১৯ আগস্ট ২০১৯

ইরানে দুই কোটি বিনিয়োগে ছয় কোটি আসে : অনন্ত জলিল

-

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই হলিউড-বলিউডের খ্যাতিমান তারকাদের সাথে নিজের তুলনা করে আলোচনায় আসা অনন্ত জলিল এখন নতুন মিশন নিয়ে এগোচ্ছেন। তার ভাষায় দেশের মৃতপ্রায় চলচ্চিত্র বাজারে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে নতুন উদ্যোগের বিকল্প নেই। এ কারণেই ইরানের সাথে যৌথ প্রযোজনার ছবিতে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বুধবার রাতে অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমাদের চলচ্চিত্র বাজারে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে হলে আন্তর্জাতিকভাবে নেটওয়ার্ক বাড়াতে হবে। যাদের সাথে কাজ করলে আমরা লাভবান হবো, তাদের সাথে কাজের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। দেশে এখন যৌথ প্রযোজনার সিনেমা বলতেই কলকাতার সাথে মিলেমিশে সিনেমা করাকে বোঝায়। এই চিন্তা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। যারা এ অবস্থার উত্তরণ চায়, তাদের উৎসাহ দিতে হবে। তবেই দেশের চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরে আসবে।’ বর্তমানে তিনি ইরানের সাথে যৌথ প্রযোজনায় ‘দ্বীন-দ্য ডে’ নামের একটি ছবি করছেন। এই ছবির অনুমোদন নিতে গিয়ে তার অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে উল্লেখ করে অনন্ত বলেন, ‘আমি বিএফডিসিতে দুই দফা মিটিং করেও এই ছবির অনুমোদন পাচ্ছিলাম না। একপর্যায়ে ইরান থেকে ২০ জনের একটি টিম বাংলাদেশে এসে দুই সপ্তাহ থেকে আবার ফিরে গেছে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়েই। পরে প্রযোজক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু এবং পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ভাইয়ের সহযোগিতায় আমি ছবিটি করার অনুমতি পাই। আমরা প্রশ্ন হলো, একটা ভালো কাজ করতে হলে, এত বাধা কেন অতিক্রম করতে হবে?’ ইরানের সাথে যৌথ প্রযোজনার ছবিতে বিনিয়োগে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি লাভ উল্লেখ করে অনন্ত বলেন, ‘ইরানের বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে সিনেমা। ওখানে ফেসবুক-ইউটিউবের কোনো অনুমোদন নেই। তাই সিনেমা দেখতে হলে প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ওই দেশের হিসাব অনুযায়ী, ইরানে সাত হাজার প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে। তাই যেকোনো মানের ছবিই বিনিয়োগকৃত অর্থের দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ব্যবসা করতে পারে। আমাদের দেশীয় সিনেমায় এখন টাকা লগ্নি করলে ফেরত আসবে কি না সেই শঙ্কায় থাকতে হয়।


আরো সংবাদ