২৩ আগস্ট ২০১৯

শোবিজের ৪ বছর : যে কথা হয়নি বলা

-

শোবিজে আসার চার বছর হলো গতকাল। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম এফ কিউ পিটারের দ্য হিরো টেলিফিল্মে শক্তিমান অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিমের সাথে। এই চার বছরে শোবিজে আমি শুধু অভিনয়ই করেছি। সে জন্যই শখের অভিনয় এক সময় পরিণত হয়েছে আমার দ্বিতীয় কাজে। আর তাই এখন আমি বলতে পারি, অভিনয় হচ্ছে আমার ফ্যাশন। এই চার বছরে আমি একটাও নাটক, টেলিফিল্ম বা মিউজিক ভিডিও প্রযোজনা করিনি। কারণ আমি প্রডিউসার নই। আমি শুধুই একজন অভিনয় শিল্পী। প্রডিউস করা আমার কাজ নয়। ব্যক্তিগত জীবনে আমি একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান। আর তাই শোবিজে অনেক সময় অনেকেই অনুরোধ করেছেন স্পন্সর করার জন্য। কিন্তু নীতিগত কারণে আমি সেটাও করিনি কখনো। তার পরও অনেকের ধারণা, আমি একজন প্রডিউসার। অনেক কাজ প্রডিউস করেছি এই চার বছরে। বিশেষ করে প্রিয় বন্ধু আর নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর সব টিভি কাজের আমি একমাত্র প্রডিউসার। আশা করি, এই লেখাটা পড়ে অনেকের সেই ভুল ভাঙবে। আমি অনেক কৃতজ্ঞ টেলিহোম, সালভি টেলিফিল্ম, আলফা আই, পথিক, দৃষ্টিদ্বীপ, জারা ক্রিয়েশন্স, ১৯৫২ এন্টারটেইনমেন্ট, বাণীচিত্র, ফ্যাক্টর থ্রি সলিউশন্সের মতো অনেক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কাছে যাদের প্রযোজনায় এই চার বছরে আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি শোবিজে। শিল্পী চন্দন সিনহা আর এটিএন বাংলার কর্নেল মীর মোতাহার হাসানকে ২০১৫ সালের প্রথম দিকে একদিন বলেছিলাম আমার শখের কথা। অভিনয় করতে চাই। আমার কথা শুনে তারা পরিচয় করিয়ে দিলেন দেশের কয়েকজন গুণী নির্মাতার সাথে। তাদেরই একজন ছিলেন চয়নিকা চৌধুরী। আমার এই চার বছরের অভিনয় জীবনে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি তার। ২০১৬ সালের রোজার ঈদে প্রথম তার পরিচালনায় অভিনয় শুরু করি শেষের পরে নাটকে। তারপর গত চার বছরে অনেক গুণী নির্মাতার পরিচালনায় অভিনয় করেছি। চয়নিকা চৌধুরীসহ ৪৩ জন গুণী নির্মাতার পরিচালনায় কাজ করেছি ১১৯টি সিঙ্গেল নাটক বা টেলিফিল্মে, ১৪টি ধারাবাহিকে, দুটি মিউজিক ভিডিওতে, একটি চলচ্চিত্রে আর ১৬টি বিজ্ঞাপনে।


আরো সংবাদ