২৬ জুন ২০১৯
নয়া দিগন্তের সাথে সাক্ষাৎকারে ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য সরকারের মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া দরকার

ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী - সংগৃহীত

মানুষের মধ্যে নানা ধরনের ক্ষোভের কারণেই দেশে খুন, গুম ও ধর্ষণের মতো সামাজিক অপরাধ বাড়ছে। তবে পুলিশ দিয়ে, আমলাদের দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না। এ জন্য প্রয়োজন সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। বিরোধী দলগুলোকে সামগ্রিকভাবে এসব ইস্যু নিয়ে মাঠে নামা উচিত। মানবিক ও ন্যায়ের কারণে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়ে দিতে হবে। যেহেতু ভোটটি ন্যায্যভাবে হয়নি, সঠিকভাবে হয়নি তাই এই সরকারকে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া দরকার।

কথাগুলো বলেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী। মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধিকার আন্দোলন, সামাজিক আন্দোলনের নানাপর্যায়ে তিনি অবদান রেখে চলেছেন। ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর, চট্টগ্রামের রাউজানে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম। ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ও ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করেই চলে আসেন। গেরিলা প্রশিক্ষণ নেয়ার পর ডা: এম এ মবিন ও জাফরুল্লাহ চৌধুরী আগরতলার মেঘালয়ে ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন। যুদ্ধ শেষে এই হাসপাতালটিকেই তারা প্রথমে কুমিল্লা ও পরে ঢাকায় স্থানান্তর করেন, যা আজ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ১৯৭৮ সালে তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ফিলিপাইন থেকে ম্যাগসাসাই ও সুইডেন থেকে বিকল্প নোবেল রাইট লাভলিহুড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ‘স্বাস্থ্য হিরো’ এবং মানবতার সেবার জন্য কানাডা থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেয়েছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয় নিয়ে সোমবার তিনি নয়া দিগন্তের সাথে একান্তে কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইকবাল মজুমদার তৌহিদ

নয়া দিগন্ত : দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : দেশের বর্তমান অবস্থা ভালো না। আজকে যেখানে প্রতিদিন মানুষ, স্কুলের সাত বছরের বাচ্চাকে যৌন নিপীড়ন করা, তাকে হত্যা করা, কেউ কেউ আবার আত্মহত্যাও করছে। একজন ডাক্তারকে নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা বলছেন, এত বাড়াবাড়ি করছেন কেন? সন্ধ্যার সময় ধরে নিয়ে রেপ করে দেবো। এ ধরনের পাবলিক অকারেন্স প্রতিদিন হচ্ছে। সারা দেশে গত চার মাসে প্রায় সাড়ে পনেরো শ’ লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। দ্বিতীয়ত প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো কাজ করতে চাইছেন, কিন্তু কোনো কার্যকর করা যাচ্ছে না। দেশে গণতন্ত্রের সঠিক বিন্যাস না থাকায় ভালো পদক্ষেপগুলোও বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। গণতন্ত্র কেবল রাষ্ট্রীয়ভাবে নেই তা না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও আলাপ-আলোচনার অভ্যাস গড়ে উঠছে না। জোট আছে, কিন্তু জোটের মধ্যে হয় না পর্যাপ্ত আলাপ-আলোচনা। সরকার একদিকে লোকদেরকে কথা বলতে দিচ্ছে না, মিটিং করতে দিচ্ছে না, হয়তোবা পাবলিক মিটিং হচ্ছে না, কিন্তু এই যে সমস্যাগুলো, সেগুলো তো বসে নেই। এই যে রোহিঙ্গা, এটাও একটা বিরাট সমস্যা। কিন্তু সরকার সেভাবে উপলব্ধি করতে পারছে না। আজকে পর্যন্ত সেখানে ১২ লাখ লোক আছে, এর মধ্যে ৫ লাখ লোক আছে যাদের বয়স ২০ বছরের কম। আজকে জঙ্গিবাদ বলছে, এদের মাঝখান থেকে ২০টা ছেলে জোগাড় করা কি খুব কঠিন কাজ? এ জন্য সরকারের রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন ও রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে সমস্যাটি সমাধানের উদ্যোগ নিতে পারছে না। এসব কারণে সামগ্রিকভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের যে অবস্থা যদিও এখানে কোনো উত্তাপ নেই কিন্তু মনে রাখতে হবে, জল থাকলে হঠাৎ জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এতে ভয়াবহ সমস্যা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আমাদের সামগ্রিকভাবে একটি চেষ্টার প্রয়োজন। 

নয়া দিগন্ত : বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের নেতারা বলছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি। তার মুক্তির জন্য বিএনপি, ২০ দল, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও সর্বোপরি দেশের জনগণের করণীয় কী?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : খালেদা জিয়ার মুক্তি মানেই গণতন্ত্রের মুক্তি সেটা আমি মনে করি না। তবে খালেদা জিয়ার ওপর ভয়ানক অন্যায় করা হচ্ছে। উনার মামলাগুলোতে তাকে জামিন না দেয়াটা একটা অত্যন্ত অনৈতিক কাজ বলে মনে করি, বিবেকহীনতার কাজ বলে মনে করি। আমাদের দেশে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও জামিন পায়, আর বেগম জিয়ার জামিন শুনানি এলেই একটার পর একটা হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয়। এটাও খারাপ, এটা আমাদের দেশের স্বেচ্ছাচারিতার একটা প্রমাণ। এটা একটি ভুল কাজ। সরকারের উচিত তাকে অবিলম্বে জামিন দিয়ে দেয়া। এতে তার স্বাস্থ্যও ভালো হবে। আজকে বেগম খালেদা জিয়ার মূল চিকিৎসা হলো তার বাইরে মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারাটা নিশ্চিত করা। উনাকে আটকে রেখে একটির পর একটি মামলা দিয়ে কোনো লাভ হবে না। উনার যে মামলাগুলো আছে তার বিচার হতে পারে, কিন্তু তার জামিন দিয়ে দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

নয়া দিগন্ত : সরকার খালেদা জিয়াকে জামিন না দিলে বিএনপির করণীয় কী?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : জামিন না দিলে সরকারের প্রতি আমাদের আবেদন জানাতে হবে। রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর করলে তো কোনো লাভ হবে না। এটাকে হয়তো আমরা আরো ভালোভাবে বলতে পারি। সরকার যে বুঝে না তা নয়, সরকারের সাথে আলোচনা করতে হবে। আমাদের বিচার বিভাগ স্থবির হয়ে গেছে। হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের উচিত খালেদা জিয়ার মুক্তি ত্বরান্বিত করা।
নয়া দিগন্ত : এই মুহূর্তে সব বিরোধী দলকে একটি ইস্যুতে এক হতে হলে সেই ইস্যুটি কী হতে পারে?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : দেশে আজকে যৌন নিপীড়ন হচ্ছে, হত্যাকাণ্ড ঘটছে, সড়কে নিরাপত্তাহীন অবস্থা বিরাজ করছে, খাদ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে, এখনো প্রায় ৫০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী জেলখানায় আছে। বিরোধী দলগুলোকে সামগ্রিকভাবে এই সব ইস্যু নিয়ে নামা উচিত বলে আমি মনে করি।

 

নয়া দিগন্ত : ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আব্দুর রব ও মাহমুদুর রহমান মান্না বিভিন্ন সময় তাদের বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য রাজপথে কঠোর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন। আপনি কি তাই মনে করেন?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : কঠোর আন্দোলন বলতে গাড়ি-ঘোড়া ভাঙব নাকি? আমি মনে করি সরকারকে তার বিবেকের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে। আমাদের এই রমজানে সরকারের যাতে বিবেক কাজ করে সে জন্য দোয়া করতে হবে।

নয়া দিগন্ত : এই সরকার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে বলে মনে করেন?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : সরকারের গায়ে জোর আছে, তার পুলিশ বাহিনী আছে, সেনাবাহিনী আছে। তবে সেটা করতে পারলেও সরকারের সেটা করা উচিত হবে না। তাদেরকে একটা মধ্যবর্তী নির্বাচনে যাওয়া উচিত। আওয়ামী লীগ যদি চায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করবে তবে সবাইকে নিয়ে আনন্দের সাথে করা উচিত। একটা বিষয় উল্লেখ করা দরকার স্বাধীনতা একমাত্র বঙ্গবন্ধু আনেননি। তার যে সহযোগী ছিলেন, তাজউদ্দীন সাহেব, নজরুল ইসলাম সাহেব, এম এ জি ওসমানীরা যুদ্ধ করেছেন, জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশারফ, শফিউল্লাহ স্বাধীনতাযুদ্ধে তাদের সবার অবদান আছে। আমার মতে সঠিক ইতিহাসটি প্রকাশ করেই মুজিব ভাইয়ের জন্মশতবার্ষিকী পালনটা অধিক কার্যকর হবে।

নয়া দিগন্ত : দেশে খুন, গুম ও ধর্ষণের মতো সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির মূল কারণ কী বলে মনে হয়?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : এসব সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধির ১ নম্বর কারণ হলো মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্ষোভ। এ বিষয়ে আমাদের সামগ্রিকভাবে চিন্তা করতে হবে। আমাদের শিক্ষা কারিকুলামে ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে। মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না। মানুষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু মানুষ দরিদ্র হয়ে গেছে। আজকে চিকিৎসা নিতে গেলে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যায়। এই সব কারণে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়ায় সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা প্রতিহত আমার মতে একটা পদ্ধতিতে হবে না। এই যে বাসে যেই ঘটনাটা (ধর্ষণের পর হত্যা) হয়েছে, আমাদের নুসরাত, তানিয়া, শারমিনের ঘটনায় শুধু জেল ফাঁসি দিয়ে হবে না। আমাদের শিক্ষায় পরিবর্তন আনতে হবে। বুঝাতে হবে ওই মেয়েটা তোমার বোন হতে পারত, তোমার স্ত্রী হতে পারত, মা হতে পারত বা তোমার বন্ধুর মেয়ে হতে পারত। আজকে বাস ড্রাইভারদের মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য রেডিও, টেলিভিশন ও পত্রিকায় প্রতিনিয়ত তাদের কাহিনী তুলে ধরতে হবে, যাতে তাদের চিন্তা চেতনার পরিবর্তন হয়। তারপর মানুষের ক্ষোভগুলো নিরসন করতে হবে। আজ একটি ইউনিয়নে বিল্ডিং আছে কিন্তু ডাক্তার নেই। কেন ডাক্তার থাকে না সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী চাইলেই এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে দু’জন ডাক্তার পাঠাতে পারেন। ওষুধের দাম বেড়েছে এই সব ক্ষোভ নিরসন না করলে সমস্যার উন্নতি হবে না। সবকিছুর মধ্যে আছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্র মানে ঢাকার গণতন্ত্র না। আজকে স্থানীয়ভাবে গণতন্ত্রের বিকাশ দরকার। বাংলাদেশকে অবশ্যই আটটি-দশটি প্রদেশে ভাগ করা যেতে পারে, অথবা বঙ্গবন্ধু যে চেয়েছেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ না করে এটাকে ১৭টি রাজ্য করা যায়। তা না হলে পুলিশ দিয়ে, আমলাদের দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না। আজকে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার চেয়ে রাজনৈতিক কর্মীদের কাছ থেকে ঘুষ বাণিজ্য করার জন্য বেশি ব্যস্ত রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা তারা কথা শুনছে না, কথা শুনবে কী করে ২৯ ডিসেম্বর রাতে তারাই তো ভোট দিয়েছেন, জনগণ তো ভোট দেননি। এই কারণে আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রীর তার ভালো কাজগুলো সবার সাথে বসে আলোচনা করে করা উচিত। হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া, ওষুধের দাম কমানো, শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। আসে বিশ্ব মাতৃদিবস। কিন্তু কোনো বইয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাহিনী পড়ানো হয় না। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মা তাকে ডাক দেয়ায় সেই দামোদর নদী পাড়ি দিয়ে মাকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেটি হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গল্প। আজকে হাজী মোহাম্মদ মুহসীনের মতো দানবীরের গল্প পড়ানো হচ্ছে না। আমরা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলব আর শেরেবাংলার কাহিনী পড়াব না, মওলানা ভাসানীর কথা বলব না এটাতো হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি তাদেরও ইতিহাস পড়াতে হবে। এই জিনিসগুলো আমাদের পাঠ্যপুস্তকে আনলে আমাদের চিন্তা-চেতনার পরিবর্তন ঘটবে। দ্বিতীয়ত যা করতে হবে, মানবিক ও ন্যায়ের কারণে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়ে মুক্তি দিতে হবে। যেহেতু ভোটটি ন্যায্যভাবে হয়নি, সঠিকভাবে হয়নি তাই এই সরকারকে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া দরকার। 

নয়া দিগন্ত : খালেদা জিয়াসহ রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির জন্য ঐক্যফ্রন্টের করণীয় কী?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : আমার মতে শুধু ঐক্যফ্রন্ট না, বিএনপি ও ২০ দলের যা করা উচিত সেটা হলো, রমজানে প্রতিটি জেলায় যেসব নেতাকর্মী কারাগারে আছেন তাদের পরিবারকে নিয়ে ইফতার মাহফিল করা; যাতে তাদের বিবেক জাগ্রত হয়। এই যে ৫০ হাজার লোক জেলে আছে আমরা যে তাদের অনূভব করি সেটার প্রমাণ দেয়া প্রয়োজন।

নয়া দিগন্ত : দেশের জনগণের প্রতি কোনো বার্তা?
জাফরুল্লাহ চৌধুরী : সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নামতে হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান বিবেকের দ্বারা পরিচালিত হোন, ন্যায়নীতি মানেন; তা না হলে গণতন্ত্রের নামে মুখে বড় বড় বুলি দিয়ে দেশের সমস্যার সমাধান হবে না।


আরো সংবাদ