১৮ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি রয়েছে দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

-

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. মো: এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে গঠন করা হয়েছে মনিটরিং সেল। এই সেল থেকে ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলাপর্যায়েও মনিটরিং করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় যখন যা দরকার তাই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তা ছাড়া ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। জেলা-উপজেলাপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, খুলনা ও বরিশালের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। এসব এলাকা থেকে এখনো ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতে যেকোনো সময় আঘাত হানতে পারে । খুলনা ও বরিশালের সাতটি জেলাকে ঘূর্ণিঝড়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বরগুনা ও পিরোজপুরের কিছু কিছু এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এখন ৪ নম্বর সঙ্কেত এ আছে। তবে ৫, ৬ ও ৭ হলেই রেসকিউ শুরু হবে। আমরা আশা করছি আজ বেলা ১১টা থেকে দুই বিভাগের সাত জেলার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে পারব। এরই মধ্যে সাইক্লোন শেল্টারসহ উপকূলের আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি সাইক্লোন শেল্টারে দুই হাজার প্যাকেট করে শুকনো খাবার ও নগদ পাঁচ লাখ করে টাকা পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় করণীয় ঠিক করা হয়। সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়েও আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামালসহ আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ