্ট ও সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়। ২০১১ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাবার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেন কিম। তখন তার বয়স মাত্র ৩০ বছর। এরপর থেকে এই যুবক কিমই দেশটির সর্বময় কর্তা। একই সাথে দেশটির একমাত্র রাজনৈতিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধানও তিনি।

মুন জায়ে ইন

২০১৭ সালে পার্ক গিউন হাই ইমপিচ হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মুন। ১৯৫৩ সালে সিউলে জন্ম নেয়া মুন অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। ১৯৫৩ সালের ২৪ জানুয়ারি গিওজি শহরে জন্ম নেয়া মুন পড়াশোনা করেছেন কিয়ুংঘি ইউনিভার্সিটিতে আইন বিষয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই জড়িত ছিলেন ছাত্ররাজনীতির সাথে
প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করে শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিক রোহ মুন হিউনের আইন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ শুরু করেন। মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবেও কাজ করেছেন অনেক দিন। রোহর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেন ক্যাম্পেইন ম্যানেজার হিসেবে। রোহ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে মুনকে নিয়োগ দেন চিফ প্রেসিডেন্সিয়াল সেক্রেটারি হিসেবে। এরপর রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। ওই বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে পার্ক গিউন হাইয়ের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরে যান। ২০১৭ সালের নির্বাচনে দক্ষিণ কোরিয়াবাসী আস্থা রাখে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এই নেতার ওপর। নির্বাচিত হন দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে।

কিম ইয়ো জং

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের আপন বোন কিম ইয়ো জং। তারা দু’জনই কিম জং ইলের দ্বিতীয় সংসারের সন্তান। কিমের সাথেই ইয়ো জং সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করেছেন। পরে দেশে ফিরে কিম ইল সুং মিলিটারি ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক পড়েছেন। পাশাপাশি কিম ইল সুং ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স পড়েছেন।
কিমের মতোই তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও প্রচণ্ড গোপনীয়তা অবলম্বন করে উত্তর কোরিয়া। ২০১০ সালে দেশটির ক্ষমতাসীন একমাত্র রাজনৈতিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলনে তাকে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দেখা যায়। ২০১১ সালে পিতা কিম জং ইলের শেষকৃত্যানুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে দেখা যায় তাকে। পরের বছরই জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিশনের অধীনে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২০১৪ সালে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ২০১৭ সালে পলিটব্যুরো সদস্য হন। চলতি বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিকে উত্তরের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ভাই কিমের শাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই মূলত রাজনীতিতে তার অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে। কিমের ওপর তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.