১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মিয়ানমারের সংবাদপত্রে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

-

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২২ আগস্ট ব্যাপক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। প্রত্যাবাসন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তুতি থাকলেও রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের কারণে দ্বিতীয় দফার এ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও সফল হয়নি। প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ার খবর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ছাপানো হয়েছে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যমগুলোতেও। ইংরেজি কিংবা স্থানীয় ভাষায় প্রকাশিত এসব সংবাদ মাধ্যমে অবশ্য একই ধরনের গুরুত্ব পায়নি এ সংবাদটি। কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এটিকে গুরুত্বের সাথে প্রথম পাতায় প্রকাশ করলেও অনেক পত্রিকাই এটিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।
দ্য ইরাবতি পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত প্রথম প্রতিবেদনটিই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে। সংবাদটির শিরোনাম করা হয়েছে, ‘নো রোহিঙ্গা রিটার্ন টু মিয়ানমার অন ঢাকা'স অফিসিয়াল রিপ্যাট্রিয়েশন ডেট’ বা ঢাকার নির্ধারিত প্রত্যাবাসনের দিনে মিয়ানমারে আসেনি কোনো রোহিঙ্গা। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করতে রাখাইনের সিত্তেতে রয়েছেন দেশটির সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক ইউনিয়ন মিনিস্টার ইউ উইন মিয়াত আয়ি। তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার এখনো কোনো খবর পাইনি আমরা। তবে বিষয়টি দেখছি।’
অনলাইন পাতার কিছুটা নিচের দিকে আরো একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে রোহিঙ্গা বিষয়ে। যেখানে মিয়ানমার সফররত চীনের রাষ্ট্রদূতের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলায় নেপিদোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে বেইজিং।
মিয়ানমারের আরেকটি দৈনিক দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার পত্রিকার ২৩ আগস্টের প্রিন্ট সংস্করণের প্রথম পাতায় কোথাও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের খবরটি ছাপানো হয়নি। বরং রোহিঙ্গা সম্পর্কিত খবর স্থান পেয়েছে পত্রিকাটির তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পাতায়। তৃতীয় পাতায় মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি ছাপানো হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে যে, গত ১৯ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সব প্রস্তুতি নেয়ার খবরের পর রোহিঙ্গাদের গ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মিয়ানমারও। তবে ২২ আগস্ট রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের খবর ছাপা হয়েছে আলাদা করে। প্রথম পাতায় স্থান না পেলেও চতুর্থ পাতায় প্রত্যাবাসনের খবর ছেপেছে পত্রিকাটি। প্রত্যাবাসনের দিন অর্থাৎ ২২ আগস্ট ঘোষণা থাকলেও কোনো রোহিঙ্গা আসেনি বলে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যার শিরোনাম করা হয়েছে, ‘মিয়ানমার রেডি ফর রিপ্যাট্রিয়েশন, বাট নো রিটার্নিজ ইয়েট’ অর্থাৎ মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য তৈরি থাকলেও কোনো রোহিঙ্গা এখনো আসেনি।
মিয়ানমারের আরেকটি দৈনিক মিয়ানমার নিউজ ডট নেট তাদের অনলাইনের প্রথম পাতার প্রথম খবরটি প্রকাশ করেছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে। তবে এর সংবাদের বিষয় বস্তু কিছুটা পুরনো। প্রত্যাবাসনের খবরে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে বুধবার বিক্ষোভ হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এ খবরে। প্রত্যাবাসনের দিনে রোহিঙ্গাদের ফেরত না যাওয়ার খবরও এসেছে এ সংবাদ মাধ্যমে।
মিয়ানমার টাইমস ইংরেজির পাশাপাশি স্থানীয় ভাষায়ও প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত অনলাইন সংস্করণের প্রথম পাতায় বামে কোণার দিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে। পত্রিকার বার্মিজ ভার্সনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে খবরকে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়নি।


আরো সংবাদ

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে পোস্টার লাগালেন রিজভী মেসির ছোঁয়ায় দ্যুতি ছড়াচ্ছেন সেই আনসো থানায় সেবা নিতে যাওয়া কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় : নতুন ডিএমপি কমিশনার আজ আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ দেশের চলমান দুর্নীতির মহড়া ভোটবিহীন নির্বাচনের ফসল : চরমোনাই পীর শহর ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হচ্ছে ইঞ্জিনের রিকশা চলাচল রাব্বানীর বিরুদ্ধে এবার জবি ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাতচক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার কাশ্মিরের মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ মিছিল সাভারে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা গুপ্তচর কবুতর, কাক আর ডলফিনের কথা শুনেছেন?

সকল