১০ ডিসেম্বর ২০১৯

কঠিন বর্জ্যরে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ

ব্যবস্থাপনার বাইরে না’গঞ্জ শহরের ১৭ ভাগ বর্জ্য
-

কঠিন বর্জ্যরে কারণে হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ। এতে পরিবেশগত বিপদ ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ ব্যবস্থাপনা এতই অপ্রতুল, যার কারণে নগরীতে দূষণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। রাজধানীর পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রতিদিন উৎপাদিত কঠিন বর্জ্যরে ১৭ শতাংশ রাস্তার পাশে, নদী ও পুকুর পাড়ে এবং খালে ফেলা হচ্ছে। এ অবস্থায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য ৩৩২ কোটি ২০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব পেশ করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক)। স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নাসিকের প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, এই নগরীতে ১৫ লাখ নাগরিকের বসবাস। সেখানে জনপ্রতি প্রতিদিন প্রায় ০.৪৯ কেজি হারে কঠিন বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। শহরে প্রায় সাড়ে ৩০০ টন কঠিন বর্জ্য তৈরি হয়। তার মধ্যে করপোরেশন প্রতিদিন প্রায় ২৯০ টন কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এই সংগ্রহের হার ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ ৬০ টন বর্জ্য বা ১৭ শতাংশ করপোরেশন সংগ্রহ করতে পারে না। আর এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়নে ১০ জন পরামর্শক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, যে পরিমাণ বর্জ্য করপোরেশন সংগ্রহ করতে পারছে না সেগুলো স্থানীয় নদীর পাড়ে বা খালের উপর ফেলা হয়। যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। নারায়ণগঞ্জ শহর মূলত শিল্প এলাকা। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে শিল্প বর্জ্য যেমন পলিথিন, কাপড়, কাপজপত্র তৈরি হয়। সিটির কঠিন বর্জ্যগুলোর প্রধান উপাদানগুলোতে খাদ্য, শাকসবজি, ফল, পলিথিন, কাগজ এবং জুট কাপড় রয়েছে। এইগুলোর মধ্যে মেডিক্যাল বর্জ্য, খাদ্য ও শাকসবজি বর্জ্য প্রধান উপাদান। এ ছাড়া শিল্পের বিষাক্ত বর্জ্যও আছে। এ ছাড়াও রয়েছে প্রাণিজ ও মানব বর্জ্য। এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ, ২০০ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ২৪টি প্রকৌশল সরঞ্জাম ক্রয়, রাস্তা নির্মাণ, অফিস নির্মাণ ও ড্রেন নির্মাণ করা হবে। তবে তহবিল সঙ্কটের কারণে নগরী তার নগরবাসীদের পর্যাপ্ত সুবিধা দিতে পারছে না।
ব্যয় বিভাজনে দেখা যায়, এখানে এক কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি ৫৯ লাখ টাকা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রকল্পে আড়াই বছরের জন্য ১০ জন পরামর্শক লাগবে। যাদের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৮৬ লাখ টাকা। জমি অধিগ্রহণে ধরা হয়েছে ২০২ কোটি ১৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। কেনা হবে ৬৯.৮৭ একর জমি। প্রতি একরের দর দুই কোটি ৯০ লাখ টাকা। বলা হচ্ছে ২০১৮ সালের রেট শিডিউল অনুযায়ী এই নির্মাণ কাজের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। তবে চলমান প্রকল্পের চেয়ে এখানে রাস্তা নির্মাণ খরচ প্রতি মিটারে বেশি। আর আরসিসি ড্রেন নির্মাণ ব্যয় প্রতি মিটারে দ্বিগুণ।
পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ বলছে, ডিপিপিতে সংযুক্ত ড্রইং ও ডিজাইন স্পষ্ট নয়। এটাকে স্পষ্ট করতে হবে। একই সিটিতে একই প্রকল্প একটি চলমান আছে। একটি এলাকার ভেতরে দুটি একই ধরনের প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

 


আরো সংবাদ

শোক সংবাদ : আলহাজ মো: শামসুল হক গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের জবাবদিহির সময় এসেছে ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি : পর্বসংখ্যা-২২ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় : বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু সরকার ক্ষমতা দখল করে টিকে আছে : মির্জা ফখরুল বাংলা প্রথম পত্র গদ্যাংশ : আম আঁটির ভেঁপু গদ্যাংশ : মানুষ মুহম্মদ (স.) এসএসসি পরীক্ষার লেখাপড়া : বাংলা দ্বিতীয় পত্র তৃতীয় অধ্যায় : পরিচ্ছেদ-৩ : সংখ্যাবাচক শব্দ ২০২০ সালের ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি : সাধারণ জ্ঞান বিষয় : সাধারণ জ্ঞান এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি : পদার্থবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় : ভৌত রাশি ও পরিমাপ হ্যাটট্রিক স্বর্ণে সোহেল প্রথম ফুটবলে কেন এই ব্যর্থতা

সকল