২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

আবরারের ভাইকে মারার অভিযোগ, যা বললো পুলিশ

আবরারের ভাইকে মারার অভিযোগ, যা বললো পুলিশ - ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের বিরুদ্ধে গায়ে হাত তুলার অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়।

বুধবার কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়িতে যান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। তবে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে ওই এলাকা ত্যাগ করেন। ওই সময়ই ফাইয়াজের গায়ে হাত তুলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফায়াজ বলেন, ‘কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান কনুই দিয়ে আমার বুকে আঘাত করেন। আমার এক ভাবিকেও তারা লাঞ্ছিত করেছে। আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে এখন আমাকেও মারতে চাইছে।’

তবে এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফাইয়াজ ভিসিকে মারতে উদ্যত হলে তিনি তা নিরসন করেন। এ ছাড়া আশপাশের কয়েকজন ভিসির দিকে তেড়ে আসেন। তার দাবি, কারও গায়ে তিনি হাত তোলেননি। সেখানে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

আবরারের মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী তমা খাতুন পুলিশের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিসি জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে চলে যান। কিন্তু তার পেছনে ছিল পুলিশ সুপারের (এসপি) গাড়ি। বিক্ষোভকারীরা মনে করেছিলেন ভিসি পুলিশ সুপারের গাড়িতে রয়েছেন। তখন তমা খাতুন পুলিশ সুপারের গাড়ির রাস্তা আটকে দাঁড়ান। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে সরিয়ে দিতে চাইলে পুলিশ সদস্যকে তমা খাতুন ধাক্কা দিলে আরেক নারী পুলিশ সদস্য তমা খাতুনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।

 


আরো সংবাদ