২২ জানুয়ারি ২০২০

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পুতুলের গান

-

শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও নন্দিত উপস্থাপক পুতুলকে বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের দু’টি অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করতে দেখা যাবে। এরই মধ্যে গতকাল পুতুল তিমির নন্দীর উপস্থাপনায় ‘হৃদি কল্লোল’ অনুষ্ঠানে দু’টি দেশাত্মবোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নিয়েছেন। গান দু’টির একটি হচ্ছে বিপুল ভট্টাচার্য্যরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান ‘এই না বাংলাদেশের গান’ এবং অন্যটি হচ্ছে মৌসুমী ভৌমিকের ‘যশোহর রোড’। আগামী বিজয় দিবসে বিটিভিতে প্রচার হবে। আগামীকাল পুতুল মাহবুবা ফেরদৌসের প্রযোজনায় বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের দেশাত্মবোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নেবেন পুতুল। এই গানও বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হবে। দেশের গান গাইতে সব সময়ই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন পুতুল। পুতুল বলেন, ‘আমার সৌভাগ্য যে, নানানভাবে বেশ ক’টি দেশের মৌলিক গান আমার করা হয়েছে। যে গানগুলোর জন্য আমি সব সময়ই বেশ ভালো সাড়া পেয়ে থাকি। দেশের গান গাওয়ার মধ্যে এক অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করে। এখন পর্যন্ত আমি আট-দশটি দেশের গান গেয়েছি। এটি আমার জন্য সত্যিই এক অন্যরকম ভালো লাগা। গানগুলোর সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’ লুৎফর হাসানের লেখা ও সুর করা দেশাত্মবোধক গান ‘ও আমার শাপলা ফোটা ঝিলের জলের ঢেউ’ গানটির জন্য যেমন প্রতিনিয়ত সাড়া পান পুতুল, ঠিক তেমনি মোহাম্মদ রফিক উজ জামানের লেখা ও অনুপ ভট্টাচার্য্যরে সুরে ‘বিজয় মানে তো জনতার কাছে আসা’ গানটির জন্যও বেশ সাড়া পান তিনি।
এদিকে এরই মধ্যে ইউটিউব প্রকাশিত হয়েছে রাজন সাহার সুরে ও মাহতাব হোসেনের লেখা ‘চোখের কোণে জল’ গানটি। আগামী ১২ ডিসেম্বর জামাল হোসেনের লেখা ও হৃদয় হাসিনের সুরে ‘হতাম যদি আমি একটা নদী’ গানটির মিউজিক ভিডিওর শুটিং সম্পন্ন হবে। গান পুতুলের পেশা আর লেখালেখি পুতুলের নেশা। যে কারণে আগামী বইমেলায় যথারীতি তার নতুন উপন্যাস আসছে। তবে উপন্যাসের নামকরণ করা হয়নি এখনো। এই সময়ে পুতুলকে উপস্থাপনায় দেখা যাচ্ছে না বললেই চলে। পুতুল বলেন, ‘সঙ্গীত-বিষয়ক অনুষ্ঠানে যদি নতুনত্ব আসে কিংবা চ্যানেলেগুলো যদি নতুন আঙ্গিকে কিছু করার চিন্তা করে, তাহলেই হয়তো উপস্থাপনায় আবার নিয়মিত হবো।’ এরই মধ্যে পুতুল কণা চৌধুরীর লেখা নতুন দু’টি গান ‘ঝুম বৃষ্টিতে’ ও ‘কফির চুমুকে’তে কণ্ঠ দিয়েছেন।

 


আরো সংবাদ