১০ ডিসেম্বর ২০১৮

এক নারী কাঁপিয়ে দিয়েছেন ইংল্যান্ডকে

হ্যারডস (ইনসেটে মিস্টার ও মিসেস হাজিয়েভ) - ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে দুর্নীতি বিরোধী নতুন একটি আইনের কারণে বেরিয়ে আসছে অনেক কাহিনী। ৫৫ বছর এক নারীকে এখন ব্যাখ্যা করতে হচ্ছে কিভাবে এতো অর্থ তিনি পেলেন। ব্যাখ্যা তাকে এখন দিতেই হবে।

এই নারী আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার স্ত্রী যিনি লন্ডনের বিখ্যাত বিলাসবহুল দোকান হ্যারডসে ২১ মিলিয়ন বা দু কোটি দশ লাখ ডলারের কেনাকাটা করেছেন গত এক দশকে। এমনকি তিনি ওই দোকান ও বার্কশায়ারের একটি গলফ ক্লাবও কিনে নিয়েছিলেন।

যুক্তরাজ্যের নতুন আইনের কারণে অপ্রকাশিত সম্পদ গোপন করা অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় জামিরা হাজিয়েভাকেও বলা হয়েছে তার এতো অর্থ কিভাবে হলো সেটি ব্যাখ্যা করতে হবে। আর সেটি করতে না পারলে সম্পদ হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন তিনি।

এখন তিনি লড়াই করছেন লন্ডনে তার দেড় কোটি ডলারের বাড়ি রক্ষার জন্য। এর মধ্যেই তার নাম গোপন থাকবে কি-না সে বিষয়ে লড়াইয়ে তিনি হেরে গেছেন।

জাহাঙ্গীর হাজিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক অফ আজারবাইজানের সাবেক চেয়ারম্যান। ২০১৬ সালে জালিয়াতির দায়ে তার পনের বছরের জেল হয়েছিল। একই সাথে তাকে প্রায় চার কোটি ডলার ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

সাত বছর আগে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডের একটি কোম্পানিকে এ দম্পতির পক্ষ থেকে একটি বড় বাড়ির জন্য দেড় কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। আর ২০১৩ সালে বার্কশায়ারের গলফ ক্লাব কেনার জন্য মিসেস হাজিয়েভার কোম্পানি থেকে এক কোটি ডলার দেয়া হয়েছিলো। সম্পদশালী বিনিয়োগকারী হিসেবেই এ দম্পতিকে বসবাসের অনুমতি দিয়েছিল ব্রিটিশ হোম অফিস।

যুক্তরাজ্যে কত সম্পদ এনেছেন এই দম্পতি?
মূলত গত জুলাইয়ে আদালতে শুনানির সময় মিসেস হাজিয়েভার অর্থ সম্পর্কে নানা তথ্য বেরিয়ে পড়ে।

গত দশ বছরে তিনি শুধু হ্যারডসেই ব্যয় করেছেন দু কোটি ডলারেরও বেশি। এজন্য তাকে দৈনিক প্রায় পাঁচ হাজার ডলার ব্যয় করতে হয়েছে।

এর বাইরে বিলাসবহুল গহনার দোকানে ব্যয় করেছেন এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার। তার প্রায় পঁয়ত্রিশটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে, যার সবগুলোই তার স্বামীর ব্যাংক থেকে করা।

সরকারি তথ্য থেকে জানা যায় যে মিসেস হাজিয়েভা প্রায় সাড়ে চার কোটি ডলার দিয়ে একটি জেট আর হ্যারডসের নিজস্ব পার্কিং থেকে দুটি পার্কিং এরিয়াও কিনে নিয়েছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিসেস হাজিয়েভা

স্বামী ও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন মিসেস হাজিয়েভা, বলেছেন তারা বড় অন্যায়ের শিকার। তিনি আদালতে বলেছেন তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী এবং ব্যাংকের চেয়ারম্যান হওয়ার আগেই ব্যবসা করে সম্পদশালী হয়েছেন তিনি।

যদিও ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি আদালতে জানিয়েছে হাজিয়েভ ১৯৯৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।


আরো সংবাদ

যেসব আসনে ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে (২৮৭৩৪)বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা প্রার্থী হলেন (১৩০২৭)মনোনয়ন না পাওয়া বিএনপির আনিসুল হক বললেন- ব্যক্তি নয় মার্কাই বড় (১১৮১৮)অভিমানে বিএনপি ছাড়লেন মনির খান (১১১৭৬)জোটে ২২ আর উন্মুক্তভাবে ১ আসনে লড়বে জামায়াত (১০৮৭৮)ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (৯৭০৯)বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমকে লক্ষ্য করে গুলি! (৯২৭০)এত কিছু করেও মির্জা আব্বাসকে ঠেকাতে পারলেন না মেনন (৯২৪৯)বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন খন্দকার মাহবুব (৮৬১২)বিএনপির আরো চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা (৭৯২০)