২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইউজিসির শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রত্যাখ্যান বুয়েট শিক্ষক সমিতির

ইউজিসির শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা প্রত্যাখ্যান বুয়েট শিক্ষক সমিতির - নয়া দিগন্ত

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নীতগতভাবে অনুমোদন দেয়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রণীত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির সংক্রান্ত অভিন্ন নীতিমালার প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষক সমিতি।

বুধবার দুপুরে বুয়েটের মিনারের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

মানববন্ধনে বুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুইশতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করে। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম মাসুদ।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক একেএম মাসুদ বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী এবং বিশেষায়িত বিদ্যালয় হিসেবে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ (বুয়েট, চুয়েট, ডুয়েট, কুয়েট এবং রুয়েট) স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যায়ের প্রচলিত নীতিমালার আলোকেই শিক্ষার মান বজায় রেখে চলেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে ও বিদেশে অত্যন্ত সাফল্য ও সুনামেরর সাথে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের বিভিন্ন ভৌত ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এই বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলছে। বাংলাদেশ সরকারের বড় বড় ভৌত ও অবকাঠমোগত পরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই, নকশা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে সবধরনের কারিগরি সহায়তা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ করে থাকেন যার ফলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাসাশ্রয় হচ্ছে।

অধ্যাপক মাসুদ বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে মেধাবী স্নাতকদের শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশের পথ রুদ্ধ করার যে নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রস্তাব করেছে তা গ্রহণ করা হলে প্রকৌশল শিক্ষার মানের অবনতি ঘটবে বলে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি দৃঢ়ভাবে মনে করে। সেই সাথে পিএইচডি ডিগ্রীধারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এক বছর সক্রিয় শিক্ষকতার যে বিধান রাখা হয়েছে তার ফলে বিদেশে উচ্চ ডিগ্রী অর্জনের পর মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেশে প্রত্যাবর্তনের অনীহা তৈরি হবে।

ইউজিসির নীতিমালার অসাড়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইউজিসি কর্তৃক প্রস্তাবিত এই নীতিমালায় প্রকৌশল শিক্ষার মান উন্নয়নের কোন নির্দেশনা নেই এবং শিক্ষকদের মান মর্যাদা, স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সুবিধার কোন উল্লেখ নাই। এই নীতিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্ত্বশাসনের পরিপন্থী উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথক পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ে বস্তবতা অনুধাবন না করে এবং একটি নতুন নীতিমালায় উপণিত হলে প্রকৌশল শিক্ষার মান এবং বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান উন্নয়ন দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাহত হতে পারে এবং এই নীতিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী। 


আরো সংবাদ

সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলা চলতে বাধা নেই টেকসই উন্নয়নে প্রজনন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে ছাত্রলীগের পর যুবলীগ ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী স্কুল ছাত্রকে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিতের প্রতিবাদে আলেম-উলামাদের মানববন্ধন তিউনিসিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বেন আলীর ইন্তেকাল বিএনপির সাথে ব্রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির বৈঠক গ্রাহকদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো তথ্য সংগ্রহ করছে ব্যাংকগুলো আদালতে বোরকা পরিহিত মিন্নির ছবি তোলা ব্যক্তি কে? কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটেই হলো ছাত্রদলের নেতৃত্ব নির্বাচন উন্নয়নের নামে মানুষকে বিপথগামী করা হয়েছে : ড. মঈন খান ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় সময় এসেছে বৃষ্টির পানি ব্যবহারের

সকল