১৯ নভেম্বর ২০১৯

জনগণের পাশে থাকার সিদ্ধান্তটা নিতে হবে : গয়েশ্বর

-

বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকার তাদের নিজেদের ক্ষমতা টিকানোর জন্য ৩০ তারিখের নির্বাচন ২৯ তারিখ রাতেই সম্পন্ন করে ফেলেছে। আজ আমরা আসার পর পুলিশ প্রশাসন আমাদের দুর্বিন দিয়ে দেখছে। একটা সময় আসবে জনগণ তাদের দূরবীণ দিয়ে দেখবে। তিনি বলেন, জনগণ আমাদের পাশে আছে। কিন্তু আমাদের উপলব্ধি করতে হবে জনগণ আমাদের যেভাবে চায় সেই ভাবে তাদের পাশে পাই কিনা। যদি না পায় তাহলে আমাদের জনগণের পাশে থাকার সেই সিদ্ধান্তটা নিতে হবে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে যশোরে বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে যশোর জেলা বিএনপি কর্তৃক যশোর জেলা পারিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি একথা বলেন।

তরিকুল ইসলামের স্ত্রী যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নারগিস বেগম-এর সভাপতিত্বে স্বরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন-স্থায়ী কমিটির সাদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মশিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জয়ন্ত কুমার কুন্ড, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দ দাস অপু, নির্বাহী কমিটি সদস্য সাবেরা নাজমুল মুন্নি, তাতি দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।

গয়েশ্বর বলেন, আজকে আমি বলব বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীর মুক্তি আদালত নির্ভর অসম্মানজনক। তার মুক্তির ফয়সালা হবে রাজপথে। খালেদা জিয়া দোষীকে নির্দোষ তা ওই আদালতে বসা যারা তারা ডিসাইড করবে না। কারণ স্বাধীনতার যুদ্ধ কিন্তু আদালতের রায় হয় নাই স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে কার শহীদ জিয়ার ডাকে জনগণ যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। তখন কিন্তু আদালত ছিল সুতরাং ওই যে আদালত যে তখন ৭০ এর নির্বাচনের ফলাফল মানল না তার জন্য আদালত কিন্তু ইয়াহিয়া খানকে বলে নাই এটা বেআইনি, ক্ষমতা হস্তান্তর করো। সুতরাং আজকের আদালত আদালতের জায়গায় নেই আজকের আদালত প্রধানমন্ত্রীর কব্জার মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে হয় মুক্তি না চাইলে মুক্তি পায় না।

আমি তার বিরুদ্ধে বলছি না আমাদের একজন সংসদ তার ৫ বছরের সাজা হলো এবং তিনি সাত দিনের মধ্যে জামিন নিয়ে আসলেন। অথচ খালেদা জিয়ার যখন জেল হল তার আপিল করতে কাগজপত্র পেতে সময় লাগলো তিন মাস। তাহলে আইল কোথায় আছে? খালেদা জিয়ার জন্য আইন কি আলাদা লেখা? আলাদা লেখা না।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এদেশের জনগণ আন্দোলন করতে চায় ।কিন্তু এখন আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে জনগণের এই চাওয়া আমাদের প্রাণের নেত্রীর জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করব। তিনি আরো বলেন আমরা যদি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনে তাহলে তরিকুল ইসলামের প্রতি আমাদের যে সম্মান সম্মান প্রদর্শন করা হবে।


আরো সংবাদ

বরগুনায় লবণ কেনার হিড়িক, গুজব ঠেকাতে প্রশাসনের মাইকিং স্মিথ-ওয়ার্নারের মোকাবেলায় পাকিস্তানের আফ্রিদি-আব্বাস ভূরুঙ্গামারীতে লবণ কিনতে হুড়োহুড়ি, প্রশাসনের মাইকিং  সখীপুরে অতিরিক্ত দামে লবণ বিক্রি করায় দোকানদারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা লবণের গুজব প্রতিরোধে মসজিদে মসজিদে মাইকিং অবরোধে কাশ্মিরে আর্থিক ক্ষতি ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে লবণ নিয়ে গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি সরকারের বাবরি মসজিদ ‘এক কাণ্ড’ ঘটালেন বার্সার তিন ফরোয়ার্ড সৎ ছেলের কোপে হাত হারানো সেই মাকে ঘর তুলে দিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মা-বোনেরা যদি নির্যাতিত হয় তাহলে এই রেমিট্যান্সের মূল্য নাই : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

সকল