২১ নভেম্বর ২০১৮

নিক-প্রিয়ঙ্কা সম্পর্কের আড়ালে

নিক-প্রিয়ঙ্কা সম্পর্কের আড়ালে - ছবি : সংগৃহীত

বলিউড নায়িকা প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাস নিয়ে গুঞ্জনের অন্ত নেই। কিন্তু দু’জনের কেউই নিজে থেকে সে কথা স্বীকার করেননি। অবশ্য কোনো পক্ষের ‘অ্যাতরাজ’ও প্রকাশ্যে আসেনি। সেই গুঞ্জনের মধ্যেই এবার ‘জোড়ি মেকার’ হিসাবে উঠে এলো ডয়েন জনসনের নাম। নিজে সে কথা স্বীকারও করেছেন হলিউডের অভিনেতা-প্রযোজক। ফলে ‘নিয়াঙ্কা’(সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়ানোর পর থেকে এই নামেই ডাকা হচ্ছে দু’জনকে) জুটিতে কার্যত সিলমোহর পড়ল।

একটি মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে ডয়েন দাবি করেছেন, তিনিই বলিউড অভিনেত্রী এবং মার্কিন গায়ককে কাছাকাছি এনেছেন। হালকা চালে তিনি জানিয়েছেন, দু’জনের প্রেমের তির তিনিই ছুড়েছিলেন।

কী ভাবে? সে প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন ডয়েন ওরফে ‘দ্য রক’। দুই তারকার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডয়েন পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘‘ওরা কি সুখী?’ এরপরই তিনি বলেন, ‘‘হ্যাঁ, ওরা যদি সুখে থাকে, তাহলে আমিই কাজটা করেছি। কৃতিত্বটা আমিই নিচ্ছি।’’

দ্য রক-এর প্রযোজনায় ‘বেওয়াচ’-এ অভিনয় করেছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া এবং ‘জুমনজি: ওয়েলকাম টু দ্য জাঙ্গল’-এ নিক জোনাস ছিলেন। ‘নিয়াঙ্কা’ জুটির সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই দুই হলিউড ফিল্মের ভূমিকা ছিল কি না, থাকলে কতটা ছিল, সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি ডয়েন।

৩৫-এর প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে বছর ২৫-এর নিক জোনাসের প্রেম নিয়ে টিনসেল টাউনে গুঞ্জন চরমে। সেলেব দুনিয়ায় দাবানলের মতো নানা কথা ছড়াচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। সম্প্রতি নিককে নিজের বাড়িতে এনে মা মধু চোপড়ার সঙ্গেও নাকি আলাপ করিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা। শোনা যাচ্ছে গিগগিরই দু’জন এনগেজমেন্টও নাকি সেরে ফেলবেন। এই গোটা পর্বে এবার নতুন মাত্রা যোগ করলেন ‘দ্য রক’।

আরো পড়ুন :
বিবাহবন্ধনে মিঠুন-পুত্র ও মিমো
তার বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগের জেরে গত ৭ জুলাই বিয়ের মণ্ডপে প্রবেশ করে পুলিশ। পুলিশের তদন্তকারী অফিসারদের উপস্থিতিতে বিয়ের আসরের তাল কেটে যায়। ভণ্ডুল হয়ে যায় মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্র মিমোর বিয়ে। তবে যাবতীয় সমস্যা পিছনে পেলে মঙ্গলবার সাতপাকে বাঁধা পড়েন মিমো। এদিন এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ে সম্পন্ন হয় মিমোর।

তামিলনাড়ুর উটিতে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ে। সেখানে মিঠুনের এক হোটেলে আসর বসে মহাক্ষয় ওরফে মিমোর বিয়ের।

উল্লেখ্য, পাত্রী মাদালসা শর্মার সঙ্গে এর আগে মার্চ মাসে বাগদান পর্ব হয়ে যায় মিমোর। এরপর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ৭ তারিখ বিয়ের আসরবসে। তবে বিয়ের ঠিক কিছুদিন আগেই মিমোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারিনী মহিলার দাবি ছিল, মিমো তাঁকে গর্ভপাত করাতে বাধ্য করেন। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্ত হয়ে আগাম জামিনে ছাড়া পান মিমো ও তাঁর মা যোগীতা বালি। উল্লেখ্য, মিমো ও মাদলসার আইন অনুযায়ী বিয়ে আগেই হয়ে গিয়েছে। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন।

এর আগে, বিয়ের সঙ্গীত পর্বের আয়োজন হয়ে যায়। তবে, একবার বিয়ে ভণ্ডুল হয়ে যাওয়ার পর, এদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকা ছোট রাখা হয়।


আরো সংবাদ