১৫ নভেম্বর ২০১৯

পুলিশি বাধায় আবরারের বাড়িতে যেতে পারলেন না বিএনপি নেতারা

নিহত বুয়েট ছাত্র আবরারের বাড়িতে যেতে পুলিশী বাধায় পড়েন আমান উল্লাহ আমানসহ বিএনপি নেতারা - ছবি : নয়া দিগন্ত

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুলিশি বাধায় কুষ্টিয়ায় প্রবেশ করতে না পেরে ঢাকায় ফিরে গেছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের বাড়িতে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করা এবং জেলা বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করতে যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।

আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা অংশের টোল প্লাজা থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়।

জানা যায়, আমান উল্লাহ আমানের গাড়ি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা টোল প্লাজায় পৌঁছায়। সেখান থেকে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুলিশের বাধায় গাড়িটি পুনরায় ঢাকার অভিমুখে ফিরে যায়।

এসময় বিএনপি নেতারা বলেন, ‘কুষ্টিয়া লালন শাহ সেতুতে পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমরা জাতিকে জানাতে চাই আবরার জাতির সম্পদ।’

আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘কেন্দ্রঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে আমরা এসেছি। আমরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করবো এবং আবরাবের বাড়িতে যাবো। তার বাবা-মার সাথে কথা বলবো। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেখানে যেতে না দিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে, সংবিধানকে অমান্য করা হচ্ছে।’

এসময় ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, বিএনপির উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অধ্যক্ষ সোহরাবউদ্দিন সোহবার উদ্দিন।

এসময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আল বেরুনি, ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৯ অক্টোবর নিহত আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে এবং ফাহাদের কবর জিয়ারত করতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আসেন বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। ফাহাদের গ্রামের বাড়িতে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন তিনি। পরে পুলিশের সহায়তায় দ্রুত স্থান ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরে যান।

গত শনিবার দিবাগত রাতে রাতে বুয়েটের ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের ২য় বর্ষ ও শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। রোববার সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।


আরো সংবাদ