০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

চিন্তা করা, চিন্তা গড়া

-

চিন্তা শুধু করলে হয় না; চিন্তা গড়তেও হয়। চিন্তা গড়া মানে নিজের মানসিকতাকে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা, যাতে সে চতুর্পাশের সব কিছু থেকে শিক্ষা অর্জন করতে পারে। চতুর্পাশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার মেজাজ ও রুচি এক দিকে যেমন মানুষের চিন্তানৈতিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে, তেমনি মানসিক অবসাদ থেকে তাকে দেয় নিস্তার, প্রতিভাজগৎকে দেয় বিস্তার।
চিন্তাশীল ও চিন্তক মানুষটি হন সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি দিলের জানালার বাইরে দৃষ্টিটা একটু মেলে ধরেন বলেই বাইরের রঙজগৎ তার ভেতরে প্রবেশ করে। তার বুকের অনেকটা জায়গাজুড়ে শুধু রঙ আর রঙ : শাদা, সবুজ, হলুদ, আকাশি। সৎ চিন্তাশীল ব্যক্তির প্রসন্ন চোখ-মুখকে মনে হয় সোনালি যুগের একখানা জলরঙা ছবি। তার স্বপ্নিল চাহনি যেন চাঁদের আসরে গেয়ে উঠে সরস কাহিনীর মধু মধু গান।
প্রত্যেক মানুষকে নিজের চিন্তাশক্তির ব্যাপারে হতে হয় জাগ্রতমস্তিষ্ক। চিন্তাশক্তিকে করতে হয় সর্বোচ্চ শাণিত-তেজ। আর এভাবে ক্রমান্বয়ে তার চিন্তা বিশুদ্ধ হয়, হয় ঋদ্ধ ও পরিপুষ্ট। বিশুদ্ধ চিন্তার ওপরই প্রতিষ্ঠিত হয় সুমহান কর্মের সুউচ্চ প্রাসাদ। চিন্তা শুদ্ধ হলে কর্মের যাত্রা হয় সঠিক ও গন্তব্যমুখী। গন্তব্যমুখী যাত্রাই একমাত্র পথিককে নিয়ে যেতে আখেরি মনজিলের সোনালি সোপানে।
সব সসম্যা প্রথমে সৃষ্টি হয় মানুষের মনে ও মননে। তাই মানুষ চাইলে, তাকে মনের ভেতরেই সমাধি দিতে পারে। তবে এর জন্য দরকার অসাধারণ চিন্তাশক্তি। চিন্তাশক্তি সঞ্চয়ের জন্য দরকার চিন্তার সঠিক শীলন ও অনুশীলন। চিন্তার শুদ্ধি ও সমৃদ্ধির নিক্তিতে মেপেই বলা যায় একজন মানুষ কতটুকু সম্পন্ন, কতটুকু সম্পূর্ণ।
পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ থাকে, রাশি রাশি আবিরের মতো সূর্যসঙ্কাশ চিন্তাশক্তি তাদের। বাজের মতো তীক্ষè দৃষ্টিতে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে চান জীবনগ্রন্থের সবকিছু বা অনেক কিছু। এমন চিন্তাশক্তির চর্চা উদ্দীপনায় চাঙ্গিয়ে তুলতে পারে সমস্ত অন্তরাত্মাÑ নিজের এবং পরের।
চিন্তাগড়া বা সৃষ্টিশীল চিন্তাশক্তির কারণে যে একটি মামুলি বিষয়ও অসাধারণ অনন্যতা পায়, তার জন্য আমি দু’চারটি অণুগল্প ও ইতিহাসখণ্ডের বয়ান দিচ্ছি। একাগ্র-অন্বেষী মন নিয়ে পড়ে দেখুন, কেমন লাগে।
নবীদের প্রজ্ঞাদৃষ্টির একটি দীপ্তিমান দিক হলো, তারা ‘না’কে ‘হ্যাঁ’র মতো করে দেখতে জানেন। কারণ, আল্লাহর এ পৃথিবীতে কোনো বিষয় নিষ্ঠুর পর্যায়ের সম্ভাবনাহীন নয়। সব অসম্ভবের ভেতরও ক্ষীণ সম্ভাব্যতা লুকিয়ে থাকে। লুকিয়ে থাকা জিনিসটা দেখার যে তীক্ষè আলো দরকার, তা নবীদের থাকে পর্যাপ্তরকম। এ জন্যই তারা দেখেন।
মক্কা থেকে তায়েফ যাওয়ার পথে নবীজি সা: একটি দুর্গম সরু পাহাড়ি পথ অতিক্রম করছিলেন। সাথীদের তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এ পথের নাম কী? তারা বললেন, ‘আয-যয়িকাহ’ (অর্থ, মুশকিল)। তিনি বললেন, না না। বরং তার নাম ‘আল-ইউসরা’ (অর্থ সহজ), (সিরাতে ইবনে ইসহাক)।
কী চমৎকার চিন্তাভঙ্গি দেখুন তো! মুহূর্তেই তিনি ‘নেতিকে ইতি’ দিয়ে পরিবর্তন দিলেন। সফর-ক্লান্তির যন্ত্রণাবোধকে ঝরঝরে হালকা করে তোলার জন্য তিনি মিষ্টি চালে বললেন, পথ কিভাবে কঠিন-দুর্গম হয়? মুসাফিরের পথ তো হবে সহজ-ঝরঝরে-সুগম।
শফিক বালখি (মৃত, ১৯৪ হিজরি) ও ইবরাহিম বিন আদহাম (মৃত, ১৬২ হিজরি) ছিলেন সমসাময়িক ব্যক্তি। শফিক বালখি একজন বিখ্যাত দুনিয়াবিমুখ সুফি। ইবরাহিম বিন আদহাম বিশাল বাদশাহী ছেড়ে দরবেশী অবলম্বনকারী একজন বিখ্যাত দৃষ্টান্তব্যক্তিত্ব। বয়সে ও অভিজ্ঞতায় বড় ছিলেন ইবরাহিম বিন আদহাম। অনুজ শফিক বালখি তাকে খুবই শ্রদ্ধা করতেন।
একসময় এক বাণিজ্য সফরে বের হচ্ছিলেন শফিক বালখি। তার আগে একটু সাক্ষাৎ করতে আসলেন অগ্রজ ইবরাহিম বিন আদহামের সাথে। সাক্ষাতের অল্প ক’দিনের মধ্যে বালখিকে মসজিদে দেখতে পেয়ে ইবরাহিম আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করলেন, এত অল্প সময়ে আপনি সফর থেকে ফিরে এলেন? বালখি খুলে বললেন তার দেখা রোমাঞ্চকর ঘটনাটি।
‘কিছুদূর গিয়ে পৌঁছাই যেখানে সেটি ছিল নিতান্ত অনাবাদি জায়গা। জন নেই, প্রাণী নেই। হু হু মরু, খা খা বালিয়াড়ি। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাত নেমে এলো। আমি শিবির স্থাপন করলাম। তখন একটি চড়–ই নজরে পড়ল। খুব দুর্বল, উড়ালশক্তিহীন। তার প্রতি আমার খুব মায়া হলো। চোখ-মন ভিজে এলো হঠাৎই। খুব ভাবলাম, এমন বিরান ভূমিতে এমন দুর্বল চড়–ইটি খাবার কিভাবে পাবে, বাঁচবে কিভাবে? ভাবনার ভাঁজটা চেহারা থেকে মুছে যাওয়ার আগেই দেখি, আরেক চড়–ই এসে উপস্থিত। ঠোঁটে শক্ত করে চেপে আছে কিছু জিনিস। পঙ্গু চড়–ইটির পাশে আসার সাথে সাথেই ঠোঁটের জিনিসগুলো পড়ে গেল টুপ করে। অমনি পঙ্গু চড়–ইটি তা উঠিয়ে খেয়ে নিলো। তার পর উড়ে গেল সুস্থ-শক্তি চড়–ইটি।
এ দৃশ্য দেখে উচ্চৈঃস্বরে আমি বললাম, ‘সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ যদি বিরান ভূমিতে পড়ে থাকা একটি পঙ্গু পাখিকে এভাবে রিজিক দিতে পারেন, তাহলে আমার মতো মানুষ কেন দেশ থেকে দেশান্তরে চষে বেড়াব? এ ভাবনার ভেতর আচ্ছন্ন হয়ে আমি ফিরে এলাম।’
ঘটনা শুনে ইবরাহিম বিন আদহাম বললেন, ‘শফিক! তুমি পঙ্গু পাখির মতো হতে চাইলে কেন? তুমি তো চাইলে সে পাখি হতে পারবে, যে বাহুশক্তি ব্যয় করে নিজেও খায়, অপরকেও খাওয়ায়।’ এ কথা শোনার সাথে সাথে শফিক বালখি ইবরাহিমের হাতে চুমু খেয়ে বললেন, ‘আবু ইসহাক! আপনি আমার চোখের মোটা পর্দা সরিয়ে দিয়েছেন। আপনি যা বলেছেন, তাই সত্য, বিধিবদ্ধ, প্রজ্ঞাময়।’
একই ঘটনা থেকে একজন নিলেন সাহসের সবক, আরেকজন হীনম্মন্যতার। একেই বলে চিন্তার সার, চিন্তার ধার।
আরবি সাহিত্যে হাস্যরসাত্মক গল্পের একটি প্রসিদ্ধ চরিত্র আছেÑ নাম জুহা। তাকে ঘিরে ফাঁদা হয়েছে নানান মজার মজার গল্প। তারই একটা গল্প বলছি, যা আমাদের চিন্তাকে টনটন উত্তেজনায় চাঙ্গা করে তুলবে।
বন্ধুদের মাঝে তর্ক চলছে। বিষয়, পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বস্তু কী? এমন তুঙ্গস্পর্শী তুমুল তর্কে জুহার নীরবতা দেখে বন্ধুরা অবাক! একজন বলল, ‘জুহা! তুমি তো পণ্ডিত মানুষ। বিতর্কিত বিষয়ে তুমি যে কিছুই বলছ না? একটু মুখটা খোলো, দোস্ত!
জুহা নিঃসঙ্কুচে জবাব দিলো, ‘উপদেশকেই আমি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বস্তু মনে করি’। বন্ধুরা এ উত্তর নিয়ে চিন্তা করল। আরেক বন্ধু সকৌতূহলে, ‘তাহলে কোন বস্তুটিকে পৃথিবীতে মূল্যহীন মনে করো তুমি?’ ‘আমি মনে করি, উপদেশই সেই বস্তু, পৃথিবীতে যার এক পয়সারও মূল্য নেই!’
এবার বন্ধুদেরর চেহারায় ফুটে উঠল অনন্য এক বিস্ময়। একজন হেসে জিজ্ঞেস করল, ‘জুহা! এ তুমি নিশ্চয়ই রসিকতা করছো! কিছুক্ষণ আগেই তো বললে, উপদেশই পৃথিবীর সবচেয়ে দামি বস্তু। আর এখন বলছো, এর এক পয়সারও মূল্য নেই। একই বস্তু কিভাবে মূল্যবান ও মূল্যহীন হয়?’
জুহা বলল, বিষয়টি নিয়ে তুমি যদি প্রজ্ঞার সাথে গভীরভাবে ভেবে দেখো, তবে বুঝতে পারবে, আমি রসিকতা করছি না; বরং নিরেট সত্যটাই বলছি।
যখন তুমি কোনো ব্যক্তিকে উপদেশ দেবে এবং সে মতে সে আমল করবে, তখন তোমার উপদেশটা পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান ও দামি বস্তু হবে। আর যদি তুমি কাউকে উপদেশ দিলে কিন্তু সে তা গ্রহণ করল না, তখন সেই উপদেশের এক পয়সারও মূল্য নেই! তাকে উপদেশ দেয়া না দেয়া সমান।
সারবান চিন্তার মাধ্যমে মানুষ এভাবে একটি বস্তুর নানাকৌণিকতা খুঁজে বের করতে পারে। বড় অদ্ভুত উপকারী মানুষের চিন্তার কারিগরি, ভাবনার কারুকাজ!
একজন বলল : সন্ধ্যা নেমে এলো।
আরেকজন বলল : এই তো সকাল ফুটবে।
একজন বলল : আজকের দিনটা পুরাই নষ্ট হয়ে গেল।
আরেকজন বলল : আগামীকাল তো এখনো নষ্ট হয়নি।
সরল ক’টি বাক্যের ভেতর জমা আছে জীবনসাফল্যের অনেক কিছুই। এটাই হলো চিন্তাÑ শিল্পিত চিন্তা। যদি আপনি যেকোনো বিষয় বর্তমানের দৃষ্টিতে দেখেন, তা হলে চোখের সামনে ছোপ ছোপ আঁধারিই দেখবেন। আর যদি সুন্দর আগামীর দৃষ্টিতে দেখেন, তা হলে আকাশে শুধু জ্বলজ্বলে নক্ষত্রই দেখবেন। বেশির ভাগ মানুষের দৃষ্টি থাকে ‘আজ’র ওপর। ফলে আজকের অবস্থা যদি ভালো না যায়, তারা ভেঙে পড়ে। মনে করে, তার জীবনটাই শেষ। হায়-হায় শব্দে বিষাক্ত করে তোলে চতুর্পাশ। কালকে যে উঠে দাঁড়ানোর অবারিত সম্ভাবনা পড়ে আছে, সে দিকে দৃষ্টি যায় না; দৃষ্টির আলোটা নিভে যায়।
জমিন ঘুরছে। ঘুরছে মানুষের জীবন-চাকা। ‘আজ’ গেল। ‘বর্তমান’ও যায় যায়। সম্ভাবনাময় ‘আগামী’ তো আছে। নির্বোধের দৃষ্টি থাকে পেছনের দিকে। বুদ্ধিমানের দৃষ্টি থাকে সামনের দিকে। চিন্তাশীল ব্যক্তি ভাবতে থাকে, সুন্দর-স্বপ্নময় আগামীটা আসুক হাতের মুঠোয়।
বুদ্ধিমানদের ভাবনা সত্যিই অন্যকরম। তাদের ভাবনার ভাঁজে ভাঁজে ছড়িয়ে থাকে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র, বিকাশের ব্যাকরণ
চিন্তাসৌন্দর্যের আরেক দেদীপ্যমান দিগন্ত হলো চিন্তার ইতিবাচকীকরণ। আরেকটু ঝাঁজ দিয়ে বললে নেতিবাচক চিন্তারও ইতিবাচকীকরণ। চিন্তার ইতিবাচকতা উত্তপ্ত রক্তকেও পানি করে দিতে পারে।
একটি গল্পÑ স্বামী বিবেকানন্দ (১৮৬৩-১৯০২) ছিলেন সন্যাসী, দার্শনিক লেখক। সংক্ষেপে তিনি ছিলেন একজন পূজনীয় ব্যক্তি। তার ছিল একজন চতুর খ্রিষ্টান বন্ধু। উভয়ের মাঝে ছিল গভীর সখ্য। জীবনবদলের নানা ব্যাকরণ নিয়ে আলাপ হতো তাদের মাঝে। খ্রিষ্টান বন্ধু একদিন তাকে নিজ বাড়িতে খাবারের নিমন্ত্রণ জানালেন।
স্বামী উপস্থিত হলেন যথাসময়ে। ড্রয়িং রুমে তার বসার ব্যবস্থা হলো। রুমে বইয়ের এক বড় টেবিল। স্তূপ স্তূপ বই। একটি স্তূপ অনেক উঁচুÑ যেন ক্ষুদে হিমালয়ের দৃশ্য। ধর্মীয় বইয়ের স্তূপ সেটি। সেখানে ‘গীতা’ রাখা হয়েছে সবগুলো বইয়ের নিচেÑ যেন অপমানে ঝলসে-দেয়া একটি দগদগে বিদ্রƒপ।
গ্রন্থস্তূপের দিকে ইঙ্গিত করে বিবেকানন্দকে জিজ্ঞাসা করা হলো, বলুন তো এ বিন্যাস আপনার কেমন লাগছে? Ñ জিজ্ঞাসা নয় যেন বিদ্রƒপের বিস্ফোরিত বারুদ। এখন একজন পণ্ডিতের প্রতিক্রিয়া কী হবে বলে আমরা ভাবতে পারি? হতে পারত, মেহমান তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠে বলতেন : আমাকে অপমান করার জন্য বুঝি নেমতন্ন জানিয়েছিলেন। আমার সামনেই নিজ ধর্মগ্রন্থের অপমান করে আমার হৃদয়ে আপনি বিষ ঢেলে দিলেন। এবার মেজবানে-মেহমানে শুরু হতো তুমুল হুঙ্কার, হাতাহাতি বা আরও মারাত্মক কিছু।
কিন্তু বিবেকানন্দ কিছুতেই সেটাকে নেতিবাচকভাবে নেননি। সংযমী বুদ্ধিমত্তার পলিশ দিয়ে পরিস্থিতিকে ঘুরিয়ে দিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে। তিনি একটু মুচকি হেসে শীতল স্বরে বললেন, জি, বন্ধু! ‘ফাউন্ডেশন বড় মজবুত ও মহান হয়েছে।’
কি চমৎকার ইতিবাচকতা দেখুন তো! যে জিনিস নিচে থাকে সেটা ফাউন্ডেশন হয়, ভিত্তি হয়। ভিত্তি বড় ও মজবুত হলেই তো অন্য সবকিছু মজবুত হবে। নিচে রাখাকে তিনি ভিত্তির সাথে উপমায়িত করে তার ধর্মগ্রন্থের মর্যাদাকেই স্ফূরিত করে তুললেন। ফলে যেখানে হঠাৎই ঘৃণার আগুন জ্বলে উঠতে পারত, সেখানে তিনি ইতিবাচকতার মাধ্যমে শীতল পানীয় সৃষ্টি করেছেন।
আমরা বঞ্চনা চাই না; চাই সফলতা। আমরা চাই আলোয় ভরা ভুবন, জোছনায় ভরা আকাশ। চিন্তার সূর্যালোকে স্নাত হলেই আমরা হতে পারি পরিচ্ছন্ন, পরিশুদ্ধ। সাফল্যের গোলাপি সুষমায় ভরে উঠুক আগামীর স্বপ্নভরা জীবন!

 


আরো সংবাদ

২ বছরে শতাধিক ‘এনকাউন্টার’ উত্তর প্রদেশ পুলিশের বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি মজনু, সম্পাদক রিপু আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে হাইর্কোট দেখাচ্ছে : না’গঞ্জ মহানগর যু্বদল ১০ বছর পর পাকিস্তান টেস্ট দলে ফাওয়াদ বিচার মানে প্রতিশোধ নয় : ভারতের প্রধান বিচারপতি আমার কর্মীর গায়ে আচড় দিয়ে ১ ঘণ্টা কেউ আরামে ঘুমাতে পারবে না : শামীম ওসমান অনুপ্রবেশের সময় মহেশপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ আটক ১৫ ইরানের উপর চাপ প্রয়োগ বন্ধে আমেরিকার প্রতি চীনের আহ্বান নিলামে বিক্রি হলো পেলের শেষ জার্সি, দেখে নিন দাম কত ডুবে যাওয়া ছোট বোনকে বাঁচাতে গিয়ে বড় বোনেরও মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ায় আবার দাবানল

সকল