২১ অক্টোবর ২০১৯

খালেদ ৭ ও শামীম ৫ দিনের রিমান্ডে

মাদক ও মানি লন্ডারিং মামলায় ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে বহিষ্কার হওয়া খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার আবারও ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে ঢাকার সি.এম.এম আদালতে হাজির করে গুলশান থানার মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরি শুনানী শেষে ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। ঐদিন মতিঝিল থানায় মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ৭  দিনের রিমান্ড আবেদন করে। ঢাকা মহানগর হাকিম কনক বড়ুয়া শুনানী শেষে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে ২ মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হলো।  

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য-গত ২৭ সেপ্টম্বর সাতদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে র্যাব। গুলশান থানার অস্ত্র ও মাদক মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-৩ এর এএসপি বেলায়েত হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দিদারুল আলম অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য-গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান-২ এর নিজ বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে দুই থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়।  গ্রেফতারের সময় খালেদের বাসা থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা, লকার থেকে ১০০০, ৫০০ ও ৫০ টাকার বেশ কয়েকটি বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। সেগুলো গণনার পর ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া ডলারেরও বান্ডিল পাওয়া যায়। টাকায় তা ৫-৬ লাখ টাকা হবে বলে জানায় র‌্যাব। এছাড়া অভিযানে তার কাছ থেকে মোট তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

জি.কে শামীমকে অর্থ পাচারের মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড

অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের মামলায় জি কে শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালতে গত ২ অক্টোবর তারিখে মঞ্জুরীকৃত ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। আদালত শুনানী শেষে সি.আই.ডি কে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। এদিন অস্ত্র আইনের মামলায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখর চন্দ্র মল্লিক তাকে ৪ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার সি.এম.এম আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামী পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত শুনানী শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে এ মামলায় কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য-গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে জি কে শামীমকে সাত দেহরক্ষীসহ আটক করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয় । ২১ সেপ্টেম্বর অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় জি কে শামীমের পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২ অক্টোবর অর্থপাচার আইনের মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র আইনের মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।


আরো সংবাদ