১৫ নভেম্বর ২০১৯

স্বা স্থ্য ত থ্য

-

মোবাইল ফোনে
চোখের ক্যান্সার!
মোবাইল ফোনের ব্যাপক জনপ্রিয়তার মধ্যে ব্রেইন ক্যান্সারের পর আরেকটি দুঃসংবাদ নিয়ে এলেন জার্মান বিজ্ঞানীরা। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে ইউভিয়াল মেলানোমা নামে এক ধরনের চোখের ক্যান্সার হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা। গবেষকরা ১১৮ জন চোখের ক্যান্সার রোগীর ইতিহাসে সেলুলার ফোনের প্রভাব খুঁজে পেয়েছেন। উঁচু মাত্রার রেডিয়েশন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার তৈরি করতে পারে। সেলুলার ফোন যে মাত্রার রেডিয়েশন ছড়ায় তা খুবই নি¤œমাত্রার। এই মাত্রার রেডিয়েশন চোখের ক্যান্সার তৈরিতে কতটুকু দায়ী তা প্রমাণের জন্য আরো গবেষণা প্রয়োজন। তবুও বিপদ এড়াতে দীর্ঘ অ্যান্টেনাসহ মোবাইল ফোন ব্যবহার করার উপদেশ দেয়া হয়েছে। মোবাইলের সাথে ইয়ারফোন লাগিয়ে সাইড ব্যাগে বা পকেটে সেটা রাখলেও এ সমস্যা থেকে দূরে থাকা যেতে পারে।
ইনসুলিন ইনহেলার
ইনসুলিন নিয়ে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা যারা করছেন তাদের জন্য সুখবর। ইনজেকশনের ব্যথা আর সইতে হবে না। সাথে সিরিঞ্জ বা ইনসুলিন অ্যাম্পুলও নিতে হবে না। হাঁপানিতে ব্যবহৃত ইনহেলারের মতো ইনসুলিনভর্তি একটি ইনহেলার সাথে নিলেই হলো। এক পাফ মুখের ভেতরে শ্বাসের সাথে ছেড়ে দেবেন। অতি দ্রুত এই ‘গ্যাস ইনসুলিন’ রক্ত ছড়িয়ে যাবে। পেয়ে যাবেন আকাক্সিক্ষত গ্লুকোজ মাত্রা। এই ইনহেলারের কথা বলছেন মার্কিন গবেষকরা। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই এটা বাজারে চলে আসবে।
মেদভুঁড়ির অপারেশন
মেদভুঁড়ি কত রকম বিড়ম্বনার জন্য দায়ী ভুক্তভোগীরাই জানেন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক এমনকি রাতের ঘুমও হারাম করে দিতে পারে। ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং ওষুধপত্র দিয়ে প্রায় ১০ কেজির মতো ওজন কমানো যায়। এর চেয়ে বেশি কমাতে এসব পদ্ধতি কার্যকর নয়। ৩০-৬০ কেজি ওজন কমানোর জন্য মেলবোর্নের শল্য চিকিৎসকরা এক ধরনের অপারেশনের কথা বলছেন। এতে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির মাধ্যমে এক ধরনের বেলুন পাকস্থলীতে স্থাপন করা হয়। বেলুনটির নাম ল্যাপব্যান্ড। ইচ্ছামতো এর আকার বড় বা ছোট করা যায়। এতে পাকস্থলীর অভ্যন্তরীণ আয়তন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এ জন্য হাসপাতালে দু-তিন দিন থাকলেই চলে। ১২৩ জন রোগী এই চিকিৎসায় সফল হয়েছেন। কমে গেছে ওজন ফিরে পেয়েছেন প্রাণবন্তু জীবন আর নাক ডাকাবিহীন নিশ্চিন্ত ঘুম।
ইকোনমি ক্লাস সিন্ড্রোম
বিমানযাত্রীদের অসুখ
ইকোনমি ক্লাস সিনড্রোম। দূরপাল্লার বিমানযাত্রীদের রোগ। সিডনি এয়ারপোর্টে প্রতি বছর প্রায় ৪০০ যাত্রী এ সমস্যায় ভোগেন। এতে জীবনবিধ্বংসী ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় বিমানে বসে থাকলে শরীরের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। শরীরের নাড়াচাড়া বন্ধের সাথে কেবিনের বায়ুচাপ ও নিচুমাত্রার অক্সিজেন এ ঘটনার জন্য দায়ী। সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হসপিটাল গত তিন বছরে এ ধরনের ১২২ জন রোগীর চিকিৎসা করেছে। জমাট বাঁধা রক্ত হার্ট বা ফুসফুসে পৌঁছার পর তাৎক্ষণিক মৃত্যুও ঘটেছে অনেক যাত্রীর। তাই বিমানযাত্রীদের ভ্রমণকালীন হাল্কা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য বিমানে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণকারীদের মধ্যেই এটি দেখা দিচ্ছে।
ষ ডা: জিনাত ডি লায়লা


আরো সংবাদ