'মুসলমানরা সোচ্চার না হলে মক্কা ও মদিনাও দখলে নেবে ইহুুদিবাদীরা'
'মুসলমানরা সোচ্চার না হলে মক্কা ও মদিনাও দখলে নেবে ইহুুদিবাদীরা'

'মুসলমানরা সোচ্চার না হলে মক্কা ও মদিনাও দখলে নেবে ইহুুদিবাদীরা'

নয়া দিগন্ত অনলাইন

মুসলিম দেশগুলো থেকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামির আমির সিরাজুল হক। লাহোরে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞের বিষয়ে শুধু নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করলেই হবে না বরং ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিষয়ে কার্যকরি রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। তিনি ফিলিস্তিনিদের দৃঢ় অবস্থানের প্রতি জোরালো সমর্থন দিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহিদ খাকান আব্বাসির প্রতি আহ্বান জানান।

পাকিস্তান জামায়াতের আমির বলেন, জাতিসঙ্ঘ এখন আমেরিকার গোলামে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটি ইহুদিবাদীদের স্বার্থ নিশ্চিত করাকেই কেবল নিজের দায়িত্ব বলে মনে করছে।

সিরাজুল হক বলেন, ইসরাইল যাতে পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাসকে পুরোপুরি দখলে নিতে পারে সে লক্ষ্যেই আমেরিকা সেখানে দূতাবাস স্থানান্তর করেছে। মুসলমানরা এ বিষয়ে কঠোর না হলে মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র স্থানগুলোও ইহুদিবাদীরা দখল করবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

কাবার আকাশে উড়ছে ড্রোন, ভেতরে ২ হাজার ৫০০ ক্যামেরা

রমজানে মুসল্লিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে পবিত্র কাবা গৃহের আকাশে প্রথমবারের মতো ড্রোন উড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ওমরাহ ফোর্সের ডেপুটি কমান্ডার মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আল আহমাদি জানিয়েছেন, রমজানে কাবা গৃহের ভিড় নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিকভাবে ড্রোন উড়তে থাকবে।

এছাড়া ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্যান্য ব্যবস্থাও থাকবে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

জেনারেল মুহাম্মদ আল আহমাদি আরো বলেন, ওমরাহ পালনকারী কিংবা দর্শণার্থীদের কারো মধ্যে সঙ্কটের চিহ্ন দেখা গেলে তাদের নিজেদের নিরাপত্তা এবং অন্যদের কথা বিবেচনা করে সেই ব্যক্তিদের কাবা শরীফে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

কাবা শরীফের ভেতরে ভিড় নিয়ন্ত্রণে ড্রোন, নিরাপত্তা বাহিনীর বিমান ছাড়াও ২ হাজার পাঁচশ ক্যামেরায় সবকিছু দেখা হবে। হারাম শরীফের ভেতরেই পুলিশের ২ হাজার চারশ সদস্য এবং আরো ১ হাজার তিনশ নিরাপত্তা পেট্রল থাকবে।

এছাড়া ওমরাহ পালনকারী এবং দর্শণার্থীদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাবা শরীফে প্রবেশ করিয়ে আবার বের হতে সহায়তা করবে অাইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

কাবা শরীফের নিরাপত্তায় ৩০ হাজার সেনা মোতায়েন

রমজান মাস উপলক্ষে পবিত্র কাবা শরীফের নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৩০ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত থাকবে। উমরাহ সিকিউরিটি ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল খালিদ কারার আল হারবি এ তথ্য জানিয়েছে।

খালিদ কারার আল হারবি বলেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কোনোভাবেই যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা না ঘটে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেদিকে কড়া নজরদারি চালিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভালের পাশাপাশি ট্রাফিক, রাস্তায় চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং মক্কা মসজিদের বাইরে মুসল্লিদের নিয়ন্ত্রণের কাজ করবেন। আমার প্রত্যাশা, নিরাপত্তা বাহিনী যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের ফলে এবারের পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো থাকবে। তবে নেতিবাচক কোনো কিছুর আশঙ্কা তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে ভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.