২২ জানুয়ারি ২০২০

সাত বছর র্যাম্পে আলিফ প্রস্তুতি সিনেমার জন্য

-

১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর একজন র্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেছেন আলিফ চৌধুরী। কিন্তু পরবর্তীতে গত সাত বছর তিনি টিভি নাটকে অভিনয়ে সময় দিয়েছেন সবচেয়ে বেশি। যে কারণে তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে বেশ ক’টি ভালো নাটকও জমা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে আলিফ তার নিজের শরীর থেকে ১৫ কেজিরও বেশি ওজন কমিয়েছেন। শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ক্যামেরার সামনে আরো বেশি স্মার্ট এবং মানানসই বিধায় স্যাটেলাইট চ্যানেলে আরটিভি থেকে তিনি একটি রিয়েলিটি শোর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে র্যাম্পে হাঁটার প্রস্তাব পান। সাত বছর পর কোনো অনুষ্ঠানে র্যাম্পে হাঁটার প্রস্তাব পেয়ে রাজি হয়ে যান আলিফ। গত ৬ ডিসেম্বর আরটিভিতে প্রচার হলো শিবলী জিয়া প্রযোজিত ‘ক্যাম্পাস স্টার’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। সেখানেই আলিফ বুলবুল টুম্পার কোরিওগ্রাফিতে একজন র্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেন। দীর্ঘ সাত বছর পর র্যাম্পে হেঁটে আলিফ ছিলেন বেশ উচ্ছ্বসিত। আলিফ চৌধুরী বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর র্যাম্পে হাঁটার অনুভূতিটা আসলে অন্যরকম। নাটকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যারা মঞ্চ থেকে টিভি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করেন, তারা যখন মঞ্চে আবারো কাজ করার সুযোগ পান, তখন নিজের মধ্যে ভীষণ এক ভালোলাগা খুঁজে পান। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। র্যাম্পে হাঁটার জন্য যে সার্প লুক দরকার সেই লুকটা তৈরি করেছি আমি। র্যাম্পে হাঁটার পর ভীষণ ভালো লেগেছে আমার, মনে হয়েছিল নিজেকে নতুন করে ফিরে পেলাম বহুদিন পর। ধন্যবাদ শিবলী জিয়াসহ আরটিভির সবাইকে। ধন্যবাদ আমার বন্ধু বুলবুল টুম্পাকে।’ র্যাম্পে আলিফ চৌধুরীর গুরু বিশ^খ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল। ১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আলিফ চৌধুরী দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের এবং বাংলাদেশের বাইরের খ্যাতনামা ফ্যাশন ডিজাইনার ও কোরিগ্রাফারের নির্দেশনায় একজন র্যাম্প মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। তবে গত সাত বছর টিভি নাটকে নিয়মিত সময় দিলেও এখন আলিফের লক্ষ্য ভালো গল্পের সিনেমায় অভিনয় করা। সেই লক্ষ্যেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি। ২০১৮ সালে শিহাব শাহীনের নির্দেশনায় ‘তুমি যদি বলো’ নাটকে মেহজাবিন চৌধুরীর বড় ভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হন তিনি। গত আগস্টে সকাল আহমেদ পরিচালিত ‘ঘরকা মুরগি ডাল বরাবর’ নাটকে অভিনয় করেও বেশ আলোচনায় আসেন তিনি।
ছবি : আলিফ হোসেন রিফাত


আরো সংবাদ