২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিধবাদের বঞ্চনা

-

সরকার শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের অবসরের ১৫ বছর পর পেনশনে ফিরিয়ে তাদের প্রতি উদারতা দেখিয়েছেন। কিন্তু তাদেরই বিধবারা এখনো অবহেলিত, বঞ্চিত। দেনদরবারের পর ২০১৬ এর ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের মাসিক চিকিৎসা ও উৎসবভাতা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু অন্যদের মতো উৎসব ভাতায় বার্ষিক ৫% হারে ইনক্রিমেন্ট তাদের দেয়া হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে উৎসবভাতা নির্ধারণ করা হচ্ছে স্বামীর পরিবর্তে স্ত্রীর বয়সের ভিত্তিতে। তবে স্বামীর চাকরি, বেতন ও বয়সই এই ভাতার মূল উৎস। এ বিষয়ে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক অথবা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বা নির্দেশনা প্রয়োজন। তা ছাড়া, অন্যেরা বাংলা নববর্ষ ভাতা পেলেও তারা পাচ্ছেন না। তৃতীয়ত, স্বামী পেনশনে পুনঃস্থাপনের যোগ্যতা অর্জন করে পুনঃস্থাপনের আগেই মারা গেছেন। তাই স্বামীর ও নিজের পেনশন কোনোটাই পাচ্ছেন না। চতুর্থত, স্বামী অবসরের পর মারা গেছেন। তার স্ত্রী স্বামীর অবসরের ১৫ বছর পর জীবিত আছেন। কিন্তু তার পেনশনের কোনো খবর নেই। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পেনশনে পুনঃস্থাপনের পর মৃতদের বিধবা স্ত্রীদেরও পেনশন দেয়া হচ্ছিল না, যা হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের সুপারিশে সম্প্রতি দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একইভাবে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোর প্রতি সরকার সুনজর দিলে বিধবারা বঞ্চনার থেকে মুক্তি পেয়ে আর্থিক নিরাপত্তা পেতে পারেন।
ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ
অবসরপ্রাপ্ত সহকারী মহাব্যবস্থাপক, অগ্রণী ব্যাংক।
৫৭০/১-বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা- ১২১৬


আরো সংবাদ