২০ জুলাই ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ইতালি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ইতালি - সংগৃহীত

ইতালি বলছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর কোনো এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান কিনবে না বরং ৯০টি বিমান কেনার জন্য যে অর্ডার দেয়া হয়েছে তা কাটছাঁটের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখবে। ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এলিসাবেত্তা ত্রেন্তা সম্প্রতি বেসরকারি রেডিও চ্যানেল লা-সেভেনের সাথে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি এফ-৩৫ বিমান কেনার নতুন চুক্তির সম্ভাবনা নাকচ করেন।

২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির মধ্যে ৬০টি এফ-৩৫এ এবং ৩০টি এফ-৩৫বি জঙ্গিবিমান কেনার যে চুক্তি হয়েছে, তা নতুন করে পর্যালোচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে ইতালি। এছাড়া দেশটি নতুন করে এফ-৩৫ জঙ্গি বিমান কেনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো চুক্তি না করার ঘোষণা দিয়েছে।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এলিসাবেত্তা ত্রেন্তা বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে নতুন করে আর এফ-৩৫ বিমান কিনব না বরং এসব বিমান কেনার জন্য যে এক হাজার ৪০০ কোটি ইউরো খরচ হবে তা জনগণের কল্যাণে ও দেশের স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির জন্য খরচ করা ভালো ছিল।

এলিসাবেত্তা ত্রেন্তা বলেন, মার্কিন সরকারের সাথে সই হওয়া চুক্তি নিয়ে কী করা যায় আমরা তাই ভাবছি। যদিও আমার দল সব সময় এসব বিমান কেনার বিরোধী কিন্তু বিশাল এ চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেলে যে আর্থিক জরিমানা দিতে হবে তা বিমান কেনার চেয়ে কম নয়। এছাড়া দেশের অর্থনীতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জোরদার হচ্ছে তুরস্ক-ইতালি সম্পর্ক
আনাদোলু এজেন্সি, ৩০ জুন ২০১৮

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় তাকে স্বাগত জানিয়ে তুরস্ককে ইতালির অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সার্গেই ম্যাটিরেলা। গত রোববার এরদোগান পুনরায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার প্রায় ১ সপ্তাহ পর শুক্রবার তাকে স্বাগত জানালো ইতালির প্রেসিডেন্ট। 

ইতালির প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি আশা করি আপনার মেয়াদকালের মধ্যে তুরস্ক যাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পায় এ জন্য আপনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। আমি আশা করি দুই দেশের সম্পর্ক অটুট থাকবে।

এর আগে গত রোববার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারো বিজয়ী হহয় রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান। নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে স্থানীয় সময় সোমবার সকালে রাজধানী আঙ্কারায় নিজের দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (একে) পার্টির প্রধান কার্যালয়ের বেলকনিতে দাঁড়িয়ে দেয়া ভাষণে তিনি।

তিনি বলেন, প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির মাধ্যমে তুরস্ক দুনিয়াকে গণতন্ত্রের শিক্ষা দিয়েছে। এ নির্বাচনে তুরস্কের জনগণ, এ অঞ্চল এবং দুনিয়ার সব নিপীড়িত মানুষের বিজয় অর্জিত হয়েছে। শাসক নয়, বরং সবসময় জনগণের সেবক হওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার দেশের জনগণ এ ব্যাপারে অনেক সজাগ।

তুরস্কে রোববার একইসাথে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, ৫৩ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট পায় এরদোগানের জোট। অন্যদিকে পিপলস অ্যালায়েন্সের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাররেম ইনজের দল সিএইচপির নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স পায় ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোট।


আরো সংবাদ