১৯ জুলাই ২০১৯
বরগুনায় রিফাত হত্যা

তিন দিনের রিমান্ডে স্কুলছাত্র রাতুল

-

বরগুনায় দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে রাতুল সিকদার নামে এক স্কুলছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে রাতুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানালেও তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি পুলিশ। রাতুল বরগুনার কলেজ রোড এলাকার একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র।
রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া রাতুলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো: সিরাজুল ইসলাম গাজী রাতুলের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, রাতুলকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। পরে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাতুলকে নিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়। এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ সাত আসামি হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে।
গত ৯ জুলাই বুধবার সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাব্বি রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। এর আগে গত ১ জুলাই এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মো: অলিউল্লাহ অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর একই আদালতে স্বেচ্ছায় রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেয়। এরপর গত ৪ জুলাই ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মো: হাসানও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। ৫ জুলাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মো: সাগর ও নাজমুল হাসান।
এ দিকে এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার সকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রামদা উদ্ধার করে পুলিশ। নয়ন বন্ডের সাথে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পুলিশের দায়ের করা দু’টি মামলায় রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এ মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন অভিযুক্ত আরিয়ান শ্রাবণ পাঁচ দিনের ও সাইমুন তিন দিনের রিমান্ডে রয়েছে।


আরো সংবাদ