১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছাত্রদলের কাউন্সিলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা গভীর চক্রান্ত : রিজভী

-

ছাত্রদলের কাউন্সিলে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি গভীর চক্রান্তের অংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ দাবি জানান। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আজ শুক্রবার বৈঠকে বসে কাউন্সিলের পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন। ছাত্রদলের সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আমানউল্লাহর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিতাদেশ সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিক। কারণ আমানউল্লাহ অনুষ্ঠিতব্য কাউন্সিলে প্রতিযোগী ছিলেন না এবং প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করেননি কিংবা তিনি কাউন্সিলরও নন। সুতরাং কোনো বিচার বিশ্লেষণ ও যুক্তিতর্ক ছাড়া তার করা মামলার প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিতের আদেশ দেয়া গভীর চক্রান্তমূলক।
রিজভী বলেন, সরকারের কারসাজিতেই এহেন আদেশ প্রদান করা হয়েছে। ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলরদের মধ্যে যে উৎসাহ ও স্বতঃস্ফূর্ততার স্ফুরণ সৃষ্টি হয়েছিল সেটিকে বানচাল করার জন্যই এই আদেশ সরকারের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ।
রিজভী বলেন, আওয়ামী সরকারের হাত ধরেই এ দেশে বারবার গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করা হয়েছে। দেশ থেকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেশান্তরিত করা হয়েছে। এ কারণে এই মধ্যরাতের নির্বাচনের সরকার কোনো প্রতিষ্ঠানেরই গণতান্ত্রিক চর্চাকে সহ্য করতে পারছে না। এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো ছাত্রদলের কাউন্সিলের ওপর আদালতকে দিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এ সময় ছাত্রদলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বিএনপির নেতা খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আজিজুল বারী হেলাল, শফিউল বারী বাবু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ অনেক প্রার্থী কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।


আরো সংবাদ