ফাইনালে হারের পর হতাশ ব্রাজিল
ফাইনালে হারের পর হতাশ ব্রাজিল

৯৮' বিশ্বকাপ ফাইনাল : বোমা ফাটালেন ফরাসি ফুটবলার

নয়া দিগন্ত অনলাইন

বোমা ফাটালেন ফরাসি ফুটবলের কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিল-ফ্রান্স দ্বৈরথ পাতানো ছিল বলেই দাবি করেছেন বর্তমানে বৈশ্বিক ফুটবলে অঙ্গনে নিষিদ্ধ সাবেক সেনসেশন। ফ্রান্সের ইতিহাসের ওই দ্বিতীয় বিশ্বকাপ আয়োজনে নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন প্লাতিনি। যৌথ কমিটির অন্যতম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তিনবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ফরাসি সুপারস্টার জানান, গ্রুপ পর্বের ড্রতেই আমরা কারসাজি করেছি। ফাইনালের আগে যেন কোনোভাবেই ফ্রান্সকে মুখোমুখি হতে না হয় ব্রাজিলের তা চূড়ান্ত করেছি। মূলত সবার প্রত্যাশার বাস্তবায়ন করতে আমরা নিশ্চিত করেছি টুর্নামেন্টের ড্রিম ফাইনাল।

প্যারিসের পার্ক ডি ফ্যান্সে অনুষ্ঠিত আটানব্বইয়ের স্বপ্নের ফাইনালের অন্যতম আরেকটি আলোচিত ইস্যু হিসেবে শিরোনাম দখলে নেয় দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার রোনালদোর পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা। ফিটনেস ঘাটতি নিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে অংশ নিলেও মাঠে কার্যত নিষ্ক্রিয় ছিলেন কিংবদন্তি ওই স্ট্রাইকার। জিদানে উজ্জীবিত ফ্রান্স প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব রচনা করে ফাইনালে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে।

সম্প্রতি ফ্রান্স ব্লুকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্লাতিনি বলেন, ‘গ্রুপ পর্বের ড্র ও শিডিউল চূড়ান্ত করার সময় আমরা কিছুটা চালাকির আশ্রয় নেয়। এ ক্ষেত্রে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চ্যালেঞ্জ ছিল ফরাসিদের। আর লাতিন জায়ান্ট ব্রাজিলের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ‘এ’ গ্রুপের সেরা হিসেবে নকআউটে ওঠার। তাহলে ফাইনালে আগে দল দুটির মুখোমুখি হওয়ার কোনো ঝুঁকিও থাকবে না। দীর্ঘ ছয় বছর ধরে আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়েছি। কিছুটা অ্যাডভ্যান্টেজ তো আমাদের প্রাপ্যই ছিল! আর ফ্রান্স প্রথম দেশ হিসেবে এটি করেনি। বরং আয়োজকদের প্রত্যেকেই বাড়তি অ্যাডভ্যান্টেজ আদায় করেছে প্রতিটি বিশ্বকাপে। ব্রাজিল-ফ্রান্স সবার কাছেই রূপ নিয়েছিল স্বপ্নের ফাইনাল। আমরা ভক্তদের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করেছি।’

১৯৯৮ সালের ফরাসি বিশ্বকাপের সফল আয়োজনে শিগগিরই ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার পদে অধিষ্ঠিত হন প্লাতিনি। দখলে নেন মহাদেশীয় ফুটবল উয়েফার প্রধানের পদও। একই সময়ে ফিফাতে প্রতিষ্ঠিত করেন দাপট। তবে ২০১৫ সালে দুর্নীতির দায়ে ফুটবল থেকে বিতাড়িত হয়েছেন ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার। ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন ফিফার তহবিল থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের দায়ে। সম্প্রতি আপিলের রায়ে তার নিষেধাজ্ঞার শাস্তির মেয়াদ দুই বছর কমে দাঁড়িয়েছে চার বছরে।

 

বিশ্বকাপের সেরা ৫০ ফুটবলার, শীর্ষে কে মেসি, রোনালদো নাকি সালাহ?

রাশিয়া বিশ্বকাপে শীর্ষ ৫০ খেলোয়াড়ের তালিকা প্রণয়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পত্রিকা ইউএসএ টুডে। যে তালিকায় প্রথম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ সুপার স্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তালিকাভুক্ত এসব খেলোয়াড় আসন্ন বিশ্বকাপে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন বলেই মনে করে পত্রিকাটি।

১. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ( পর্তুগাল) : পর্তুগালকে ইউরো ২০১৬ আসরের খেতাব এনে দেয়া এই ফুটবল তারকা আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেন। তার মধ্যে গোল করার যে আগ্রাসী প্রবণতা রয়েছে তাতে জ্বলে পুড়ে ছাই হতে পারে যেকোনো প্রতিপক্ষ।

২. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) : যেকোনো দলের রক্ষণভাগের জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন লিওনেল মেসি। তবে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে এখনো বড় কোনো শিরোপা অর্জন করতে পারেননি বার্সেলোনার এই ফুটবল তারকা।

৩. মোহাম্মদ সালাহ (মিসর) : মিসরীয় এই ফুটবল সেনসেশন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কাঁপাচ্ছেন লিভারপুলের হয়ে। জীবনী শক্তিতে ভরপুর এই ফুটবল তারকা এরই মধ্যে জিতে নিয়েছেন ইংলিশ ফুটবলের বেশ ক’টি ব্যক্তিগত পুরস্কার।

৪. কেভিন ডি ব্রুইয়ান (বেলজিয়াম) : একটি দলের জন্য তিনি হচ্ছেন সেরা সংগঠক ও সৃষ্টিশীল খেলোয়াড়। তার মতো বিচক্ষণ খেলোয়াড় এই বিশ্বে বিরল। এ খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়েছেন গত ফেব্রুয়ারিতে। পায়ের গোঁড়ালিতে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপাচার শেষে তিনি এখন মাঠে ফের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

৬. লুকা মড্রিচ (ক্রোয়েশিয়া) : সম্প্রতি তিনি মেজর সকার লিগে (এমএলএস) যোগ দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আসন্ন বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো খেলোয়াড়দের মধ্যে যে তিনি এগিয়ে থাকবেন সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

৭. টনি ক্রুস (জার্মানি) : বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলে তিনি হচ্ছেন হৃদস্পন্দন। ২৮ বছরে পার রাখলেও দিন দিন তিনি আরো ক্ষুরধার হচ্ছেন।

৮. পাওলো দিবালা (আর্জেন্টিনা) : দুটি বড় মওসুম শেষ করে আসা এই তারকাকে ঘিরেই আর্জেন্টিনার আগামী দিনের স্বপ্ন।

৯. এনগলো কন্টে (ফ্রান্স) : বর্তমানে তিনিই হচ্ছেন বিশ্বের সেরা রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার। ফ্রান্সের বিশ্বকাপ শিরোপা স্বপ্ন রচয়িতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

১০. অ্যান্টনি গ্রিজম্যান (ফ্রান্স) : খুবই ক্ষীপ্র ও ভয়ঙ্কর ফিনিশার এই ফুটবল তারকা প্রতিটি মুহূর্তেই প্রমাণ করে চলেছেন নিজেকে। সর্বশেষ তার জোড়া গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লাভ করেছে ইউরোপা শিরোপা। ২০১৬ ইউরো আসরেও সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার লাভ করেছেন গ্রিজম্যান।

১১. লুইস সুয়ারেজ (উরুগুয়ে) : গত বিশ্বকাপে ইতালীয় এক খেলোয়াড়ের কানে কামড় দিয়ে আলোচিত হওয়া এই ফুটবল তারকা এখনো যেকোনো দলের রক্ষণভাগের বিরুদ্ধে আতঙ্ক ছড়িয়ে যাচ্ছেন।

১২. হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড) : টোটেনহ্যামের সঙ্গে অসাধারণ এক মওসুম কাটানো এই ইংলিশ তারকা দারুণ আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ এক গোলদাতা। তার কাঁধেই নির্ভর করেছে ইংল্যান্ডের আশা ভরসা।

১৩. কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স) : বয়স এখনো ১৯। তারপরও ফুটবল ইতিহাসে দ্বিতীয় দামি খেলোয়াড়ের খাতায় নাম উঠেছে তার। ফ্রান্সের প্রত্যাশা আসন্ন বিশ্বকাপে অসাধারণ কিছু প্রদর্শন করতে সক্ষম হবেন এই টিন এইজ তারকা।

১৪. রবার্ট লিওয়ানদোস্কি (পোল্যান্ড) : বুন্দেস লিগার এই সর্বোচ্চ গোলদাতা জাতীয় ফুটবল দলের হয়েও সাফল্য পেতে মুখিয়ে আছেন।

১৫. সার্জিও এগুয়েইরো (আর্জেন্টিনা) : হাঁটুর ইনজুরির কারণে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফুটবলার মওসুমের শেষ ভাগে বিশ্রামে চলে গিয়েছিলেন। তবে অতিরিক্ত বিশ্রাম আশীর্বাদ হয়েও আসতে পারে।

১৬. এডেন হ্যাজার্ড (বেলজিয়াম) : আসন্ন গ্রীষ্মকালীন দল বদলে হয়তো তিনি চেলসি ছাড়তে পারেন। তবে নিজের দক্ষতা দিয়ে হ্যাজার্ড বেলজিয়ামকে একটি ভালো অবস্থানে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।

১৭. আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (স্পেন) : নিজের চমক লাগানো ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছেন এই স্প্যানিশ। সর্বশেষ ২০১০ সালে তার গোলেই বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করেছির স্পেন।

১৮. মার্ক-আন্দ্রে টার স্টেগান (জার্মানি) : ম্যানুয়েল নয়্যারের ইনজুরিতে বিকল্প হিসেবে জার্মান জাতীয় দলে স্থান পেলেও, যোগ্যতার দিক থেকে তিনি অনন্য।

১৯. সার্জিও রামোস (স্পেন) : যেকোনো ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি নিজেকে আপসহীন করে রেখেছেন। আসন্ন বিশ্বকাপের পরেই অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন রামোস। তার অনুপস্থিতি দারুণভাবে অনুভব করবে স্পেন।

২০. পল পগবা (ফ্রান্স) : ২০১৪ বিশ্বকাপে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছিলেন এই ফরাসি তারকা। এবারের আসরে বসের খেতাব পাওয়ার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেছেন পগবা।

২১. ডেভিড ডি গিয়া (স্পেন) : বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ গোলরক্ষকের একজন। ডিনি ২০১৪ সালে স্পেন দলের হয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

২২. মার্সেলো (ব্রাজিল) : লেফট ব্যাকে খেলা এই তারকার মধ্যে রয়েছে অসাধারণ দক্ষতা। ব্রাজিলের দুর্ধর্ষ আক্রমণভাগের পেছনে রক্ষণভাগের কর্তৃত্ব থাকবে তার ওপর।

২৩. ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন (ডেনমার্ক) : প্রতিভাধর ও নির্ভীক এই ফুটবলার ডেনমার্কের আশা-ভরসার প্রতীক।

২৪. দ্রিস মার্টেনস (বেলজিয়াম) : ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি দীর্ঘ ১৪০ পাউন্ড ওজনের জীবনী শক্তিতে ভরপুর এই ফুটবলার সুনিপুণ পাসে খুবই দক্ষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

২৫. ফিলিপ কুটিনহো (ব্রাজিল) : গত জানুয়ারিতে বার্সেলোনায় যোগ দেয়া এই তারকা হতাশ করেননি। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ব্রাজিলের হয়েও নিজের আভিজাত্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

২৬. এডিনসন কাভানি (উরুগুয়ে) : বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলে সর্বাধিক (১০) গোল করেছেন তিনি।

২৭. গ্যাব্রিয়ের জেসুস (ব্রাজিল) : নেইমার ব্রাজিলের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়ের আসনে বসলেও ওই জায়াগার জন্য অপেক্ষমাণ আছেন এই তারকা। যার অনুপস্থিতিতে পূর্ণতা পেত না বিশ্বকাপ ফুটবল।

২৮. ডেভিড সিলভা (স্পেন) : নিজের ছেলে সন্তানের স্বাস্থ্যগত কারণে সমস্যার মধ্যে কাটানো সত্ত্বেও মাঠের লড়াইয়ে সব সময় সেরাটাই দিয়ে আসছেন তিনি।

২৯. টিমো ওয়ার্নার (জার্মানি) : জার্মান রণাঙ্গনের কেতাদুরস্ত অগ্রণী সেনানী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন টিমো।

৩০. এমিল ফর্সবার্গ (সুইডেন) : সম্প্রতি লিঙ্কের মাধ্যমে আর্সেনালে যোগ দেয়া ফর্সবার্গ ধারাবাহিকভাবে জার্মানিতে ভালো খেলে আসছেন।

৩১. ইসকো (স্পেন) : রিয়াল মাদ্রিদ ও স্পেনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার।

৩২. ডেলে আলী (ইংল্যান্ড) : এখনো উন্নতি করছেন এবং ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার হিসেবে গুরুদায়িত্ব বহন করছেন।

৩৩. গঞ্জালো হিগুইন (আর্জেন্টিনা) : গেল বিশ্বকাপের ফাইনালে হিগুইনের গোল বাতিল হওয়ার পর জার্মানির কাছে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা।

৩৪. ইভান রাকিটিচ (ক্রোয়েশিয়া) : বার্সেলোন ছাড়া রাকিটিচের ব্যাপারে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন লায়নেল মেসি। ফলে তাকে না ছাড়ার ব্যাপারে ক্লাবের প্রধানকে অনুরোধও করেন মেসি। দলের সর্বোচ্চ প্রশংসায় ছিলেন তিনি।

৩৫. থিবাত কর্টুইজ (বেলজিয়াম) : সেরা মওসুম ছিল না তার। কিন্তু এখনো তরুণ গোলরক্ষক হিসেবে অসাধারণ।

৩৬. মেসুত ওজিল (জার্মানি) : আর্সেনালের হয়ে ভালো মওসুম কাটেনি, কিন্তু তারপরও জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবং খারাপ মওসুমের পরও অনুপ্রাণিত।

৩৭. জেরার্ড পিকে (স্পেন) : প্রতিভাধর ও ডিফেন্সের তারকা খেলোয়াড় জেরার্ড পিকের এটিই চূড়ান্ত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হতে
পারে।

৩৮. সার্জিও বাসকুয়েটস (স্পেন) : দলের সেরা খেলোয়াড়ই বলা হয় বাসকুয়েটসকে। সম্প্রতি অনেক ব্যক্তিগত অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ না করায় বিস্মিত হয়েছেন অনেকেই।

৩৯. রাদামেল ফ্যালকাও (কলাম্বিয়া) : কলাম্বিয়ার ফর্ম তার ওপর নির্ভর করে থাকে। ইনজুরির কারণে ২০১৪ আসরে খেলতে পারেননি ফ্যালকাও।

৪০. হামেস রদ্রিগুয়েজ (কলাম্বিয়া) : ক্লাব ও দেশের জন্য উত্থান-পতনের পরও এখনো সম্ভাব্য সেরা খেলোয়াড়।

৪১. কাইলর নাভাস (কোস্টারিকা) : অন্তত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে না তার যোগ্যতার। এবারো কোস্টারিকা আপসেট ঘটালে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না।

৪২. সাদিও মানে (সেনেগাল) : মওসুমের দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুলের হয়ে চমৎকার খেলেছেন। তার অসাধারণ খেলা দর্শকদের যেমন বিনোদন দিয়েছে তেমনি সেনেগালকে করেছে সমৃদ্ধ।

৪৩. রোমেলো লুকাকু (বেলজিয়াম) : শক্তিশালী, তীব্র ও টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আর্কষণীয় দলের সদস্য।

৪৪. সন হিউং-মিন (দক্ষিণ কোরিয়া) : এশিয়ার সেরা খেলোয়াড় এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সৃজনশীল শক্তি।

৪৫. জোসুয়া কিমিচ (জার্মানি) : জার্মানি ও বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে নিজে যেমন প্রতি বছর পরিপক্ব হয়েছেন তেমনি দলেরও প্রধান সদস্য হয়ে উঠেছেন।

৪৬. বার্নাড সিলভা (পর্তুগাল) : তার আসল কাজ দলের সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেয়া। যা করাই তার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে।

৪৭. মারিয়ো মানজুকিভিচ (ক্রোয়েশিয়া) : জুভেন্টাসের হয়ে নিজের অবস্থান নিয়ে হতাশ থাকলেও, রাশিয়াতে অনেক বেশি মুক্ত থাকবেন।

৪৮. ম্যাটস হুমেলস (জার্মানি) : তাকে মোটাবুদ্ধির শক্তিশালী খেলোয়াড় মনে করলে ভুল হবে। তার মধ্যে যেমন সামর্থ্য রয়েছে তেমনি রয়েছে অসাধারণ দক্ষতা।

৪৯. ইগর আকিনফিভ (রাশিয়া) : যদি স্বাগতিকেরা গভীরভাবে উন্নতি করতে চায় তাহলে তরুণ এই গোলরক্ষকের জন্য বড় টুর্নামেন্ট হতে হবে।

৫০. লেরয় সেন (জার্মানি) : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল জোগান দেয়া খেলোয়াড় এবং একটি নতুন চেহারা। তবে হয়ে উঠতে পারেন জার্মান দলের বড় সম্পদে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.