‘মোহাম্মদ-দ্য মেসেঞ্জার অব গড’
‘মোহাম্মদ-দ্য মেসেঞ্জার অব গড’

‘মোহাম্মদ-দ্য মেসেঞ্জার অব গড’

মো: বজলুর রশীদ

আল্লাহর রাসূল সা:-এর শৈশবকালের কাহিনী নিয়ে ইরানি মহাকাব্যিক ধারায় অনন্য চলচ্চিত্র মোহাম্মদ দ্য মেসেঞ্জার অব গড তৈরি করা হয়েছে। ২০১৫ সালে ছবিটি মুক্তি পেলেও জনসাধারণের দেখার সুযোগ ছিল না। এখন পুরো মুভি বিভিন্ন এইচডি ফরম্যাটে এবং ব্লু রে-তে পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান বিশ্বের সেরা কয়েকজন পরিচালকের মধ্যে ইরানের মাজিদ মাজিদি অন্যতম। তিনি সাত বছর সময় নিয়ে এই মুভি তৈরি করেছেন। যেহেতু আল্লাহর রাসূল সা:-এর শিশু অবস্থার কাহিনীতে একজনকে অভিনয় করানো হয়েছে, সেটিকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন দেশে আলেম-ওলামা এর পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ইরানি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এ যাবত যত চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে এটি ব্যয়বহুল ও ‘বিগ বাজেট’ মুভি। ষষ্ট শতাব্দীর আল্লাহর রাসূল সা:-এর ঘটনা, পারিপার্শ্বিকতা, সমাজজীবন ও মরু অঞ্চলের রীতিনীতি সঠিকভাবে উপস্থাপনের জন্য মাজিদি বিশেষজ্ঞ, ইতিহাসবিদ ও প্রতœতাত্ত্বিকের একটি দল সবসময় কাছে রাখতেন। মিউনিখে ছবির পোস্ট- প্রডাকশনের কাজ করা হয়। ভারতের বিশ্বখ্যাত সুরকার এ আর রহমান মিউজিক ও কম্পোজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। 

ছবিটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে মাজিদি চিত্র সমালোচক, ধর্মীয় নেতা, চিত্র নির্মাতা ও মিডিয়াকর্মীদের ছবিটি দেখান মুক্তি পাওয়ার আগে। এরপর ইরান ও মন্ট্রিল ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভালে ২৭ আগস্ট ২০১৫ সালে একসাথে ছবিটি মুক্তি পায়। একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা বিদেশী ছবির তালিকায় এই মুভি স্থান পেয়েছে।
ছবির শুরুতে, ৩৮ সেকেন্ডের মাথায় মাজিদ মাজিদি লিখেছেন, `This film was made in accordance with the events of real history and according to my personal understanding about the figure of the Noble Prophet the Prophet Muhammad' মুভিটি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ দিয়ে শুরু করা হয়েছে। একটি বিষয় লক্ষণীয়, মাজিদি নবীজীর শৈশবের ঘটনা সম্পর্কে নিজস্ব অভিজ্ঞানের কথা বলেছেন। তিনি যেভাবে চিত্রনাট্য সম্পাদনা করেছেন, তাতে কোনো দৃশ্য ও ঘটনা ইতিহাসের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করেনি।
কাবাকেন্দ্রিক সমাজ, ইসলামপূর্ব কাবার তওয়াফ- এসব দিয়েই ছবির শুরু। আবু সুফিয়ানের কঠোর নেতৃত্ব, আবু তালিবকে চ্যালেঞ্জ জানানো এসব পরিস্ফুটনের মাধ্যমে গোষ্ঠীগত বিরোধ ও পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। হামজার বীরত্ব ও বিরোধিতা এবং সংযত না হলে আবু সুফিয়ানকে তলোয়ার চালানোর হুমকি মুভির প্রথম দৃশ্যপটকে আকষর্ণীয় করেছে। আবু সুফিয়ান আবু তালিবকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমি যদি চাইতাম, তবে মোহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের অনেক আগেই মক্কা থেকে বের করে দিতে পারতাম। কেননা ওরা আমাদের খোদাকে মানে না। তারা এমন এক নতুন খোদার কথা বলছে, যাকে দেখা যায় না। বনি হাশিমকে আমরা কোনো নিরাপত্তা দেবো না’। মক্কার একটু দূরে আবু তালিব ও তার পরিবারের লোকজনের বসবাস দেখানো হয়েছে। পানির সমস্যাসহ মরুর কঠিন জীবনযাপন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বলা হয়েছে। আবু তালিব শুরু থেকেই শিশু মোহাম্মদের দেখাশোনা করতেন, তাকে বিশ্বাস করতেন, ভালোবাসতেন- এগুলো চিত্রায়িত করা হয়েছে, যা ইতিহাসের কথা।

মুভির ১৫ মিনিটের মাথায় সূরা ফিলের বাক্যগুলো শুনানো হয় এবং আবরাহার হস্তিবাহিনীর কাবা আক্রমণের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। এই অভিযানে প্রধান হাতির বিবরণ যেভাবে তাফসিরে ইবনে কাসিরে বর্ণিত আছে, তেমনিভাবে হাতির আচরণ দেখানো হয়েছে। হস্তিবাহিনী কাবার দিকে অগ্রসর হওয়া থেকে নিবৃত্ত হয়। হাজার হাজার আবাবিল পাখি কাবা প্রদক্ষিণ করার পর হস্তিবাহিনীর দিকে ছুটে যায় এবং পাথর বর্ষণ শুরু করে। পাখির আক্রমণের দৃশ্য অভূতপূর্ব, অসাধারণ! আবাবিলের আক্রমণের সময় হস্তি, ঘোড়া, উট যুদ্ধের ময়দান ছেড়ে পালাতে শুরু করে এবং আবরাহা বাহিনী পাখির আক্রমণে ধ্বংস হয়ে যায়। পবিত্র কুরআনের ভাষায় ‘অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন’ (১০৫-০৬)। আবরাহার হামলার ঘটনার এক মাস পর হজরত মোহাম্মদ সা: জন্মগ্রহণ করেন। জন্মগ্রহণের সময়কাল, প্রকৃতি ও পরিবেশ খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছোট্ট শিশু মোহাম্মদকে দেখানো হয়, তবে কোনো চেহারা দেখানো হয়নি। ছবিটি ইসলামপূর্ব আরব এবং আল্লাহর রাসূল সা:-এর ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত জীবনকালের ঘটনায় পরিপূর্ণ। সিরিয়ায় যাত্রা ও যাজক বহিরার সাথে সাক্ষাৎপর্বের মাধ্যমে ছবি শেষ করা হয়েছে।

পরিচালক মাজিদ মাজিদি তার ওয়েবসাইটে লিখেছেন, বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদকে নিয়ে কার্টুন প্রকাশ করার পর তাঁর জীবনী নিয়ে ছবি নির্মাণের কথা আমার মনে আসে। ইসলামের নবী সা:-এর ব্যাপারে অসম্মানজনক কার্টুনের প্রতিবাদ এবং সর্বশ্রেষ্ট মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়াস আমাকে এই কাজে উদ্বুদ্ধ করেছে।’ মাজিদি আরো জানান, ‘আমাদের নবীর শৈশবের ঘটনা অনেকেই জানেন না। ইসলামপূর্ব সমাজে আবু সুফিয়ানসহ বিভিন্ন বংশের নেতারা সাধারণের ওপর কেমন জুলুম-নির্যাতন করত এবং মূর্তিপূজা, ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতি কেমন ছিল- এসব বিষয়ও অনেকেই জানেন না। মুসলমানদের এই বিষয়ে জানিয়ে দেয়াও এ মুভির একটি উদ্দেশ্য।’ মাজিদি উল্লেখ করেন, প্রথম দিকে মুভির নামকরণ করা হয়েছিল ‘মোহাম্মদস চাইল্ডহুড’। সম্পূর্ণ রুক্ষ্ম ও বিরূপ পরিবেশে একজন শিশু মহামানবের বেড়ে ওঠা এবং কাউকে আহত না করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার অসাধারণ মানবিক গুণাবলির ঐতিহাসিক রূপ আন্তরিকভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন ছবির পরিচালক।

ছবিতে সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করার জন্য রোম থেকে ৩০ জন ক্রুসহ স্টোরেটো ইরানে আসেন। স্কট-ই এন্ডারসন ভিজুয়্যাল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রোশিয়ার প্রডাকশন ম্যানেজার মিলেন ছবির আর্ট ডাইরেক্টরের কাজ করেন। এরা সবাই যার যার ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত। জার্মানি, ক্রোশিয়া ও স্লোভেনিয়া থেকে পোশাকের কারিগর আনা হয়। কাহিনী লেখার সময় মাজিদি ইরান, আলজেরিয়া, মরক্কো, তুরস্ক, লেবানন ও ইরাকের শিয়া ও সুন্নি স্কলারদের সাথে আলাপ করেছেন, মতামত নিয়েছেন।

ইরানের কোম শহরে ১০০ হেক্টর জমিতে ১৪০০ বছর আগে কাবাগৃহ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার অনুরূপ রেপ্লিকা ও সেট নির্মাণ করা হয়। এ ধরনের ছবি নির্মাণ করার জন্য তিনি সরকারকে জানান। তখনকার ইরান সরকারের কালচার ও ইসলামিক গাইডেন্স মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ হোসেইনি এই ছবি নির্মাণ করা হচ্ছে মর্মে ঘোষণা দেন। ছবি নির্মাণে ইরান সরকারও কিছু অনুদান দিয়েছে।
ছবির চিত্রধারণ গোপনেই করা হয়। কোনো নিউজ কভারেজ কিংবা সাংবাদিকদের কোম সেটে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এমনকি মাজিদি সব কিছু সহকারীদের বুঝিয়ে দিতেন যাতে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাথে সরাসরি কোনো কথা বলতে না হয়। তিনি সেটে বসে দেখতেন এবং সহকারীদের নির্দেশনা দিতেন। ছবির ৪০ শতাংশ কোমে নির্মিত হয়েছে এবং হস্তিবাহিনীর শুটিং হয়েছে আফ্রিকার বেলাবেলায়। বিশাল লোকবলকে নিয়ন্ত্রণও একটি বড় ব্যাপার। একেক সময় তিন হাজারের মতো এক্সট্রা এ ছবির সেটে কাজ করতেন!

একটা বিষয় উঠে আসে, কেন শিশু মোহাম্মদ সা:কে দেখানো হলো অথবা বালক মোহাম্মদ সা: ও তাঁর কথা, ‘ভয়েস’ কেন দেয়া হলো? তবে বালক মোহাম্মদ সা:-এর কোনো চেহারা পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়নি। ছবিতে পাশ ও পেছন থেকে কৌণিক কিছু ছবি দিয়ে তাঁর অস্তিত্ব বোঝানো হয়েছে। এটি নিয়েই মুসলিম বিশ্বের অনেক স্থানে সমালোচনা হয়েছে। একটি বিষয় মনে রাখা উচিত, ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে ইরানে এবং নির্মাতা ও অভিনেতা ইরানি। সে দেশের রাস্তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে, হোসেন রা:, আলী রা:, ফাতেমা রা: প্রমুখের ছবি টানিয়ে রাখা হয় এঁকে। কোনো কোনো শিয়া মসজিদের দেয়ালেও এমন ছবি আঁকা থাকে। যারা ইরান সফর করেছেন, তারা এই বিষয়টি নিশ্চয়ই অবলোকন করেছেন। ইরান থেকেই বিভিন্ন নবী-রাসূলের ওপর মুভি তৈরি করা হয়েছে। ইউসুফ আ:-এর ওপর তাদের নির্মিত মুভির সিরিজ বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে।

ই মুভির কাহিনীর সাথে কুরআনে বর্ণিত ঘটনার মিল রয়েছে। তা ছাড়া, কারবালার ওপর নির্মিত ছবিতেও ইমাম হোসেন এবং তার পরিবারবর্গকে দেখানো হয়েছে। আরবদের অর্থায়নে নির্মিত ওমর রা: সম্পর্কিত সিরিজ মুভিতেও খোলাফায়ে রাশেদার সবার চরিত্রে অভিনয় করে দেখানো হয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে সমালোচনার সঠিক ভিত্তি থাকা আবশ্যক। কেউ কেউ বলছেন, যখন মাইকের প্রচলন হয়েছে তখন মসজিদে মাইকের ব্যবহারের বিরুদ্ধে ফতোয়া দেয়া হয়েছিল। একসময় ছবি তোলার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা ছিল। অথচ এখন এসব বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেন না, বরং প্রখ্যাত আলেমরাই টেলিভিশনে ইসলামি অনুষ্ঠান করছেন এবং ইন্টারনেটের মহাসাগরে সেগুলো আপলোড করছেন, পত্রপত্রিকায় ছাপাচ্ছেন। প্রিন্টিং প্রেস চালু হলেও বহু বছর সৌদি আরবে তা নিষিদ্ধ ছিল। কফিকেও বহু বছর ‘জাহেলি খাবার’ হিসেবে গণ্য করে আরববিশ্ব গ্রহণ করেনি। ইসলামোফোবিয়া, কুরআন, কার্টুন, হিজাব নিয়ে যখন সবখানে ইসলামবিরোধীরা সমস্যা সৃষ্টি করছে, সেখানে ইসলামকে মিডিয়ার মাধ্যমে উপস্থাপন করা যে জরুরি, সেটি অনেকেই বলছেন না।

মাজিদি বলেছেন, ফ্লাশব্যাকের মাধ্যমে ১২ বছরের বালক মোহাম্মদের উপস্থিতি বোঝানো হয়েছে। তাঁর উপস্থিতি পারিপার্শ্বিক অবস্থা, ঘটনা ও মানুষজনকে কিভাবে আলোড়িত করেছে এবং কিভাবে রুক্ষ্ম প্রকৃতির চিত্র বদলে সবুজ ফলে ফুলে ভরে গেছে তা বোঝানো, জীবন্ত ও আকষর্ণীয় করার জন্য মুভিতে ‘পার্সোনিফিকেশন’ জরুরি হয়ে পড়ে। এতে দর্শকরা আরো আকৃষ্ট হয়, ঘটনাপ্রবাহে ডুবে যায়, বিষয়বস্তু হৃদয়ঙ্গম করতে পারে। তিনি আরো বলেন, ‘শিয়া-সুন্নি দৃষ্টিকোণ থেকে কারো বলার মতো কিছু মুভিতে নেই’।

তবুও ছবি মুক্তি পাওয়ার পর আরববিশ্ব সমালোচনামুখর হয়ে উঠে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ইরানকে এই ছবি নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানায়। তাদের মতে, ছবিতে আল্লাহর রাসূল সা:কে ‘হেয় করা হয়েছে’। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ এই মুভির নিন্দা করেছেন। তার মতে, নবী সা:কে কম গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগও নিন্দা করেছে। ভারতের রেজা একাডেমি মাজিদি এবং এ আর রহমানের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছে এবং এমন মুভি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের উভয়কে ‘আবার কলেমা পড়ে মুসলমান হওয়া’র আহ্বান জানিয়েছে। বিজেপি নেতারা এ আর রহমানকে বলেছেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসো। আমরা ফুলের মালা দিয়ে তোমাকে বরণ করব।’ তিনি দেড় বছর ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ডের কাজ করেছেন এ ছবির জন্য। বলতে গেলে ছবির পুরোটিতেই মিউজিক ব্যবহার করা হয়েছে, যা সচরাচর দেখা যায় না। মিউজিকের আবহ কখনো ডায়লগকে অতিক্রম করেনি। মিউজিকের মান খুবই উন্নত এবং পশ্চিমা আধুনিক ধারার মিউজিককে ইরানি ও আরবি ট্রাডিশনাল মিউজিকের সাথে ফিউশন করা হয়েছে, যা শুনেই তৃপ্তি পাওয়া যাবে। ২০১৩ সালে ছবির শুটিং শেষ হয়েছিল। শব্দ সংযোজনের কারিগরি দিক ফ্রান্সে শেষ করা হয়।

গার্ডিয়ান পত্রিকা লিখেছে, ‘মাজিদির কাজ নিখুঁত এবং প্রশংসার যোগ্য। তিনি অত্যধিক সততা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়েছেন এবং মুভিটি কাব্যিক মাপকাঠিতেও উতরে গেছে।’ সিনে ম্যাগাজিনের বড় বড় সমালোচক যেমন- আলিসা সাইমন, শেরি লিন্ডেন প্রমুখ এই ছবির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। মুসলিম ভাইভ ম্যাগাজিনের রেজা আব্বাস ফারিশতা ছবির রেটিং ৯৩ শতাংশ দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এই বিশাল কাজের জন্য যারা সাত বছর পরিশ্রম করেছেন, তাদের সঠিক মূল্যায়ন করা দরকার। মাজিদি এই মাস্টারপিস উপহার দিয়ে আমাদের ঋণী করেছেন।’
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ সরকার

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.