রাশিয়ায় পুতিন-বাশার বৈঠক
রাশিয়ায় পুতিন-বাশার বৈঠক

রাশিয়ায় পুতিন-বাশার বৈঠক

রয়টার্স

সিরীয় যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাশার আল-আসাদ। কৃষ্ণসাগরের কাছে সোচিতে পুতিনের গ্রীষ্মকালীন বাসভবনে বৃহস্পতিবার এ বৈঠক হয়। সাত বছর আগে ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিদেশ সফরের ঘটনা বিরল হলেও এই সময়ের মধ্যে অন্তত তিনবার পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে রাশিয়া সফর করেছেন তিনি।

সিরীয় যুদ্ধে বাশারের পক্ষে ২০১৫ সালে প্রকাশ্যে মাঠে নামে মস্কো। এরপর থেকেই যুদ্ধের মোড় ঘুরে যায়। রাশিয়ার অব্যাহত বিমান হামলা এবং ইরান ও লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহর সমর্থন নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিরিয়ার অধিকাংশ এলাকাকে দখলমুক্ত করেছে সরকারি বাহিনী। দামেস্কে রুশ সামরিক উপস্থিতি কেবল সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশারের ভাগ্যই প্রসন্ন করেনি, মধ্যপ্রাচ্যে মস্কোর প্রভাবকেও শক্তিশালী করেছে বলে ধারণা করছেন পর্যবেক্ষকেরা। কৃষ্ণসাগরের কাছে সোচির অবকাশযাপনকেন্দ্রে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বাশার মার্চের নির্বাচনে ফের জয়ী হয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হওয়ায় পুতিনকে অভিনন্দন জানান বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ক্রেমলিন। সিরিয়ায় রুশ বাহিনীর সহযোগিতার জন্যও ধন্যবাদ দেন বাশার।

ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, বৈঠকের শুরুতেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ করে বাশার বলেছেন, ‘স্থিতিশীলতার ক্রমেই উন্নতি ঘটছে, এর ফলে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার দরজাও খুলে গেছে, যা কিছুকাল আগে থেকেও শুরু হয়েছে। আমি সব সময় বলেছি, ফের বলছি, আমরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে সবসময় মনপ্রাণ দিয়ে সমর্থন করে আসছি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সঙ্গে সমান্তরালে যা চলা উচিত।

গাজা হত্যাকাণ্ড তদন্তের দাবিকে সমর্থন জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার প্রধানের
আলজাজিরা
জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার সংস্থার প্রধান জায়েদ রাদ আল-হুসাইন গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর বহু ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীকে হত্যার ঘটনাকে ‘সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ বলে নিন্দা করে এই ঘটনা তদন্তের আন্তর্জাতিক দাবির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সুইজারল্যান্ডে জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের বিশেষ অধিবেশনে তিনি হুঁশিয়ার করে দেন যে, একটি দখলদার শক্তি কর্তৃক বেআইন শক্তি প্রয়োগ স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ড বলে বিবেচিত হবে যা চতুর্থ জেনেভা সনদের মারাত্মক লঙ্ঘন। এ অধিবেশনে গাজার হত্যাকাণ্ড তদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হতে পারে। ছয় সপ্তাহে সেখানে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

জায়েদ বলেন, ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে গাজায় ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। সেখানে ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত খাঁচারমতো বিষাক্ত বস্তিতে বন্দী হয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহের ভয়ঙ্কর ঘটনা থেকে কেউই নিরাপদ নয়। দখলদারিত্বের অবসান ঘটলে সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা অনেকাংশে দূর হবে।

মানবাধিকার প্রধান বলেন, গত সোমবারের বিক্ষোভের ঘটনায় অন্তত ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত ও কয়েক হাজার আহত হয়েছেন। অপর দিকে একজন ইসরাইলি সেনা সামান্য আহত হয়েছে পাথর নিক্ষেপে। তিনি বলেন, দুই পক্ষের হতাহতের এই সংখ্যা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছে, সম্পূর্ণ অসাঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.