১২ ডিসেম্বর ২০১৯

ইবির ‘এ’ ইউনিটের ফলাফলে অসঙ্গতি, চ্যালেঞ্জ করে মেধা তালিকায় অষ্টম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফলাফলে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। প্রথম প্রকাশিত ফলাফলে অকৃতকার্য হলেও পরবর্তীতে চ্যালেঞ্জ করে মেধাতালিকায় ৮ম হয়েছেন মুহম্মদ আবু সাঈদ নামের এক ভর্তিচ্ছু। এছাড়া ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে আরো দুইজন। ইউনিট সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. লোকমান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র মতে, গত ৪ নভেম্বর ধর্মতত্ত্ব ও ইসলাম শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১২ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ভিসি প্রফেসর ড. মো: হারুন-উর-রশিদ আসকারীর নিকট ফলাফল হস্থান্তর করেন ইউনিট সমন্বকারী। ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর আবু সাঈদ নামের এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ‘ইসলামী ইউনিভার্সিটি এডমিশন হেল্পলাইন’ নামক ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘বড় ভাইদের কাছে সাহায্য চাচ্ছি। আমি এমসিকিউ তে ৪৫.৫ পেয়েছি কিন্তু লিখিততে ০ পেয়েছি। অথচ আমার হিসাব অনুযায়ী অন্তত ১০ পাওয়ার কথা যদিও ১৪ টি উত্তর নিশ্চিত। কি জন্য লিখিততে ০ আসতে পারে। এর কি কোন সমাধান আছে?’

পরবর্তীতে বিশ^বিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে ইউনিট সমন্বয়কারীকে বিষয়টি জানানো হয়। পুনরায় ফলাফল সংশোধন করে প্রকাশ করা হলে লিখিত পরীক্ষায় ১০ পেয়ে মেধাতলিকায় ৮ম হয় ওই শিক্ষার্থী। সংশোধিত ফলাফলে মেধাতালিকায় স্থান পায় আরো দুই শিক্ষার্থী।

ফল পুনরায় প্রকাশের পর সকল পরীক্ষার্থীদের কাছে ১৩ নভেম্বর সংশোধিত মেধাক্রম অনুযায়ী ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়। এতে করে অধিকাংশের মেধাক্রম পূর্বের প্রকাশিত মেধা তালিকার থেকে দুই বা তিন ধাপ করে পিছিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘এ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. লোকমান হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিকদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর আমরা পুনরায় সকল খাতা মূল্যায়ন করি। পরে সংশোধিত রেজাল্টে মুহম্মদ আবু সাঈদসহ তিনজনের ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং তাদেরকে মেধা তালিকায় যোগ করা হয়েছে। বিষয়টি টেকনিক্যাল ভুল ছিল। সবাইকে পুনরায় ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে তাদের মেধাক্রম জানিয়ে দেয়া হয়েছে।’


আরো সংবাদ