২৪ আগস্ট ২০১৯

নেইমারকে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: মেসি

প্যারিস ছেড়ে পুরোনো ঠিকানা বার্সেলোনায় ফিরতে মরিয়া নেইমার। কিন্তু নেইমার চাইলেই তো আর হবে না। যে প্রক্রিয়ায় তিনি কাতালানদের ছেড়ে এসেছেন, তা এতো সহজে ঠিক হওয়ার নয় এটি নেইমার নিজেও জানেন। কিন্তু তার যে আর তর সইছে না। তাহলে উপায়? উপায়টা বাতলে দিলেন তার সাবেক বার্সা সতীর্থ ও বন্ধু লিওনেল মেসি।

এই গ্রীষ্মে স্কোয়াডে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে চলেছে বার্সেলোনা। এর মধ্যে একজন লেফট উইঙ্গার তাদের বিশেষ প্রয়োজন। এর কারণও নেইমার। দুই মৌসুম আগে নেইমারের বার্সা ছেড়ে পিএসজিতে পাড়ি দেওয়ার পর থেকেই তার বিকল্প খুঁজতে শুরু করে কাতালান জায়ান্টরা। এজন্য ১৪২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তারা নেইমারের স্বদেশি ফিলিপ্পে কৌতিনহোকে লিভারপুল থেকে কিনে নেয়। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

নেইমারের বিকল্প হিসেবে কৌতিনহো ছাড়াও উসমানে দেম্বেলেকেও সুযোগ দিয়ে দেখেছে বার্সা। দারুণ প্রতিভাবান এই খেলোয়াড়ও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ। দল এখনও সেই মেসিনির্ভর রয়ে গেছে। এসব মিলিয়েই ফের নেইমারের দিকে হাত বাড়াতে চলেছে বার্সেলোনা। ওদিকে নেইমারের বর্তমান ক্লাব পিএসজিও নেইমারকে নিয়ে চরম বিরক্ত। তাকে যে লক্ষ্য নিয়ে ২২০ মিলিয়ন ইউরোতে কিনেছিল কাতারি মালিকানাধীন ক্লাবটি তার কোনোটাই পূরণ হয়নি।

কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর নেইমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল মেসির। সেই সাক্ষাতেই নেইমারের ক্যাম্প ন্যু’য়ে ফেরা নিয়ে কথা হয় দু’জনের। সেখানেই মেসির কাছে ফেরার ব্যাপারে সহযোগিতা চান নেইমার। বিনিময়ে শান্তিপূর্ণভাবে স্পেনে ফেরার উপায় নিয়ে নেইমারকে বিনামূল্যে কয়েকটি উপদেশ দেন মেসি।

‘দিয়ারিও গোল’র রিপোর্ট অনুযায়ী, নেইমারকে দেওয়া মেসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হচ্ছে তাকে অবশ্যই বার্সা সমর্থক এবং কর্মকর্তাদের কাছে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত বার্সেলোনার প্রতিনিধিরা যখন প্যারিসে চুক্তি নিয়ে কথা বলতে যাবেন, তখন নেইমারকে অবশ্যই সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাড়তি কোনো চাহিদার কথা বলা যাবে না। নেইমার অবশ্য তেমন অবস্থানে নেই। মেসি নিজেও নাকি নেইমারকে দলে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জনসম্মুখে বিবৃতি দিতে চান।

এদিকে কিছুদিন আগেই বার্সার ভাইস-প্রেসিডেন্ট জর্দি মেস্ত্রি নেইমার সংক্রান্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর তার পদত্যাগের ঘটনা অবশ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, বার্সা অফিসে কিছু গণ্ডগোল নিশ্চয়ই চলছে।


আরো সংবাদ