ডেভিড ওয়ার্নার
ডেভিড ওয়ার্নার

নিষেধাজ্ঞার পরও মাঠে ফিরছেন ওয়ার্নার

নয়া দিগন্ত অনলাইন

সিডনির দল রান্ডউইক পিটারশামের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে খেলা শুরু করতে যাচ্ছেন বল টেম্পারিং ঘটনায় এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ টেম্পারিং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে ওয়ার্নারকে নিষিদ্ধ করা হয়। যে কারণে চলমান আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক হিসেবেও তার মাঠে নামা হয়নি। ৩১ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ও স্টেট ক্রিকেটের জন্য কার্যকরী হওয়ায় ক্লাব পর্যায়ে খেলার কোনো বাধা ছিল না।

এ সম্পর্কে ক্লাব সভাপতি মাইক হুইটনি বলেছেন, তাকে পেয়ে আমরা দারুণ খুশি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ার্নারকে পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

 

বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর এবার যা করলেন ওয়ার্নার

বল টেম্পারিং-এর দায়ে এক বছরের জন্য নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক নিষিদ্ধ রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। এমন নিষেধাজ্ঞা থেকে মূল্যবান শিক্ষা পেয়েছেন তিনি। কু-কর্মের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমা চেয়েছিলেন ওয়ার্নার। বেশ কিছু দিন সব কিছু থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার জনসম্মুখে এসে ওয়ার্নার বললেন, ‘এমন ঘটনায় মূলবান শিক্ষা আমি পেয়েছি। সেই সাথে মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।’

গেল মার্চে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং-এর সাথে জড়িত ছিলেন ওয়ার্নার। তরুন ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফটের দিয়ে বল টেম্পারিং করান ওয়ার্নার ও তৎকালীন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। এরপর নিজেদের কু-কীর্তির কথা সংবাদ সম্মলনে অকপটে স্বীকার করেন তারা। ফলে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) স্মিথ ও ওয়ার্নারকে এক বছরের জন্য এবং ব্যানক্রফটকে নয় মাসের নিষিদ্ধ করে।

সবধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হবার পর মাঠের বাইরেই রয়েছে স্মিথ-ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট। সবাই পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছেন। এইতো, এক মাস যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করে গত পরশু দেশের ফিরেছেন স্মিথ। এসেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বল-টেম্পারিং ও নিজের বর্তমান অবস্থার কথা জানান স্মিথ।

অধিনায়কের পথ অনুসরণ করে এবার জনসম্মুখে আসলেন ওয়ার্নার। নিজ দেশে পরিবারের সাথে সময় কাটানো ওয়ার্নার এনটি নিউজকে বলেন, ‘মাঝে মধ্যে আমাদের সমাজে এমন কিছু ঘটে যা মানুষের জন্য খারাপ কিছু হয়ে দেখা দেয় এবং সমর্থনের প্রয়োজন হয়। আমার মনে হয়, আমি নিজে এই সমর্থন থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছি। কখনো কখনো আপনাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়, ভাবতে হয় এবং বিস্মিত হতে হয়। এ কারণে, মানুষ আপনাকে নিয়ে কতটা চিন্তা করে।’

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকায় পরিবার নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন ওয়ার্নার। স্ত্রী ক্যান্ডিস ও মেয়ে আইভি-ইন্ডিকে নিয়ে দারুন সময় পার করছেন তিনি। এমনটাই জানালেন তিনি, ‘আমার মনে হয়, আমাদের বড় একটা ব্যাপার হলো রুটিনের মধ্যে থাকতে হয়। যেমন- ক্রিকেট, হোটেল, ব্যাগ গুছানো এবং বাড়িতে আসা। আমি ঐ রুটিন মিস করছি। তবে এখন পরিবারের সাথে সময় কাটানোটা দারুণ উপভোগ করছি।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.