২১ নভেম্বর ২০১৮

ফাহিমা-রুমানার ভেলকিতে দারুণ জয় বাংলাদেশের

ক্রিকেট
বাংলাদেশকে দারুণ জয় এনে দিলেন ফাহিমা-রুমানারা - ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের পুরুষ দল দেশকে লজ্জায় ডুবালেও মাথা উঁচু করা এক জয় এনে দিয়েছেন নারী ক্রিকেটাররা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে দাপুটে এক জয় পেয়েছে সালমা খাতুনের দল।

নিজেদের ইতিহাসের প্রথম এশিয়া কাপ জয় এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে নেদারল্যান্ডসে বিশ্ব টি-টোয়েন্টির বাছাইপর্ব খেলতে গিয়েছে বাংলাদেশ। বাছাইপর্ব শুরুর আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ঝলসে উঠলেন ফাহিমা-রুমানারা।

রটরডামে স্কটিশ নারী দলকে মাত্র ৪৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৯ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। প্রস্তুতি ম্যাচের প্রস্তুতিটাও যথাযথই হয়েছে বলা চলে।

আগে ব্যাট করতে নামা স্কটল্যান্ড শুরুটা অবশ্য এতোটা খারাপ করেনি। প্রথম ৯ ওভারে তারা ৩৫ রান করে হারিয়েছিল মাত্র ১ উইকেট। কিন্তু দুই লেগস্পিনার ফাহিমা খাতুন ও রুমানা আহমেদের ভেলকিতে পরের ১২ রানেই শেষ হয় বাকি ৯টি উইকেট।

৩ ওভারে ২ মেইডেনের সহায়তায় মাত্র ১ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন ফাহিমা। ৪ ওভারে ১ মেইডেনের সহায়তায় মাত্র ৮ রান খরচায় ২টি উইকেট নেন রুমানা। এছাড়া লিলি রানি ২, পান্না ঘোষ ও খাদিজা তুল কুবরা নেন ১টি করে উইকেট।

রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই শামীমা সুলতানা সাজঘরে ফিরলেও বাকি পথটা সহজেই পাড়ি দেন আয়েশা রহমান ও শারমিন সুলতানা। ২ চার ও ১ ছক্কার মারে ২৩ রান করেন আয়েশা। শারমিনের ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান।

বিশ্ব টি-টোয়েন্টি বাছাইয়ের মূল পর্বে ৭ তারিখ পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। পরে ৮ তারিখ নেদারল্যান্ড ও ১০ তারিখ আরব আমিরাতের বিপক্ষে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ খেলবেন সালমা-রুমানারা।

সাকিব বাহিনী টেস্টে সর্বনিম্ন ৪৩ রানের স্কোর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড ছিল ৬২ রানের। ১২ বছর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পেতে হয়েছিল সেই লজ্জা।

আরো পড়ুন :

টেস্টে ৪৩ রানের লজ্জা পেল বাংলাদেশ
নয়া দিগন্ত অনলাইন, ০৫ জুলাই ২০১৮
বাংলাদেশ টেস্টে সর্বনিম্ন ৪৩ রানের স্কোর করেছে ওযেস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড ছিল ৬২ রানের। ১২ বছর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পেতে হয়েছিল সেই লজ্জা।

বল হাতে একাই ক্যারিবিয়ান ঝড় তুলেছেন কেমার রোচ। ১০ রানের মাথায় তামিম ইকবালকে ফিরিয়ে শুরু করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত ৪ রানে নেই তামিম। দলীয় ১৬ রানের সময় মুমিনুল ফিরলেন মাত্র ১ রানে। দুঃস্বপ্নটা তখন শুরু করেছে দেখা দিতে। এরপর দলীয় ১৮ রানে মুশফিকুর রহিম, অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ এই তিনজন রানের খাতা না খুলেই ফিরে গেছেন সাজ ঘরে। প্রথম ৫ টি উইকেটই নিয়েছেন কেমার রোচ। মুশফিক এলবিডব্লিউ ছাড়া বাকি সবাই ক্যাচ আউট হয়েছেন।

লিটন দাসের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে যেতে শুরু করলে তিনি ২৫ রান করে দলীয় ৩৪ রানের মাথায় ডিপ পয়েন্টে ক্যচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন। কামিন্সের বলে লিটন আউট হওয়ার পর দলীয় রান ৩৪ রেখেই নুরুল হাসান আউট হন। এর পর মেহেদী হাসান ১ রান যোগ করে দলীয় ৩৫ রানের মাথায় আউট হন কমিন্সের বলেই। এরপর শেষ পেরেক মারেন জেসন হোল্ডার। হোল্ডারের শিকার হয়ে ফেরেন কামরুল ইসলাম রাব্বি ও রাহী।

মাত্র ১৮ ওভার ৪ বলে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন।

টেস্ট লজ্জায় বাংলাদেশ যৌথভাবে দশম
নয়া দিগন্ত অনলাইন, ০৪ জুলাই ২০১৮
টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে যৌথভাবে দশম অবস্থানে রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বুধবার বাংলাদেশ ৪৩ রানে অল আউট হওয়ার আগে ১৯৮৯ সালের ২৫ মার্চ কেপ টাউনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৩ রানে সবকটি উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওইটা ছিল ৩২তম টেস্ট। বাংলাদেশ এই লজ্জার রেকর্ড করলো ২হাজার ৩১০তম টেস্ট ম্যাচে।

লজ্জার রানের রেকর্ডে নবম, অস্টম এবং সপ্তম অবস্থানে আছে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের নাম। এই তিন দেশের সর্বনিম্ন রান ৪২ করে। ষষ্ঠ অবস্থানে আছে ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার করা ৩৬ রান। ৭০তম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড। এছাড়া পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় পর্যন্ত লজ্জার রেকর্ডের রান গুলো দক্ষিণ আফ্রিকার। দলটি বিভিন্ন সময়ে আউট হয়েছে ৩৬, ৩৫ এবং ৩০,৩০ করে। তবে এখন পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম রানের রেকর্ড নিউজিল্যান্ডের। ১৯৫৫ সালের ২৫ মার্চ অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৪০২তম টেস্টে তারা রান করেছিল মাত্র ২৬। এই রেকর্ডেও প্রতিপক্ষ ছিল ইংল্যান্ড।


আরো সংবাদ