১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মিয়ানমারে ফিরে না গেলে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

-

আজ থেকে মিয়ানমারের নাগরিক, কক্সবাজারের একাধিক শিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর রাখাইনে ফেরত যাওয়ার কথা। কিন্তু মিয়ানমার এখনো রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারায় এবং এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের আচরণ পর্যবেণে দেখা যাচ্ছে, আসন্ন প্রত্যাবাসন আবারো বাতিল হতে যাচ্ছে। তবে এখনো প্রত্যাবাসন শুরু হবে বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। সারাবাংলাডটনেট।
অন্য দিকে যারা মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাইবেন না তাদেরকে নোয়াখালীর ভাসানচরে পাঠানো হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন। পাশাপাশি কক্সবাজারের একাধিক শিবিরে যেসব বেসরকারি বিদেশী উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাবাসনের বিপে প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বুধবার রাতে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, বৃহস্পতিবার থেকে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। কিন্তু পত্র-পত্রিকায় তো নেতিবাচক খবর পাচ্ছি। শুনতে পাচ্ছি যে, কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে যাতে ওরা (মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী) ফিরে না যায়। শিবিরগুলোতে লিফলেটও বিতরণ করা হচ্ছে। লিফলেটগুলোতে বলা হচ্ছে যে, পাঁচটি দাবি না মানলে রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে না। কিন্তু ইস্যুটা হচ্ছে, বাংলাদেশ কেন নট বি হোস্টেজ টু দেয়ার ডিমান্ড, রোহিঙ্গাদের ডিমান্ডে বাংলাদেশকে হোস্টেজ করা যাবে না, এটা ঠিক না। আগেও এসব কারণে ওরা (রোহিঙ্গারা) যায়নি। কিন্তু না গেলে ভবিষ্যৎটা তাদের খারাপ হবে। কারণ, তাদের তো আমরা এত দিন বসিয়ে খাওয়াতে পারব না। তাদের পেছনে আমরা কোটি কোটি টাকা খরচ করছি। বিদেশীরা যে সাহায্য করছে আগামীতে এ সাহায্যও কমে যাবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘যেসব বিদেশী সংস্থা ফিরে না যাওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে, আমার মনে হয় ওইসব সংস্থার দেশে তাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া ঠিক হবে। আমি শুনেছি যে, হংকংভিত্তিক একটি গ্রুপ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, এদের (রোহিঙ্গা) পাঠানো উচিত না। আমরা এখন ওই সংস্থাকে বলব যে, তবে তোমরা রোহিঙ্গাদের হংকং নিয়ে যাও। যেসব সংস্থা কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে কাজ করছে এবং ফিরে না যাওয়ার জন্য প্ররোচনা দিচ্ছে, আমার মনে হয়, দেয় সুড বি উইড্র ফ্রম দিস প্লেস।’


আরো সংবাদ