গাজায় হামলার তদন্ত আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র, অশান্তির পথে হাঁটছেন ট্রাম্প
গাজায় হামলার তদন্ত আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র, অশান্তির পথে হাঁটছেন ট্রাম্প

গাজায় হামলার তদন্ত আটকে দিলো যুক্তরাষ্ট্র, অশান্তির পথে হাঁটছেন ট্রাম্প

ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও বিবিসি বাংলা

গাজায় ইসরাইলের হামলায় ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের নিহতের ঘটনায় জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত একটি ‘স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্তের’ প্রস্তাব আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার নিরাপত্তা পরিষদের ওই বৈঠককে সামনে রেখে কুয়েত প্রস্তাবটি খসড়া তৈরি করে। প্রস্তাবিত ওই খসড়ার ব্যাপারে সর্বসম্মতিতে একমত হতে ব্যর্থ হয়েছে সব পক্ষ।

জেরুসালেমে মার্কিন দূতাবাস খোলার ঘটনায় কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ‘ক্ষোভ ও দুঃখ’ প্রকাশ করে ওই খসড়া তৈরি করে কুয়েত। ওই বিবৃতিতে দশক পুরনো নিরাপত্তা পরিষদের একটি রেজ্যুলেশন মেনে নিতেও সব দেশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছিল যে বিবদমান পবিত্র শহরে যেন কোনো কূটনীতিক মিশন স্থাপন না করা হয়।

নিরাপত্তা পরিষদের ওই খসড়ায় লেখা ছিল, ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা পরিষদ ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করছে। গাজায় হামলার ঘটনার একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত করা হোক। সব পক্ষকে ধৈর্যধারণে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তবে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ও জামাতা জারেড কুশনারসহ একটি প্রতিনিধি দল জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘দীর্ঘস্থায়ী শান্তির’ কথা বললেও ২০১৪ সালে গাজা যুদ্ধের পর ১৪ মে ছিল ওই অঞ্চলে সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুসালেমে এক অনুষ্ঠানে রেকর্ড করা এক বার্তায় বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের সর্বোচ্চ আশা। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তিনি অশান্তির পথে হাঁটছেন। ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুসালেমে স্থানান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি তিনি রক্ষা করেছেন ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার রেকর্ডকৃত বার্তায় শান্তিপ্রতিষ্ঠায় চুক্তির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছিলেন। জেরুসালেমের সমস্যা সমাধানে সবপক্ষের জন্য একটি শক্ত চুক্তির কথাও তিনি তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু হোয়াইট হাউস এখনো কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার আইনজীবী মনে করেন, ফিলিস্তিনিদের বাস্তবতা বুঝিয়ে সমাধানের উপায় বের করা যেতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, তাদের দূতাবাস স্থানান্তর করার ফলে জেরুসালেম ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন জেরুসালেমের সীমানা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.