২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

ফরিদপুরে চাঞ্চাল্যকর কেরামত হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরে কেরামত হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাঁসির আদেশ - ছবি : নয়া দিগন্ত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পিকআপ চালক কেরামত হাওলাদার (৩৫) হত্যা মামলার রায়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: সেলিম মিয়া।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাত আসামীর মধ্যে পাঁচজনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রামাণিত হওয়ায় রায়ে আসামীদের সাতজনকেই মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, তোফা মোল্যা (২৬), পলাশ ফকির (৩২), সিদ্দিক খালাসি (৩৬), এরশাদ মাতুব্বর (৩২), সুরুজ ওরফে সিরাজুল খাঁ (২৭), নাইম মাতুব্বর (৩৫), আনু মোল্যা ওরফে আনোয়ার মোল্যা (২৮)।

এদের সবার বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলা চান্দ্রা গ্রামে। এদের মধ্যে নাইম মাতুব্বর ও সুরুজ ওরফে সিরাজুল পলাতক রয়েছে।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) দুলাল চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার উত্তর লোহারদিয়া গ্রামের পিকআপ চালক কেরামত হাওলাদার নিখোঁজ হন। পরদিন ভোরে পার্শ্ববর্তী ছলিলদিয়া দিঘলকান্দা বিলের ভেতর থেকে কেরামতের গলা ও পেট কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর নিহতের ভাই ইকরাম হাওলাদার ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ মোবাইল ফোনের কললিষ্টের সূত্র ধরে তোফা মোল্লাকে আটক করলে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে তার দেয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামীদের পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।

মামলার দীর্ঘ শুনানী ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।


আরো সংবাদ