ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের জরাজীর্ণকার্যালয়  : নয়া দিগন্ত
ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের জরাজীর্ণকার্যালয় : নয়া দিগন্ত

ধর্মপাশায় ইউপি কমপ্লেক্সগুলো ৩ বছরেই জরাজীর্ণ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে কোটি টাকা ব্যয়ে ইউপি কমপ্লেক্সগুলো নির্মাণের তিন বছর যেতে না যেতেই দরজা, জানালা, গ্রিল, চেয়ার, টেবিল, বাথরুমের চিহ্ন নেই। ভবনের বিভিন্নস্থানে ফাটল ধরে প্লাস্টার খসে পড়ছে। ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ হয়। নির্মাণের তিন বছর যেতে না যেতেই কমপ্লেক্সের দরজা, জানালা, গ্রিল ভেঙে পড়ছে। নি¤œমানের সিমেন্ট, টেম্পারবিহীন বালু, ময়লা আবর্জনাযুক্ত পাথর ব্যবহার করায় ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সটির চারপাশে ফাটল ধরেছে।
উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবনটি নির্মাণের শুরুতেই দরজা, জানালা ভেঙে গেছে। নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করায় জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের কয়েকটি কক্ষ ব্যবহারের অনুপযোগী।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সটি নির্মাণের শুরু থেকেই নানা সমস্যায় জর্জরিত।
সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সটি নির্মাণ হয়েছে সাত বছর আগে। কিন্তু ওই কমপ্লেক্সে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা অফিস করতে পারছেন না। ভবনটি নির্মাণের শুরুতেই দরজা, জানালা, গ্রিল ভেঙে পড়েছে। ভবনের প্লাস্টার খসে পড়ছে। ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে। বর্তমানে ওই ভবন গরু-ছাগল পালনের ঘর ও মাদক সেবনের আসরে পরিণত হয়েছে।
এ ব্যাপারে সেলবরষ ইউপি চেয়ারম্যান নূর হোসেন বলেন, ঠিকাদার নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সাড়াভাবে কাজ করেছে। এতে ভবনের বেশির ভাগ স্থানে ফাটল ধরেছে।
সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ বলেন, কমপ্লেক্স থাকলেও ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে গোলকপুর বাজারের একটি ভাড়া করা ঘরে।
সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আমানুর রাজা চৌধুরী বলেন, ঠিকাদার তার মনগড়া কাজ করেছেন। আমার ছাড়পত্র ছাড়াই পুরো বিল উত্তোলন করে নিয়ে গেছেন।
জয়শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে। বেশির ভাগ দরজা, জানালা ভাঙা। প্লাস্টার খসে পড়ছে।
ধর্মপাশা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সটিতে ফাটল ধরে প্লাস্টার খসে পড়ছে। ভবনের দরজা-জানালার চিহ্ন নেই। ফ্লোর দেবে যাচ্ছে।
পাইকুরাটি ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদুসৌর রহমান তিনি বলেন, আমার কমপ্লেক্সটির ফ্লোরের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ভবনগুলোতো আমি করিনি। এখানে আমার বলার কিছুই নেই। আমার যদি বলতে হয় তাহলে ভিজিট করে বলতে হবে। এর আগে কিছুই বলা যাবে না।

 

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.