২৩ মার্চ ২০১৯

আমাদের ইজ্জত রাখবেন : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার - সংগৃহীত

চালের দাম স্থিতিশীল রাখার আহবান জানিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে নতুন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চাল ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগ উত্তরবঙ্গের। আমরা দুই মন্ত্রীও (বাণিজ্যমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রী) উত্তরবঙ্গের। তাই আপনাদের কাছে আমাদের দাবি, আপনারা আমাদের ইজ্জত রাখবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার খাদ্য ভবনে চালকল মালিক এবং চাল ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় চালকল মালিকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ অটোমিলার অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী খান, নওগাঁর চাল ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন, ঢাকার বাবুবাজার-বাদামতলী আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী নিজাম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদার বলেন, দেশে বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে ১৩ লাখ ৬০ হাজার টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। কোনো ঘাটতি নেই। এরপরও কেন চালের দাম বাড়ছে আমরা তা জানি না। তিনি বলেন, চালের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী উত্তরবঙ্গের। আমরা দুই মন্ত্রীও (বাণিজ্যমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রী) উত্তরবঙ্গের। তাই উত্তরবঙ্গের ব্যবসায়ীদের কাছে আমাদের দাবি আপনারা আমাদের ইজ্জত রাখবেন। খাদ্যমূল্য স্থিতিশীলতায় আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। এ সময় বিভিন্ন জেলার চাল ব্যবসায়ীরা চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সব ধরনের সহযোগিতানর আশ্বাস দেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা মূল্য বৃদ্ধির নিউজ লেখার আগে আমাদের জানাবেন। আমরা ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করব।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পর্যাপ্ত মজুদও আছে। খাদ্যে কোনো সমস্যা নেই। যদি কোনো অসৎ উদ্দেশ্য না থাকে তাহলে চালের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

লায়েক আলী খান বলেন, মিলগুলোতে চালের দাম বাড়েনি। নির্বাচনের সময় কিছু কিছু জায়গায় চিকন চালের দাম বেড়েছিল। তাও সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা। তবে কোনো মিলে মোটা চালের দাম বাড়েনি।

বেলাল হোসেন জানান, আজকে নওগাঁয় মিনিকেট চাল ৪৭ টাকা ৮০ পয়সা এ চাল ঢাকায় কিভাবে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হয় এটি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচনের কারণে সরবরাহ ঘাটতি থাকায় দুই তিন দিন চালের দাম সামান্য বেড়েছিল। এটি সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা। তবে মোটা চালের কোনো দাম বাড়েনি। বর্তমানে মিলে ৩০ টাকা ৬০ পয়সা দামে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে।

হাজী নিজাম উদ্দিন বলেন, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন কারণে মোটা ও চিকন চালের দাম দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। এখানে দেশে বড় বড় মিল ও আড়তদাররা আছেন। তারা যদি সিদ্ধান্ত নেন চালের দাম আর বাড়াব না, তাহলে আর বাড়বে না। তারা যদি বলেন, এক থেকে দুই টাকা চালের দাম কমবে তাহলে কাল থেকেই কমে যাবে। কারণ সারা দেশে তারাই চাল জোগান দেন।



আরো সংবাদ