১৫ জুলাই ২০১৯
১২ হাজার কোটি টাকার পাচার হওয়ার আশঙ্কা

মোবাইল আমদানিতে বর্ধিত শুল্ক-কর প্রত্যাহারের দাবি

মোবাইল আমদানিতে বর্ধিত শুল্ক-কর প্রত্যাহারের দাবি - সংগৃহীত

প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্টফোন আমদানির ওপর আরোপিত ২৭ শতাংশ বর্ধিত শুল্ক-কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। তাদের দাবি পূরণ না হলে দেশ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান সংগঠনের নেতারা। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু। মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধতন নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

দেশে বর্তমানে ৩ কোটি অবৈধ মোবাইল সেট রয়েছে দাবি করে নিজাম উদ্দিন জিটু বলেন, একটি স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক ৩০০০ টাকা ধরলে শুধু এই অবৈধ মোবাইল সেটের কারণে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। স্মার্টফোন আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে অবৈধ আমদানি আরও বেড়ে যাবে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার অর্থপাচার হতে পারে। এতে সরকার বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হব।

তিনি বলেন, মোবাইল শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ জড়িত। স্মার্টফোন আমদানির ওপর অতিরিক্ত ২৭ শতাংশ করারোপ করলে চাকরিচ্যুত হবে হাজারো মানুষ, অনিশ্চয়তায় পড়বে লাখো পরিবার। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে এ কর আরোপ বন্ধ করার অনুরোধ করেন তিনি। তিনি বলেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক ও কর আরোপের ফলে বাজার অর্থনীতিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। জনগণ মোবাইল ফোন ব্যবহার কমিযয়ে দেবে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও কমে যাবে।


আরো সংবাদ