১৩ নভেম্বর ২০১৮

বিমানের ১৬ হাজার হজযাত্রীর টিকেট নেয়নি এজেন্সীগুলো

বিমানের ১৬ হাজার হজযাত্রীর টিকেট নেয়নি এজেন্সীগুলো - সংগৃহীত

২৪ জুলাই থেকে ১০ আগষ্ট পর্যন্ত হজ ফ্লাইটের ১৬ হাজার বিমানের টিকেট এখনো অবিক্রিত রয়ে গেছে। বিমানের পক্ষ থেকে হজ এজেন্সীগুলোকে টিকেট ক্রয় করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। যাতে শেষ মুহুর্তে যাত্রীর অভাবে ফ্লাইট বাতিল করতে না হয়। কোন সম্মানিত হজ যাত্রীকে অনিশ্চয়তায় পড়তে না হয়।

কারণ এ বছর নির্ধারিত ফ্লাইটে হজ যাত্রী পরিবহনে সৌদি আরবে অতিরিক্ত স্লট বরাদ্দ পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (জনংযোগ) শাকিল মেরাজের পাঠানো জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ১৪ জুলাই থেকে ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত বিমান বাংরাদেশ এয়ারলাইন্স হজ যাত্রীদের সৌদি আরবে নেবে। ১৮৭ ফ্লাইটে ৬৩ হাজার ৬০০ হজ যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারাাইন্সের ফ্লাইটে সৌদি আরব যেতে পারবেন। ৪ জুলাই সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৫ হাজার ৭৭৯টি টিকেট বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে বলে বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুন : হজ এজেন্সিতে দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর কয়েকটি হজ এজেন্সিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুপুরে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম পুরানা পল্টন এলাকার হজ এজেন্সিগুলোতে আকস্মিক এ অভিযান চালায়।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কতিপয় অসাধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে একটি হজ এজেন্সির নামে দালাল চক্র কর্তৃক ১১৫ জন হজযাত্রীর কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম পুরানা পল্টনের মদিনা টাওয়ারে অবস্থিত আল মুজদালিফা এভিয়েশন নামের হজ এজেন্সিতে আকস্মিক অভিযান চালায়।

সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশসহ সাত সদস্যের একটি টিম এ অভিযানে অংশ নেয়। দুদক টিম অভিযানকালে চারজন হজযাত্রীর কাছ থেকে অভিযোগ ও তথ্য গ্রহণ করে। এছাড়াও এজেন্সির ট্রেড লাইসেন্স ও ই-টিআইএনসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দুদক টিম এসময় ১১৫ জন হজযাত্রীর নিবন্ধনের জটিলতার বিষয়টিও জানতে পারে। এজেন্সির কর্মকর্তারা দুদক টিমকে জানান, জটিলতা নিরসনে যথাযথ উদ্যোগ তারা নেবেন।

এছাড়াও ওই এলাকায় অবস্থিত আরো তিনটি এজেন্সিতে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ পায় দুদক টিম।

অভিযান প্রসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের সমন্বয়কারী দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, হজযাত্রাকে দুর্নীতি মুক্ত করার লক্ষ্যেই দুদকের এ অভিযান। চলতি বছরের হজ কার্যক্রম যেন দুর্নীতি ও হয়রানি মুক্ত হয়, সে লক্ষ্যে এ অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

 


আরো সংবাদ