১২ ডিসেম্বর ২০১৮

বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো

-

বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো- এ প্রবাদটি অনেক পুরনো। কোনো কিছু অর্জন, বর্জন বা কাউকে ফাঁসিয়ে দেয়ার জন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নানা রকম কলকব্জা শক্ত করে আঁটতে থাকে। যারা এসব করে তারা ভাবে যে, তাদের সফলতা এক শ’ ভাগ। অপর দিকে এসব ষড়যন্ত্রের মধ্যে এমন সব ফাঁক-ফোকর থাকে যা দিয়ে প্রতিপক্ষ সহজেই বের হয়ে যায়। ব্যবহারিকভাবে যখন কোনো কিছু বাঁধার জন্য গিঁট বা বাঁধন দেয়া হয় তখন স্থান-কাল-পাত্রভেদে এটা এমনভাবে করা হয় যা অপরের জন্য খুলে ফেলা কঠিন, কুটিল ও জটিল হয়ে পড়ে। আমাদের সাংসারিক, পারিবারিক এবং পারিপার্শ্বিক কারণে অনেক বাঁধন দিতে হয়।

কৃষক গরু বাঁধে, জেলে নৌকা বাঁধে, নৌযান ঘাটে বাঁধে, এমনকি শহরে যানবাহনাদি চোরের ভয়ে বেঁধে রাখে। এই বাঁধন এমন হয় যে, অন্যের পক্ষে তা খুলে ফেলা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু যারা বাঁধে তারা জানে যে, কিভাবে সহজেই ওই বাঁধন বা গিড়ে খুলে ফেলা যায়। যাদের জন্য এই বাঁধন দেয়া হয় তারা কেউ কেউ জানে কী পদ্ধতিতে ওই গিরাটি খুলে ফেলা তার জন্য সহজ হবে। এটা এমন একটি মেকানিজম যা দৃশ্যত কঠিন কিন্তু কার্যত সহজ। গ্রামগঞ্জে গবাদিপশু বাঁধার একটা পদ্ধতির নাম ‘সোজা গিরা’। আসলে এই গিরা অনেকটা পেঁচালো। এর মধ্যে একটা পদ্ধতি থাকে, যেখানে টান দিলে সহজেই গিরাটা খুলে যায়। কিন্তু আপনি যদি সেই সহজ অংশ না চেনেন তাহলে এমন জট পাকিয়ে যাবে যে, খোলাটা অনেক কঠিন হবে। এতসব কথা মনে পড়ল এই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করণের নানা ধরনের কারসাজি লক্ষ করে।

ক্ষমতা আরোহণের তিনটি পদ্ধতি আছে। প্রথমত, গণতান্ত্রিক নির্বাচনীর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, সামরিক অভ্যুত্থান। তৃতীয়ত, গণ-অভ্যুত্থান তথা আদর্শভিত্তিক বিপ্লবের মাধ্যমে। গণতন্ত্র হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা। বর্তমান পৃথিবীতে তিন ভাগের দুই ভাগ রাষ্ট্রে নামে হোক অথবা কাজে হোক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। সামরিক শাসনব্যবস্থা ক্রমহ্রাসমান। বিপ্লব নিঃশেষ না হলেও স্তিমিত।

ক্ষমতা গ্রহণে যেমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সহজ তেমনি ক্ষমতা চিরকালের জন্য কুক্ষিগত করণে গণতন্ত্রই সহজ মাধ্যম। ইতিহাসের ছাত্রমাত্রই জানে যে, হিটলার "National Socialist German Workers Party" এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হয়। ইংরেজিতে এটি ‘নাজি পার্টি’ হিসেবে সমধিক পরিচিত। ১৯২০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত টানা ২৫ বছর তারা ক্ষমতায় থাকে। প্রথমত তারা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে। হিটলার এর নেতৃত্ব গ্রহণের পর কারণে অকারণে ও কৌশলে বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও দলগুলোকে তারা নির্মূল করে দেয়। প্রতিবারই অজুহাত ছিল দেশদ্রোহিতা ও জার্মান জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ইত্যাদি। সময়ান্তরে নির্বাচন নামক প্রহসনের মাধ্যমে তারা ক্ষমতা অব্যাহত রাখে।

একই ইতিহাস ইতালির মুসোলিনির। তিনি Fascist Revolutionary Party (PFR) এর মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। ১৯১৫ সালে এর প্রতিষ্ঠা। ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হন। এরাও গণতন্ত্রের নামে বিভিন্ন কায়দায় প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করেন। এত গেল ইতিহাসের কথা। বর্তমান পৃথিবীতেও নাজিবাদ, ফ্যাসিবাদ আছে। কিন্তু অন্য নামে, অন্য প্রকারে, ব্যক্তিশাসিত আরবজগৎ, গোষ্ঠীশাসিত আফ্রিকা এবং পার্টিশাসিত মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে রীতিমতো জাতীয় সংসদ আছে, দল আছে এবং নির্বাচনও আছে। তবে এসব দেশে নির্বাচন নামকাওয়াস্তে-একতরফা, নিয়ন্ত্রিত এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের সাথে এর অপূর্ব মিল রয়েছে। ২০১৮ সালের সমাগত নির্বাচনকে ওই একই পথে পরিচালনার জন্য শাসক দলের বজ্র আঁটুনির শেষ নেই।

ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য আওয়ামী লীগ দুটো রণকৌশল গ্রহণ করে। প্রথমটি স্থায়ী- অপরটি অস্থায়ী বা যখন যেমন তখন তেমন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব যখন এটা গভীরভাবে উপলব্ধি করে যে, নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতাসীন হওয়া খুবই দুরূহ। বিশেষত বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশ^াসী মানুষের আস্থা অর্জন তাদের জন্য এক অসম্ভব কাজ। তখন তারা গরিষ্ঠ মানুষকে তুষ্ট করতে যা যা করা দরকার তাই করে। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২১ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরে আসে। তখন তারা জনতুষ্টি নীতি গ্রহণ করে। ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে তারা ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করে। নেত্রীর হিজাবসহ তসবিহ হাতের লাখ লাখ ছবি বিতরণ করা হয়। তারা স্লোগান তোলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ- নৌকার মালিক তুই আল্লাহ। তারা সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির পরিবর্তে জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পক্ষে কথা বলে। সংবিধানে সংযোজিত ইসলাম ও মুসলিম সম্পর্কিত ধারাগুলোর বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে বিরত থাকে। মানুষ যা চায় সেভাবেই তারা কথা বলে ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়।

২০০১ সালের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে তারা অগ্রাহ্য করে। তাদের এক অদ্ভুত বদ্ধমূল ধারণা পাইয়ে বসে যে, জনগণ তাদের ভোট দিতে চায়। কিন্তু সূক্ষ্ম অথবা স্থূল কারচুপির মাধ্যমে তাদের হারিয়ে দেয়া হয়। মূলত এই ধারণা থেকেই তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন পরিচালনা করে। তাদের এ ধারনা ভেঙে যায় কয়েকটি কারণে। ক্ষমতায় থেকে যখন তারা পাঁচটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে পরাজিত হয় তখন তারা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। আর কোনো নির্বাচন যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে না হতে পারে সে জন্য ২০০৬ সালে লগি-বৈঠার তাণ্ডব ঘটায়। সামরিক বাহিনীর ঘাপটি মারা একটি অংশ প্রকারান্তরে তাদের সপক্ষে কাজ করে। ইকোনমিস্টের ভাষায় ভারতের রণকৌশল ও বস্তা বস্তা টাকার বিনিময়ে তারা ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয় লাভ করে। ক্ষমতাসীন হয়ে তারা ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার কৌশল হিসেবে তাদেরই আন্দোলনে প্রবর্তিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে দেয়।

ক্ষমতা স্থায়ীকরণের অংশ হিসেবে সংবিধানে এমনসব ধারা সংযোজন করে যেগুলো তাদের ক্ষমতায় থাকার সহায়ক হয়। নীতিগত বিষয়ের বাইরে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনের কূটকৌশলের কথা উল্লেখ করা যায়। সংসদীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এটি একটি বিরল ব্যবস্থা। এর সুফল এখন তারা সমাগত নির্বাচনে ভোগ করছে। এর দ্বারা তারা অনেক সুবিধা পাচ্ছে। ১. তাদের এমপি-মন্ত্রীরা ক্ষমতা, সুবিধা ও প্রটোকল নিয়ে নির্বাচন করছে। ২. সরকারের কর্মকর্তাদের নির্বাচনে জয় হওয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারছে। ৩. প্রকল্পগুলোকে নিজের এলাকায় নির্বাচনী স্বার্থে ব্যবহার করতে পারছে। সবচেয়ে মারাত্মক বিষয় হচ্ছে, নির্বাচনে অবশেষে যদি দেখা যায় তারা পরাজিত হয়েছে তখন তারা ইচ্ছা করলে পুরনো বহাল সংসদের অধিবেশন ডেকে নানা অজুহাতে বর্তমান নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করতে পারবে। এ ছাড়া বহাল সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিরঙ্কুশ সুবিধা তারা ভোগ করছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপ হলেও অন্যান্য দেশের অনুসরণে ২০১৪ সালের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভা ব্যাপকভাবে সঙ্কুচিত করেন। এবারো নিজের মুখে তথাকথিত নির্বাচনকালীন ছোট্ট মন্ত্রিসভার কথা নিজ মুখে বললেও সেটি কার্যকর করার নৈতিক দায় অনুভব করেননি। বরং সরাসরি স্বীকার করেন যে, ‘কাকে রাখি কাকে বাদ দেই’। এর আগে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২০১৪ সালের নির্বাচন পুনরায় অনুষ্ঠানের। তা-ও রক্ষা করেননি।

আরো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সংলাপের সময়ে যে, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে পাইকারি, আজগুবি মামলা ও হামলা আর হবে না। কিন্তু পুলিশি নিপীড়ন থেমে থাকেনি। জনগণ তাহলে কি প্রশ্ন করতে পারে যে, পুলিশ তার কথা কি শুনছে না? বিধি মোতাবেক নির্বাচন কমিশনের এসব বিষয়ে কর্তত্ব থাকার কথা। তাই ড. কামাল হোসেন সঙ্গতভাবেই সিইসিকে প্রশ্ন করেন, ‘পুলিশ কি আপনাদের নিদের্শে এসব ধরপাকড় করছে। নাকি আপনি দ্বারা আদিষ্ট হয়ে সরকারেরই প্রতিপক্ষদের ধরপাকড়ের নির্দেশ দিচ্ছেন?’ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করছেন যে, সরকার এর আগে অনুষ্ঠিত পৌরসভাগুলোর ভোটারবিহীন নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাচ্ছে। এ বিষয়ে নানা ধরনের প্রকৌশলে কথা শুনা যাচ্ছে।

যেমন- ক. ভোটের বাক্স আগেই ব্যালট দিয়ে পূরণ করা। খ. আগেই আওয়ামী এজেন্টদের পর্যাপ্ত ব্যালট দিয়ে দেয়া, যাতে নির্বাচন চলাকালীন নৌকা বাক্সে ভরে দিতে পারে। গ. পুলিশ দিয়ে ভীতির রাজত্ব কায়েম করে আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্য কাউকে ভোট কেন্দ্রে আসতে না দেয়া। ঘ. প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের মাধ্যমে ভোটবাক্স ভর্তি করা। উল্লেখ্য যে এই উদ্দেশ্যে এদের তালিকা দেখে কেবল আওয়ামী লীগ করে এমন লোকদের নিয়োগ দেয়া। পুলিশ ইতোমধ্যে তাদের তালিকা ইসির স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় পেয়ে গেছে। সিইসি অবশ্য প্রকাশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন কাজটি গোপনে সেরে নিতে। ঙ. ভোটের সংখ্যা যাই হোক না কেন এরশাদীয় স্টাইলে নাম পরিবর্তন করে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা। চ. আওয়ামী লীগের লোকদের দ্বারা কেন্দ্র দখল করে পাইকারিভাবে ভোট দেয়া। ছ. বিরোধী পক্ষের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া এবং যাতে কেউ বিরোধী দলের এজেন্ট না হয়, তা নিশ্চিত করেন। জ. পাইকারি ও গায়েবি গ্রেফতার অব্যাহত রাখা। ঝ. বিরোধী দলের যারা নিশ্চিত জয়লাভ করতে পারে এমনসব প্রার্থীকে গুম অথবা খুন করে ফেলা।

ইতোমধ্যে যশোরের এক প্রার্থীর লাশ বুড়িগঙ্গায় পাওয়া গেছে। ঞ. পার্টির পুরনো দাঙ্গাবাজ ও কালো টাকার মালিকদের মনোনয়ন বাতিল না করা। আওয়ামী লীগের প্রকাশিত প্রার্থীতালিকা দেখে মন্তব্য করা যায় যে, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক নতুন, ভালো ও যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি। ইয়াবা বিখ্যাত বদি এবং খুনের আসামি রানাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তার বদলে বদির স্ত্রী এবং রানার বাপকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মানুষকে আওয়ামী লীগ কি এতই বোকা ভাবে যে, তারা স্বামী-স্ত্রী বা বাপ-বেটার পার্থক্য বুঝতে অক্ষম? ট. পুরো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে যে, সব রাজনৈতিক দলের বিরোধীতা সত্ত্বেও ইভিএম চালু করার অর্থ হচ্ছে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের জয়কে নিশ্চিত করা। ঠ. সিইসির আপন ভাগ্নেকে পটুয়াখালীর একটি আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাকে তুষ্ট করার জন্য একজন প্রবীণ ও জনপ্রিয় নেতাকে বাদ দেয়া হয়।

বজ্র আঁটুনি যতই শক্ত, পোক্ত ও পেঁচালো হোক না কেন প্রতিপক্ষ যদি তার প্যাঁচ খোলার কৌশলটি জানে তাহলে বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো হতে বাধ্য। আবার বজ্র আঁটুনি ফসকা করার কৌশলটি ওই আঁটুনির মধ্যেই নিহিত থাকে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বজ্র আঁটুনি ফসকা করার সম্পর্কে যথার্থই অবহিত। সমাগত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের নির্মম বলপ্রয়োগ, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম-খুন-জখম, হামলা-মামলা ও কারসাজি-কারচুপি যতই কঠিন ও কুটিল হোক না কেন জনগণের সম্মিলিত শক্তির কাছে তা কার্যকারিতা হারাবেই। যতই বজ্র আঁটুনির চেষ্টা করা হোক না কেন জনগণের সদিচ্ছার বিজয় অনিবার্য। জনগনের উত্থানের সামনে একজন আইয়ুব খান অথবা একজন এরশাদের পরাজয় অবধারিত। সময় কথা বলে। এই সময় টেনে নেবে সেই বাঞ্ছিত পরিণতির লক্ষ্যে।
লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]


আরো সংবাদ