মানিকছড়ি রাজবাজারে অলি-কলিতে পানি আর পানি
মানিকছড়ি রাজবাজারে অলি-কলিতে পানি আর পানি

রাস্তা ও ড্রেন সংস্কার না হওয়ায় মানিকছড়িতে দূর্ভোগে ব্যবসায়ীরা

আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি

মানিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী রাজ বাজারটি দীর্ঘ দিন সংস্কার নেই। ফলে বাজারের রাস্তা-ঘাট,ড্রেন,কালর্ভাট ভেঙ্গে চুরে একাকার। সামান্য বৃষ্টিতে অলি-গলিতে পানি থৈ থৈ। ফলে ৪ বছরের অধিক সময় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতারা। সম্প্রতি সংস্কারে বরাদ্দ এলেও ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগেই বৃষ্টিতে বেসামাল অবস্থা।
সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মংরাজ পরিবারের নামকরণে প্রসিদ্ধ এ বাজারটির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে দু’টি ইউপি সড়ক। ফলে দু’ইউনিয়নসহ উপজেলার সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে ছোট-বড় সহস্রাধিক দোকান-পাট গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ দিন বাজারে উন্নয়ন নেই বললেই চলে। লোভী ব্যবসায়ীদের কবলে পড়ে মাটিতে মিশে গেছে ড্রেন-নালাগুলো। ফলে অনায়াসে পানি ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাজারে। এছাড়া ইউপি রাস্তায় ভারি যানবাহন চলে করায় গত ৪ বছরে সড়কের কার্পেট উঠে গিয়ে রাস্তার চিহ্নমুচে গেছে! এই দীর্ঘ সময় ব্যবসায়ীরা চরম দূর্ভোগ হজম করতে হয়েছে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল(এলজিইডি) অধিদপ্তর উক্ত সড়কের ১ কিলোমিটার সংস্কারে বরাদ্দ দিয়েছে। ঠিকাদার যথা সময়ে কাজ শুরু করলেও বৈশাখের আগাম বর্ষায় তা থমকে গেছে। দূর্ভোগ যেন ব্যবসায়ীদের ছেড়ে যেতে চাইছে না। এছাড়া এখন রমজানের কেনা-কাটার ভিড়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছে। গত ১৯ মে শনিবার এখানে ছিলে হাঁটবার(বাজারবার)। সকালে ভারী বর্ষণ হওয়ায় সারা বাজারে থৈথৈ করছে পানি আর পানি। অলি-কলি যেন মিনি পুকুর।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের দূর্ভোগ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রবীণ ব্যবসায়ী শিবু চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ সাড়ে ৩ যুগ ধরে এ বাজারে ব্যবসা করছি। এত চরম দূর্ভোগ পোহাতে হবে তা কখনও ভাবিনি। ঠিকাদার অপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করায় এখন বেসামাল।
ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কাজ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুতই কাজ শুরু করেছি। কিন্তু বৃষ্টিতে এগুতে পারছিনা। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘ দিনের দুর্ভোগ লাঘবেই সরকার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। সবাইকে একটু ধর্র্য্য ধারণ করতে হবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.