২৩ অক্টোবর ২০১৯

দর্শক প্রিয় জাহিদ

-

একজন অভিনেতা হিসেবে জাহিদ হাসানের শৈল্পিক অভিনয়ের দৈর্ঘ্য প্রস্থ দেশীয় টিভি দর্শকদের ভালো করেই জানা। চরিত্রের নানা ভাঙা-গড়ার মাঝেই এই অভিনেতা নিজেকে প্রকাশ করছেন কখনো নিজের ইচ্ছে মতো, কখনো বা পরিচালকের নির্দেশনায়। অভিনয়ের আগুন দিয়ে দর্শকদের মনটাকে অঙ্গার করার পাশাপাশি বেশ কয়েক বছর ধরে পরিচালক হিসেবেও তাদের হƒদয় বাতায়নে দিয়ে যাচ্ছেন মৃদুমন্দ আনন্দ হাওয়া। গেলো শুক্রবার মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘সাপলুডু’তে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন নন্দিত এই অভিনেতা। এর আগেও তিনি তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘হালদা’ সিনেমাতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন। জাহিদ হাসান অভিনয়ে সবসময়ই নিজেকে অনেকটাই ভিন্ন পথে চলার চেষ্টা করেছেন। হোক তা টিভি নাটকে কিংবা সিনেমায়। যার কারণে বহুমাত্রিক চরিত্রে তার উপস্থিতি দর্শককে মুগ্ধ করেছে সবসময়ই। জাহিদ হাসান এখন যতই পরিচালনায় ব্যস্ত থাকুন না কেন, তার পরিচালক পরিচিতিটা বরাবরই অভিনেতা পরিচয়ের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে। দর্শকদের কাছে অভিনেতা জাহিদেরই কদর বেশি। আপনি কোনটাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন? জাহিদ হাসান বলেন, ‘পরিচালনাটা সব সময়ই আমার কাছে শখের কাজ। আমার পরিচয় আমি অভিনেতা। আমাদের নায়করাজ রাজ্জাক, আলমগীরÑ তারা যতই পরিচালনা করুন না কেন, তাদের বড় পরিচয় তারা অভিনেতা। তেমনি আমিও তাই। নিজের একান্ত শখের কাজ হিসেবে আমি মাঝে মধ্যে পরিচালনার কাজটি করি। তবে এটা ভাবার অবকাশ নেই যে, শখের কাজ বলে আমি এ কাজে অভিনয়ের মতো সিরিয়াস না। অভিনয়টা আমার কাছে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, একইরকম পরিচালনাটাও।’ ‘জাহিদ হাসান প্রথম আব্দুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘বলবান’ সিনেমাতে অভিনয় করেন। আলিমুজ্জামান প্রযোজিত ‘জীবন যেমন’ ছিল তার প্রথম টিভি নাটক। তবে ‘বলবানে’র মুক্তির প্রায় আট বছর পর মজিবুর রহমান কবির ‘জীবন সঙ্গী’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন প্রয়াত নায়িকা শ্যামা। এরপর ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘বিহঙ্গ’, ‘শঙ্খনাদ’, ‘ঝন্টু মন্টু দুই ভাই’, ‘আমার আছে জল’, ‘প্রজাপতি’, ‘হালদা’সহ আরো বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’-এ অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। মুক্তির অপেক্ষায় আছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘শনিবারের বিকেল’ ও আশীষ রায়ের ‘সেঁতারা’ সিনেমা দু’টি।

 


আরো সংবাদ