২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ির সমাপনী পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ির সমাপনী পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি - ছবি : নয়া দিগন্ত

পঞ্চম শ্রেণীর সমমানের মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা আগামী বছর থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হচ্ছে না। এ ব্যাপারে তাদের অপারগতার কথা জানিয়ে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। প্রাথমিকের সচিব আকরাম আল হোসেন গতকাল নয়া দিগন্তকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকের পক্ষ থেকে বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মাদরাসা বোর্ড ইবতেদায়ি পরীক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সাথে সমন্বয় করেছে।

আগামীতে তাদের অধীনেই এ পরীক্ষা হতে পারে। এ ব্যাপারে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ গতকাল সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে বলেন, মন্ত্রণালয় আদেশ দিলে পরীক্ষার আয়োজনে কোনো সমস্যা হবে না। তবে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা বা আদেশ দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, যেকোনো পাবলিক পরীক্ষা বা বড় পরীক্ষা আয়োজনের ব্যাপারে বোর্ডগুলোর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। ফলে এ নিয়ে কোনো শঙ্কা বা দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পেয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে এবং মাদরাসা বোর্ডকে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে চিঠি দেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) ও মাদরাসা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা ২০১০ সাল হতে চালু হয়। ২০১১ সাল থেকে ইবতেদায়ি পরীক্ষার গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল ও পরীক্ষার সময় আধা ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। এ পরীক্ষাটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) আয়োজন করে থাকে। পাশাপাশি ফলাফলের ভিত্তিতে সারা দেশে ইবতেদায়ির খুদে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে মাদরাসা বোর্ড। পরীক্ষার আয়োজন ছাড়া ডিপিইর কোনো ভূমিকাই নেই। ইবতেদায়িতে প্রতি বছর তিন লক্ষাধিক শিশু পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকে। এ শিশুদের পরীক্ষার আয়োজনকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয তাদের জন্য বাড়তি চাপ বলে মনে করছে। কারণ পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে প্রতি বছর শিক্ষার্থী বাড়ছে। গত বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ১২৩ জন। এর মধ্যে প্রাথমিকে ২৭ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫৮ জন এবং ইবতেদায়িতে তিন লাখ ১৯ হাজার ৪৭৩ জন ছিল। দেশের যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় এত বিপুল পরিমাণে শিক্ষার্থী নেই। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রাথমিকের কোনো বোর্ড নেই। ডিপিইর অধীনে এটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

সূত্র জানায়, ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় করে থাকে। এ বোর্ড শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। তাই তাদের অধীনে পরীক্ষার আয়োজন করা যেতে পারে। সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বেসরকারি ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। তাদের পাঠ্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং করছে মাদারাসা বোর্ড।


আরো সংবাদ

সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলা চলতে বাধা নেই টেকসই উন্নয়নে প্রজনন স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে ছাত্রলীগের পর যুবলীগ ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী স্কুল ছাত্রকে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিতের প্রতিবাদে আলেম-উলামাদের মানববন্ধন তিউনিসিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বেন আলীর ইন্তেকাল বিএনপির সাথে ব্রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির বৈঠক গ্রাহকদের কাছ থেকে ইচ্ছেমতো তথ্য সংগ্রহ করছে ব্যাংকগুলো আদালতে বোরকা পরিহিত মিন্নির ছবি তোলা ব্যক্তি কে? কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটেই হলো ছাত্রদলের নেতৃত্ব নির্বাচন উন্নয়নের নামে মানুষকে বিপথগামী করা হয়েছে : ড. মঈন খান ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় সময় এসেছে বৃষ্টির পানি ব্যবহারের

সকল